ঝটকা মাংসের দোকান খুললেই ১০ হাজার টাকা অনুদান! বড় ঘোষণা বীজপুরের বিধায়কের। বাঙালি হিন্দু খাদ্যরসিকদের কথা ভেবেই এই উদ্যোগ। এমনই জানিয়েছেন বিধায়ক। সামাজিক মাধ্যমে এই সংক্রান্ত একটি ভিডিওবার্তা পোস্ট করেছেন তিনি। তবে তিনি নিজে হালাল মাংসের বিরুদ্ধে নন। সেই কথাও বলতে ভোলেননি। সম্প্রতি দুর্গাপুর এলাকায় মাংস বিক্রি নিয়ে স্পষ্ট বার্তা দেওয়ার ‘দাবি’ জানিয়েছিল হিন্দু জাগরণ মঞ্চ! হালাল না ঝটকা! সেই বার্তা এবার মাংস বিক্রেতাদের দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছিল।
রাজ্যে পালাবদল হয়েছে। বিপুল জনসমর্থন নিয়ে বিজেপি বাংলায় প্রথমবার ক্ষমতায় এসেছে। রাজ্যজুড়ে উন্নয়নের কাজ শুরু হয়েছে। বেশ কিছু বিষয়ে অলিখিত নির্দেশনামাও দেখা যাচ্ছে স্থানীয় গেরুয়া নেতৃত্বের তরফে! সেই আবহে বড় ঘোষণা করলেন উত্তর ২৪ পরগনার বীজপুরের বিজেপি বিধায়ক সুদীপ্ত দাস। তাঁর বিধানসভা এলাকায় ঝটকা মাংসের দোকানের হলে বিধায়কের নিজের তরফে আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে। ব্যক্তিগত উদ্যোগে ১০ হাজার টাকা দেওয়া হবে। এই বিষয়ে বীজপুর এলাকায় একাধিক দেওয়ালে পোস্টারও পড়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে।
আরও পড়ুন:
সাধারণত, দুই পদ্ধতিতে মাংস কাটা হয়। আড়াই প্যাঁচে হালাল মাংস ও এক কোপে ঝটকা মাংস। বহু দোকানেই হালাল পদ্ধতিতে কাটা মাংস বাজারে বিক্রি হয়! বিধায়ক ভিডিওবার্তায় জানিয়েছেন, “আমি নিজে ধর্মনিরপেক্ষ মানুষ। কিন্তু এখানে বেশিরভাগ দোকানে হালাল পদ্ধতিতে মাংস কাটা হয়। হিন্দু বাঙালিরা ঝটকা পদ্ধতিতে মাংস খান। কিন্তু এখানে এই ধরনের কোনও মাংসের দোকান নেই। আমি মনে করি এখানে দুই ধরনের দোকানেরই প্রয়োজন রয়েছে।” হালাল মাংস বিক্রির বিরোধী তিনি নন, সেই কথাও জানিয়েছেন। ওই বিধানসভা এলাকায় ঝটকা মাংসের দোকান খুলতে বা হালাল মাংস থেকে ঝটকা পদ্ধতিতে মাংস কাটার বদল হলে অনুদান মিলবে। ব্যক্তিগত উদ্যোগে তিনি ১০ হাজার টাকা করে দেবেন। সেই ঘোষণা করেছেন।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
EXCLUSIVE: বিয়ের পিঁড়িতে মিমি চক্রবর্তী! কাকে জীবনসঙ্গী বাছছেন টলি নায়িকা?
-
মোবাইলে নেটওয়ার্কের সমস্যা, টেলিকম কর্মীকে ধরে টাওয়ারে বেঁধে রাখল গ্রামবাসী!
-
মমতার জোটের ডাক উপেক্ষা! উপনির্বাচনে নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে প্রার্থী ঘোষণা কংগ্রেসের
-
আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে বারাকপুরে বিজেপি নেতার বাড়ির সামনে রেইকি ৩ যুবকের! পুলিশের জালে ১
-
রাজ্যজুড়ে সক্রিয় ভুয়ো চিকিৎসক চক্র! ২ চিকিৎসককে কাঠগড়ায় তুলে স্বাস্থ্যদপ্তরে চিঠি