Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬
mukutmanipur

আত্মত্যাগকে মর্যাদা! মুকুটমণিপুরে বিশ্ব বাংলা গ্লোবের জায়গায় বসছে সিধু-কানুর মূর্তি

আগামী ৩০ জুন হুল দিবস উপলক্ষে এই মূর্তির আবরণ উন্মোচন হতে পারে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই মূর্তি উন্মোচন করতে পারেন।

স্বরূপ কুমার সাংড়ি
স্বরূপ কুমার সাংড়ি

শেষ আপডেট: জুন ২৮, ২০২৬, ২১:১১

link
স্বরূপ কুমার সাংড়ি
স্বরূপ কুমার সাংড়ি

শেষ আপডেট: জুন ২৮, ২০২৬, ২১:১১

options
link
আত্মত্যাগকে মর্যাদা! মুকুটমণিপুরে বিশ্ব বাংলা গ্লোবের জায়গায় বসছে সিধু-কানুর মূর্তি zoom
চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। নিজস্ব ছবি।
Advertisement

জঙ্গলমহলের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র মুকুটমণিপুরে ইতিহাসের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে। এতদিন যে স্থানে বিশ্ব বাংলা গ্লোব ও হরিণের ভাস্কর্য ছিল, সেই জায়গাতেই এবার স্থাপন করা হচ্ছে সাঁওতাল বিদ্রোহের দুই মহান নেতা ও স্বাধীনতা সংগ্রামী সিধু ও কানুর মূর্তি। আগামী ৩০ জুন হুল দিবস উপলক্ষে এই মূর্তির আবরণ উন্মোচন হতে পারে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই মূর্তি উন্মোচন করতে পারেন।

হুল দিবস উপলক্ষে মুকুটমণিপুরে আয়োজিত হতে চলেছে রাজ্যস্তরের অনুষ্ঠান। সেই অনুষ্ঠানকে ঘিরে একলব্য মডেল আবাসিক বিদ্যালয়ের মাঠে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। এর পাশাপাশি পর্যটন কেন্দ্রের গুরুত্বপূর্ণ অংশে জোরকদমে এগোচ্ছে সিধু-কানুর মূর্তি স্থাপনের কাজ। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে নির্মাণকাজ। যে স্থানে এতদিন বিশ্ব বাংলা গ্লোব দর্শনার্থীদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু ছিল, সেখানে এখন তৈরি হচ্ছে সাঁওতাল বিদ্রোহের দুই বীর নেতার স্মৃতিবিজড়িত নতুন স্থাপনা। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের মতে, জঙ্গলমহলের ইতিহাস ও আদিবাসী সমাজের আত্মত্যাগকে মর্যাদা দিতে এই উদ্যোগ তাৎপর্যপূর্ণ।

Advertisement

প্রশাসনিক সূত্রে খবর, ৩০ জুন হুল দিবসের রাজ্যস্তরের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এই মূর্তির আবরণ উন্মোচন করতে পারেন। মুখ্যমন্ত্রীর সম্ভাব্য সফরকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের তৎপরতাও তুঙ্গে। দফায় দফায় বৈঠক করছেন জেলা প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকরা। নিরাপত্তা ব্যবস্থা, অনুষ্ঠানস্থলের পরিকাঠামো, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ, পর্যটন কেন্দ্রের সৌন্দর্যায়ন এবং অতিথি আপ্যায়নের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তর সমন্বয় রেখে কাজ শুরু করেছে। হুল দিবসের এই রাজ্যস্তরের অনুষ্ঠান এবং সিধু-কানুর মূর্তি স্থাপনের মাধ্যমে মুকুটমণিপুর শুধু পর্যটনের মানচিত্রেই নয়, জঙ্গলমহলের ইতিহাস ও আদিবাসী আন্দোলনের গৌরবগাথার অন্যতম স্মারক হিসেবেও নতুন পরিচয় পেতে চলেছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.