Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
Mamata Banerjee

‘বেইমানদের জন্য ক্ষমাপ্রার্থী, যারা যাওয়ার যাক’, ফের ‘শূন্য’ থেকে শুরুর অঙ্গীকার মমতার

আরও এক বিধায়ক বিদ্রোহী শিবিরে। আবারও নিশানায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শহিদ স্মরণের জায়গা বদল। সব নিয়ে মমতার তৃণমূল আরও ছন্নছাড়া।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০২৬, ১৯:০৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০২৬, ১৯:০৪

options
link
‘বেইমানদের জন্য ক্ষমাপ্রার্থী, যারা যাওয়ার যাক’, ফের ‘শূন্য’ থেকে শুরুর অঙ্গীকার মমতার zoom
বুধবার সোশাল মিডিয়া লাইভ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজস্ব চিত্র।
Advertisement

আরও এক বিধায়ক বিদ্রোহী শিবিরে। আবারও নিশানায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শহিদ স্মরণের জায়গা বদল। সব নিয়ে মমতার তৃণমূল আরও ‘ছন্নছাড়া’। এই অবস্থাতে ‘শূন্য’ থেকে শুরুর অঙ্গীকার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

তাঁর সঙ্গ ছেড়ে বিদ্রোহী শিবিরে যাওয়াদের আরও একবার বেইমান বলেছেন তিনি। তাঁদের জন্য তিনি ক্ষমাপ্রার্থী বলে জানিয়েছেন মমতা। পাশাপাশি দলের জন্মলগ্নে লড়াই করতে পারলেও এখনও তিনি লড়াই করতে পারবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। এ দিন সোশাল মিডিয়ায় তিনি বলেন, “দলের প্রতীক দেখে আপনারা ভোট দিয়েছিলেন। বেইমানদের জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী। ১৯৯৭ সালে একা ছিলাম। লড়াই করেছি। এখন ১৮ জন সাংসদ আছে। আরও বিধায়ক আছে। সেই সময় পারলে, ২০২৬ সালেও শুরু করার ক্ষমতা রাখি।”

Advertisement

ছাব্বিশের নির্বাচনের পর তৃণমূলের ভাঙন পর্ব অব্যাহত। বুধবার ঋতব্রত শিবিরে যোগ দিয়েছেন মমতার দীর্ঘদিনের সঙ্গী মদন মিত্র। বিরোধী দলনেতার ঘরে যাওয়ার সময় মদনের দাবি, অভিষেকের জন্য এই দশা। সেই প্রসঙ্গ টেনে মমতা বলেন, “অভিষেক বাহানা। ওর ভুল মাফ হয়ে গিয়েছে। সে লড়ে যাচ্ছে। আগামী ৫০ বছর লড়বে।” মদনের ছেড়ে যাওয়া নিয়ে নাম না করে বলেন, “ভয় দেখিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ছেলে, স্ত্রীর নামে নোটিস দেওয়া হচ্ছে। আরও একজন আজ গিয়েছে, আগেই জানিয়েছিলেন তার পরিবারকে ইডি সমন করেছে। বুঝতে পেরেছিলাম। সব পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।”

এরপরই মমতা তৃণমূলের প্রতিষ্ঠালগ্নের কথা তুলে এনে, বর্তমানেও লড়াই জারি রাখার কথা বলেছেন। ‘শূন্য’ থেকে শুরুর অঙ্গীকার করেছেন তিনি। মমতা বলেন, “১৯৯৮ সালের ১ জানুয়ারি আমরা প্রতীক পাই। ১ মাসের ২২ দিনের মাথায় নির্বাচনে লড়াই করেছি। ৮ এমপি ছিল। ১৯৯৯ সালে ফের লোকসভা নির্বাচন হয়। আমরা ৯ জন হই। ২০০৪ সালে একা হয়ে গিয়েছিলাম। লড়াই করে গিয়েছি। এখন রাজ্যসভায় ১০ জন। লোকসভায় ৮ জন এমপি আছে।” এরপরই তিনি বলেন, “যারা যাওয়ার চলে যাক। ১৯৯৭-৯৮ সালে লড়াই করতে পারলেও ২০২৬ সালেও শুরু করার ক্ষমতা রাখি।” 

এ বছর কালীঘাটপন্থী ২১ জুলাই সমাবেশ হবে বিড়লা প্ল্যানেটরিয়ামে। সেই মিটিংয়ে কিছু শর্ত বেঁধে দিয়েছে আদালত। সেই কথা জানিয়ে মমতা বলেন, “বিড়লা প্ল্যানেটরিয়ামে মিটিং হবে। আমি প্রতিবারের মতো ২০ জুলাই জায়গা পরিদর্শনে যাব। আমি পুলিশকে অনুরোধ করব যেন বিজেপি ও সেটিং পার্টি যেন কোনও ঝামেলা না করতে পারে, তা দেখতে। ডেকোরেটার্স মাইকদের ভয়ও দেখাতে পারে। তবে মনে রাখবেন খালি গলাতেও সভা করতে পারি। বলেছি যখন, মিটিং হবেই। আমরা ৩টে পর্যন্ত মিটিং করব।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.