বাঁশের হাসপাতাল

করোনা আবহে নয়া দিশা গুয়াহাটি আইআইটির, হাসপাতালে বাঁশের আসবাব ব্যবহারের পরামর্শ

প্রায় ১২ বছর আগে এই উপায় আবিষ্কার করেছিলেন আইআইটির গবেষক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩, ২০২০, ১৬:১৮

options
link
করোনা আবহে নয়া দিশা গুয়াহাটি আইআইটির, হাসপাতালে বাঁশের আসবাব ব্যবহারের পরামর্শ

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা আবহে ঘাটতি মেটাতে বাঁশের তৈরি হাসপাতাল বানালেন গুয়াহাটির আইআইটি গবেষক ডক্টর রবি মোকাশি পুনেকার। প্রায় ১২ বছর আগে এই পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি। এতদিনে বাস্তবায়িত হতে চলেছে তাঁর ভাবনা।

Advertisement

প্রায় এক যুগের ব্যবধান। ২০০৮ সালে বাঁশ দিয়ে হাসপাতালের আসবাব তৈরির পথ দেখিয়েছিলেন গুয়াহাটির ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (IIT)গবেষক ডক্টর রবি মোকাশি পুনেকার। সেই সময় এই প্রজেক্টকে বাতিল করে দেওয়া হয়।চলতি বছরে করোনা মহামারীর সময় হাসপাতালগুলিতে আইসোলেশন বেড থেকে চিকিৎসা সরঞ্জামের ঘাটতি পড়তে শুরু করলে তখন পথ দেখান ডক্টর পুনেকার। অসমের বিভিন্ন হাসপাতাল, নার্সিংহোমে বাঁশ দিয়ে সরঞ্জাম বানানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়। পুনেকারের কথায়, “বাঁশের বেড তৈরি করাও সহজ, খরচও কম পড়বে। তাছাড়া হাসপাতালের অন্যান্য আসবাব বাঁশ দিয়ে তৈরি হলে এই সময় দামি সরঞ্জাম কেনার খরচ বাঁচবে। আর এটাই সঠিক সময় এই পরিকল্পনাকে বাস্তবে ব্যবহার করার জন্য।” আইআইটি গুয়াহাটির ডিজাইন বিভাগের প্রধান পুনেকারন বলেন, “এমন আসবাবের প্রোটোটাইপের প্রদর্শনীও হয় গুয়াহাটির বিভিন্ন জায়গায়। তবে ওই পর্যন্তই। কয়েকটি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এই প্রজেক্ট চালু হলেও, বৃহত্তর ক্ষেত্রে তখন এর প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেনি স্বাস্থ্য দফতরও। বর্তমানে চিকিৎসা পরিষেবাও যখন সঙ্কটের মুখে, তখন খরচ বাঁচাতে ও আরও বেশি মানুষকে চিকিৎসা পরিষেবা দিতে এমন আসবাবের কথাই ভেবেছেন স্বাস্থ্য আধিকারিকরা।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

bambo-hospital-2

Advertisement

[আরও পড়ুন:করোনায় আক্রান্ত আরও এক কর্মী, সিল করা হল সিআরপিএফের দিল্লি সদর দপ্তর]

হাসপাতলগুলিতে তৈরি করা হচ্ছে বাঁশের আইসোলেশন ও কোয়ারেন্টাইন বেড, আইভি ফ্লুইড স্ট্যান্ড, কম্পিউটার টেবিল, রোগীদের পরীক্ষা করার বেড ও টেবিল, হুইলচেয়ার-সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামও এই উপায়ে তৈরি হচ্ছে। বড় কোয়ারেন্টাইন সেন্টারগুলোতে এই ধরণের আসবাব অনেক বেশি প্রয়োজনীয় হবে বলে মনে করা হচ্ছে। বাঁশ দিয়ে তৈরি বেডও মেডিক্যাল গাইডলাইন মেনেই বানানো হচ্ছে। এমনকি রোগীদের চিকিৎসার কোনও অসুবিধাই হবে না, বরং আরও বেশি পরিবহনযোগ্য হবে বলে মনে করা হচ্ছে। আইআইটির ডিজাইন বিভাগের তত্ত্বাবধানে কয়েকটি সংস্থাকে এই বরাত দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। প্রতিদিন প্রায় ২০০টি করে এমন আইসোলেশন বেড তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি। অন্যান্য চিকিৎসার আসবাবও বানানো হচ্ছে।

bamboo-bed

[আরও পড়ুন:উত্তর ২৪ পরগনায় করোনা পজিটিভ পোর্ট ট্রাস্টের আরও এক কর্মী, বাড়ছে উদ্বেগ]

বিশ্বজুড়ে প্রতিটি বিশেষজ্ঞরাই জানিয়েছেন এই মারণ ভাইরাস স্টিল, প্লাস্টিক, চামড়া জাতীয় দ্রব্যের উপরে বেশ কিছু সময় ধরে বেঁচে থাকতে পারে। তবে বাঁশের উপরে কতক্ষণ এই ভাইরাস বেঁচে থাকবে তা এখনও পর্যন্ত জানতে পারেননি বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা-সহ বাকি বিশেষজ্ঞরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.