আন্দামান

আতঙ্কের মাঝে স্বস্তি, করোনা মুক্ত আন্দামানের ১১ জনই

পুল টেস্টিং-এর মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়েছে আক্রান্তদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৭, ২০২০, ১৩:৫৩

options
link
আতঙ্কের মাঝে স্বস্তি, করোনা মুক্ত আন্দামানের ১১ জনই

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নৈরাজ্য, হতাশারা মাঝেও এ যেন এক আশার বাণী। করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন আন্দামানের মোট ১১ জন। তবে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠলেন সেই ১১ জনই। ফলে বলা যেতে পারে করোনা মুক্ত হল আন্দামান নিকোবর। আন্দামানের প্রশাসনের আধিকারিক, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ও লকডাউনের নিয়ম মেনে চলায় করোনা মুক্ত হয়েছে আন্দামান।

Advertisement

করোনার প্রবাহ দাপট ছড়িয়েছিল আন্দামানের তটভূমিতেও। সংখ্যায় কম হলেও আতঙ্কের মাত্রা কিছু কম ছিল না। ১১ জনের শরীরে মেলে করোনার নমুনা। আন্দামানের প্রশাসনের আধিকারিক চেতন সাংভি টুইট করেন, “কেন্দ্রের নির্দেশিকা মেনে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠেছেন আন্দামানে ১১ জন করোনা আক্রান্ত। শীঘ্রই তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হবে।” জানা যায়, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আন্দামানকে করোনা মুক্ত করতে চেতন সাংভি পুল টেস্টিং-এর সাহায্য নেন। সংক্রমণ রোধে আন্দামানের মত ভারতের বেশ কয়েকটি স্থানে পুল টেস্টিং শুরু করা হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন:‘ভার্চুয়াল ডেট’ থেকে আয় করা টাকায় ৩০০ দুস্থ পরিবারকে খাওয়াবেন অর্জুন কাপুর]

তবে প্রশ্ন উঠতে পারে কী এই পুল টেস্টিং (Pool Testing)? কোন ও একটি এলাকাকে চিহ্নিত করে সেখানের ৫ বা ৭ বা তারও বেশি কিছু লোকের সোয়াব নমুনা নিয়ে আলাদা না করে একসঙ্গে পরীক্ষা করতে হবে। যদি টেস্ট পজিটিভ আসে তাহলেই সবকটি নমুনা আলাদা আলাদা করে পরীক্ষা করা হবে, নাহলে নয়। এই পদ্ধতিতে পরীক্ষার মাধ্যমে অনেক কম সময়ে একটি এলাকার মানুষেরা করোনা সংক্রমিত কিনা তা সহজেই জানা সম্ভব হয়। ফলে অনেক টেস্ট কিট ব্যবহার করতে হয় না। যদিও পুল টেস্টের ক্ষেত্রে আইসিএমআর (ICMR) ৫ জনের স্যাম্পেল নিয়ে পরীক্ষা করাতেই অনুমোদন দিয়েছে। তাই ১০০ জনের জন্য প্রয়োজন হবে মাত্র ২৫ টি কিটের।

Advertisement

[আরও পড়ুন:করোনা আবহে কর্মীদের স্বাস্থ্যে নজর রাখতে নয়া অ্যাপ আনল রেল]

আন্দামান প্রশাসন সূত্রে খবর, আন্দামানে মাত্র ২২৫ জনকে কোয়ারেন্টাইনে রাখার বন্দোবস্ত করা সম্ভব হয়েছে। ফলে সমস্ত সম্ভাব্য সমস্যার জন্যই তারা প্রথম থেকেই নিজেদের প্রস্তুত রেখেছিলেন। তাই করোনার ভয়কে হারিয়ে সুস্থ হতে পেরেছেন আক্রান্তরা। আন্দামানে করোনা আক্রান্তদের সেরে ওঠার অন্যতম কারণ হল তবলিঘির অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া করোনা আক্রান্তদের সহজেই চিহ্নিত করতে পারা গেছে। ফলে তাঁরা দ্রুত সুস্থও হয়ে উঠেছেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন