করোনা কলকাতা পুলিশ

করোনা রোধে শপিং মলে কলকাতা পুলিশের টিম, হানা ওষুধের দোকানেও

নিয়ম মানার চেষ্টায় পুলিশও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৫, ২০২০, ১৯:৪৬

options
link
করোনা রোধে শপিং মলে কলকাতা পুলিশের টিম, হানা ওষুধের দোকানেও

অর্ণব আইচ: করোনা ভাইরাস রোধে পথে নামল পুলিশ। রবিবার দুপুর থেকেই শহরের প্রত্যেকটি শপিং মলে গেল পুলিশের টিম। পোস্টার দিয়ে চলল প্রচার। একইসঙ্গে শহরের ওষুধের দোকানগুলিতেও চলল পুলিশের তল্লাশি। যদিও পুলিশমহলেই প্রশ্ন উঠেছে, যাঁরা এত প্রচার করছেন, তাঁরা কি নিজেরা করোনা থেকে বাঁচতে সাফসুতরো থাকার সুযোগ পাচ্ছেন? পুলিশের একটি অংশ বাইরে ডিউটি করার সময় মুখে মাস্ক পরছে।

Advertisement

যদিও থানার ভিতর সেই সুযোগও পাচ্ছে না পুলিশ। অপরাধীদের ধরার আগে বা পরে হাতে স্যানিটাইজার দেওয়া বা সাবান দিয়ে হাত ধোয়া কতটা সম্ভব, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে পুলিশমহলেই। যদিও যতটা সম্ভব, তা মেনে চলার চেষ্টা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ আধিকারিকরা। শনিবার পুলিশ কমিশনার প্রত্যেক থানার ওসি ও পুলিশকর্তাদের করোনা নিয়ে শহরজুড়ে প্রচার করার নির্দেশ দেন। শনিবার থেকেই পুলিশের পক্ষ থেকে পোস্টার দিয়ে প্রচারের কাজ শুরু হয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এদিন দুপুর থেকেই থানার আধিকারিকরা নিজেদের এলাকার শপিং মল ও বাজারে যান। কারণ, এখানেই হয় মানুষের সমাগম। পুলিশ আধিকারিকরা শপিং মল ও বাজারে আসা ক্রেতাদের করোনা ভাইরাস নিয়ে সতর্ক করেন। তাঁদের কী কী করণীয়, তা পোস্টার দেখিয়ে পরামর্শ দেন। এদিন মধ্য কলকাতায় বিয়েবাড়ির গাড়ি দাঁড় করিয়ে আরোহীদের মধ্যেও পুলিশ প্রচার চালায়। যেহেতু বিয়েবাড়িতেও জনসমাগম হয়, তাই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে তাঁদের। শহরের একাধিক মাল্টিজিম ও সুইমিং পুলে গিয়েও প্রচার করেছে পুলিশ।

Advertisement

[আরও পড়ুন: করোনা মোকাবিলায় তৎপর লালবাজার, শহর জুড়ে পোস্টার]

এদিকে, পুলিশের পক্ষে জানানো হয়েছে, এদিন সকাল থেকেই ফের এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চের আধিকারিকরা এসএসকেএম ও মেডিক্যাল কলেজের আশপাশে ওষুধের দোকানগুলিতে হানা দেন। দোকানগুলিতে পর্যাপ্ত পরিমাণ স্যানিটাইজার ও মাস্ক রয়েছে কি না, তা পুলিশ আধিকারিকরা খতিয়ে দেখেন। যাতে কোনওমতেই মাস্ক ও স্যানিটাইজার নিয়ে শহরে কালোবাজারি না হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে পুলিশের। কারণ, করোনা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে শহরে স্যানিটাইজারের চাহিদা ক্রমে বেড়েই চলেছে। বাড়ছে মাস্কের চাহিদাও। অনেকেই রাস্তাঘাটে মুখে মাস্ক পরে যাতায়াত করছেন।

এদিকে, পুলিশ কমিশনার পরামর্শ দিয়েছেন, প্রত্যেক পুলিশকর্মীর পরিবারের লোকেরাও যেন করোনা রোধে নিয়মগুলি মেনে চলেন। এই নিয়মগুলি মানার ফলে শহরবাসীদের সুবিধা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ছবি: প্রবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.