জ্যোতি চক্রবর্তী, বনগাঁ: উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটার বাসিন্দা পোর্ট ট্রাস্টের আরও এক কর্মীর শরীরে মিলল করোনার জীবাণু। ইতিমধ্যেই তাঁকে ভরতি করা হয়েছে আলিপুরের সেনা হাসপাতালে। কোয়ারেন্টাইনে তাঁর পরিবারের সদস্যরা। জানা গিয়েছে, অশোকনগরের প্রথম করোনা আক্রান্তের সংস্পর্শে এসেছিলেন ওই ব্যক্তি।
জানা গিয়েছে, গাইঘাটার মাটিয়ারা এলাকার বাসিন্দা ওই ব্যক্তি আগে সেনাবাহিনীতে ছিলেন। অবসরের পর যোগ দেন পোর্ট ট্রাস্টে। লকডাউন চলাকালীন অফিসের গাড়িতে অন্যান্য সহকর্মীদের যাতায়াত করছিলেন তিনি। এরই মধ্যে দিন কয়েক আগে তাঁর সহকর্মী অশোকনগরের বাসিন্দা এক ব্যক্তির শরীরে মারণভাইরাসের অস্তিত্ব মেলে। যেহেতু এই ব্যক্তি নিয়মিত ওই আক্রান্তে সঙ্গে অফিস যেতেন, তাই ২৩ এপ্রিল খিদিরপুরে আইসোলেশনে পাঠানো হয় গাইঘাটার বাসিন্দা এই ব্যক্তিকে। এরপর লালারসের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। সেই রিপোর্ট আসতেই জানা গিয়েছে, আক্রান্ত তিনি। তড়িঘড়ি তাঁকে আলিপুর সেনা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সেখানেই শুরু হয়েছে চিকিৎসা।
[আরও পড়ুন: মুখেই করোনার বাস, সংক্রমণের ভয়ে চেম্বার বন্ধ দন্ত চিকিৎসকদের]
স্বাস্থ্য দপ্তর ও প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৩ তারিখ গাইঘাটার এই ব্যক্তিকে আইসোলেশনে পাঠানোর পাশাপাশি তাঁর পরিবারের সদস্যদের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। এবার এই ব্যক্তির রিপোর্ট পজিটিভ আসায় শেষ কদিনে তাঁরা কাদের সংস্পর্শে এসেছিলেন তাঁদের চিহ্নিত করেছে প্রশাসন। সেইসঙ্গে গোটা এলাকা স্যানিটাইজ করার কাজ শুরু হয়েছে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইক প্রচার করা হচ্ছে৷ আতঙ্কিত না হয়ে সকলকে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।