পশ্চিমবঙ্গের বিদ্যুতের গড় দৈনিক চাহিদা থাকে প্রায় ২১০ গিগাওয়াট। এই বিপুল চাহিদার সিংহভাগ মেটে কয়লা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। কিন্তু কয়লার সঞ্চয় অফুরন্ত নয়। কার্বন নিঃসরণও বেশি হয়। রাজ্যে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র গড়ে উঠলে কয়লানির্ভরতা কমবে, বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকবে অক্ষুণ্ণ। লিখছেন গৌতম পাল।
আরও পড়ুন:
ব্যক্তিগত স্বাচ্ছন্দ্য, জনসংখ্যার অস্বাভাবিক বৃদ্ধি, নগরায়নের অনিয়ন্ত্রিত বিস্তারের কারণে পশ্চিমবঙ্গের দৈনিক বিদ্যুতের চাহিদা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গে দৈনিক উৎপাদিত বিদ্যুতের প্রায় ৮০-৮৫ শতাংশ উৎপাদিত হয় থার্মাল পাওয়ার প্লান্টে, কয়লা পুড়িয়ে। অবশিষ্ট ১২.৫-১৩ শতাংশ পাওয়া যায় হাইড্রোপাওয়ার এবং ৬-১০ শতাংশ পাওয়া যায় সোলার ও বায়োমাস প্লান্ট সমষ্টি থেকে।
পরিসংখ্যান থেকে বোঝা যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থা প্রায় পুরোপুরিই কয়লানির্ভর। রাজ্যে কয়লার সঞ্চয় যথেষ্ট হলেও অফুরন্ত নয়। বিদ্যুতের চাহিদা যে-হারে বাড়ছে তাতে এই সঞ্চয় নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই ফুরিয়ে যাবে। বিদ্যুৎ উৎপাদনে কয়লার উপর নির্ভরতা কমাতে পারলেই কয়লার সঞ্চয়কে দীর্ঘায়িত করা যাবে। এটা সম্ভব– যদি পশ্চিমবঙ্গে অন্যান্য নবায়নযোগ্য বা ‘সবুজ বিকল্প শক্তি’-র উৎসগুলি থেকে গ্রিড মানের বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়। কয়লার উপর নির্ভরতা কমিয়ে গ্রিড মানের বিদ্যুৎ উৎপাদনে সবচেয়ে কার্যকর ‘বিকল্প’ শক্তির উৎস হতে পারে নিউক্লিয়ার শক্তি।
বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের বিদ্যুতের গড় দৈনিক চাহিদা থাকে প্রায় ২১০ গিগাওয়াট। সর্বোচ্চ গ্রিড চাহিদা থাকে প্রায় ৯,৪০০ মেগাওয়াট (যা পশ্চিমবঙ্গের থার্মাল পাওয়ার প্লান্টগুলির সম্মিলিত উৎপাদন ক্ষমতার মধ্যে)। কিন্তু বর্তমানে নগরায়নের নিয়ন্ত্রণহীন বিস্তার এবং বাতানুকূল যন্ত্রের উপর অতিনির্ভরতার কারণে পশ্চিমবঙ্গের বিদ্যুতের দৈনিক মোট চাহিদা অস্বাভাবিক হারে বেড়ে চলেছে। দৈনিক এই বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ চাহিদার সিংহভাগই (৮০-৮৫ শতাংশ) মেটানো হচ্ছে কয়লা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে।
পরিসংখ্যান থেকে বোঝা যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থা প্রায় পুরোপুরিই কয়লানির্ভর। রাজ্যে কয়লার সঞ্চয় যথেষ্ট হলেও অফুরন্ত নয়। বিদ্যুতের চাহিদা যে-হারে বাড়ছে তাতে এই সঞ্চয় নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই ফুরিয়ে যাবে।
বর্তমান বিদ্যুৎ চাহিদার নিরিখে পশ্চিমবঙ্গের থার্মাল পাওয়ার প্লান্টগুলিতে দৈনিক প্রায় ১০৫-১২৫ হাজার টন কয়লার প্রয়োজন হচ্ছে। প্রয়োজনীয় এই কয়লা আসছে দেশীয় কয়লা খনিগুলি থেকে (পশ্চিমবঙ্গের ও অন্যান্য রাজ্যের)। যদিও ভারতকে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষেত্র-সহ এবং শিল্প সংস্থার চাহিদা মেটানোর জন্য প্রায় ২৫০ মেট্রিক টন কয়লা বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয় প্রতি বছর। অধুনা ভারতের বৃহত্তম ‘কোল ব্লক’ (পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম) আবিষ্কৃত হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার দেউচা এবং পাঁচামি অঞ্চলে (মহম্মদবাজার ব্লকে)। দেউচা-পঁাচামি কোল ব্লকে আনুমানিক ২ বিলিয়ন টন কয়লা সঞ্চিত আছে। শুধুমাত্র দেউচা-পঁাচামির মোট মজুত কয়লার উপর নির্ভর করলে পশ্চিমবঙ্গের কয়েক দশক নিশ্চিন্তে চলে যেতে পারে। কিন্তু প্রতিবন্ধকতা দূর করে এই কোল ব্লক থেকে কতটুকু কয়লা উত্তোলন করা যাবে– সন্দেহের অবকাশ রয়েছে।
প্রথম প্রতিবন্ধকতা: বাস্তুচ্যুতি এবং পরিবেশগত কারণ। বাসস্থান এবং পরিবেশ বিপন্ন হবে এই কারণে স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রবল আপত্তি রয়েছে। দ্বিতীয় প্রতিবন্ধকতা: কয়লা স্তরের উপরে রয়েছে স্থানভেদে ৮০ থেকে ২৫০ মিটার পুরু ব্যাসল্ট শিলার স্তর যা চাদরের মতো কয়লা স্তরকে ঢেকে রেখেছে। ফলে কয়লা উত্তোলনের পূর্বে ব্যাসল্ট শিলাকে উত্তোলন করতে হবে, যা অত্যন্ত সময় ও খরচসাপেক্ষ কাজ। বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদনে কয়লার উপর অতি-নির্ভরতার কারণে উত্তোলনযোগ্য আবিষ্কৃত কয়লার সঞ্চয় অতি দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে।
বর্তমান বিদ্যুৎ চাহিদার নিরিখে পশ্চিমবঙ্গের থার্মাল পাওয়ার প্লান্টগুলিতে দৈনিক প্রায় ১০৫-১২৫ হাজার টন কয়লার প্রয়োজন হচ্ছে। প্রয়োজনীয় এই কয়লা আসছে দেশীয় কয়লা খনিগুলি থেকে (পশ্চিমবঙ্গের ও অন্যান্য রাজ্যের)।
‘প্যারিস জলবায়ু চুক্তি’ (নভেম্বর ৪, ২০১৬) অনুসারে পৃথিবীর অন্যান্য উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলির মতো ভারতকেও ‘গ্রিনহাউস গ্যাস’ (মুখ্যত কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস) নির্গমন ক্রমশ কমাতে হবে। উল্লেখ্য, বাতাসে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস নির্গত হয় থার্মাল পাওয়ার প্লান্ট থেকে। বিদ্যুৎ উৎপাদনে কয়লার উপর সবচেয়ে বেশি নির্ভরতার কারণে, বিশ্বের নিরিখে, ভারত তৃতীয় সর্বাধিক পরিমাণ কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস (সংক্ষেপে কার্বন) বাতাসে উদ্গিরণ করে (৪.৩৭ বিলিয়ান টন প্রতি বছর, ভারতের জনসংখ্যা বিশ্বে সর্বাধিক, তবে ভারতে জনপ্রতি বছরে কার্বন নির্গমন হয় অপেক্ষাকৃত অনেক কম, মাত্র ৩.০৪ টন)। কার্বন নির্গমনে বিশ্বে প্রথম স্থানে রয়েছে চিন, দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ভারতকে কার্বনের উদ্গিরণ কমাতে হলে ভারতের অন্যান্য সব রাজ্যের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গকেও বিদ্যুৎ উৎপাদনে কয়লানির্ভরতা ক্রমশ কমিয়ে ‘সবুজ বিকল্প শক্তি’-র ব্যবহার ক্রমশ বাড়াতে হবে।
প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গের অধিকাংশ থার্মাল পাওয়ার প্লান্টগুলির সক্ষমতা ৩৪-৩৮ শতাংশ। এগুলিতে সাব-ক্রিটিক্যাল বয়লার প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে এগুলি থেকে কার্বনের উদ্গিরণ অপেক্ষাকৃত বেশি পরিমাণে হচ্ছে। যদিও পশ্চিমবঙ্গের নতুন কয়েকটি বড় থার্মাল পাওয়ার প্লান্টে অধুনা ‘শূন্য কার্বন’ উদ্গিরণ প্রযুক্তি সহ সুপার-ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হয়েছে। এই প্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে কেবল কার্বনের উদ্গিরণ কম হবে তাই নয়, প্লান্টের সক্ষমতা বাড়ার ফলে অপেক্ষাকৃত কম কয়লা লাগবে একই পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য।
‘প্যারিস জলবায়ু চুক্তি’ (নভেম্বর ৪, ২০১৬) অনুসারে পৃথিবীর অন্যান্য উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলির মতো ভারতকেও ‘গ্রিনহাউস গ্যাস’ (মুখ্যত কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্যাস) নির্গমন ক্রমশ কমাতে হবে।
বিদ্যুৎ উৎপাদনে কয়লার উপর নির্ভরতা কমিয়ে মোট আবিষ্কৃত কয়লার সঞ্চয়কে দীর্ঘায়িত করার ক্ষেত্রে ভারতের সামগ্রিক তথা জাতীয় পরিসংখ্যান পশ্চিমবঙ্গের চেয়ে কিছুটা ভাল। ভারতের মোট উৎপাদিত বিদ্যুতের ৬৮-৭৩ শতাংশ আসে কয়লা থেকে এবং অবশিষ্ট ২৭-৩২ শতাংশ আসে নবায়নযোগ্য এবং সবুজ অচিরাচরিত শক্তির উৎসগুলি থেকে (সোলার, উইন্ড, হাইড্রোপাওয়ার, নিউক্লিয়ার, জৈব-জ্বালানি বা তেল ও গ্যাস থেকে)। কয়লার নিজস্ব সঞ্চয়কে দীর্ঘায়িত করতে এবং টেকসই বিকাশের লক্ষ্যে পশ্চিমবঙ্গকেও বিদ্যুৎ উৎপাদনে নবায়নযোগ্য ও সবুজ শক্তিকে বেশি করে ব্যবহার করতে হবে।
গ্রিড মানের বিদ্যুৎ উৎপাদনে সবচেয়ে সম্ভবনাময় নবায়নযোগ্য শক্তির উৎসটি হচ্ছে সৌরশক্তি বা সোলার পাওয়ার। পশ্চিমবঙ্গে সোলার পাওয়ার থেকে ৬.২৬ গিগাওয়াট গ্রিড মানের বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা থাকলেও বর্তমানে উৎপাদিত হচ্ছে মাত্র ৩২০ মেগাওয়াট, যা ভারতের মোট সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাত্র ০.৩ শতাংশ (ভারতে বর্তমানে মোট সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয় ১৫৪ গিগাওয়াট)। সম্প্রতি, কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের যৌথ এবং একক প্রকল্পের মাধ্যমে সরকারি ও বেসরকারি সর্বজনীন স্থাপনায় ও গার্হস্থ্য ব্যক্তিগত স্থাপনায় সোলার পাওয়ার থেকে আরও বেশি পরিমাণে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রয়াস শুরু হয়েছে।
পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে নিউক্লিয়ার শক্তি থেকে নিউক্লিয়ার বিভাজন প্রযুক্তির মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়। বিদ্যুৎকেন্দ্রের রিঅ্যাকটারে জ্বালানি রূপে ব্যবহার করা হয় তেজস্ক্রিয় মৌল ইউরেনিয়াম (ইউরেনিয়াম ২৩৫ এবং ২৩৮)। প্রকৃতিতে প্রাপ্ত ইউরেনিয়াম আকরিকে ৯৯.৩ শতাংশ থাকে ‘ইউরেনিয়াম ২৩৮’ এবং মাত্র ০.৭ শতাংশ থাকে ‘ইউরেনিয়াম ২৩৫’।
আগে, প্রযুক্তিগত কারণে ভারতের পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলিতে জ্বালানি হিসেবে কেবল ‘ইউরেনিয়াম ২৩৫’ ব্যবহার করা যেত। ‘ইউরোনিয়াম ২৩৮’ ব্যবহার করা যেত না। কিন্তু বর্তমানে ফাস্ট ব্রিডার নিউক্লিয়ার প্রযুক্তির মাধ্যমে ‘ইউরেনিয়াম ২৩৮’-কে ভারতে ব্যবহার করার প্রচলন শুরু হয়েছে। ভারতে বর্তমানে মোট ৭টি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে (২৪টি রিঅ্যাকটার) রয়েছে ৬টি রাজ্যে (মহারাষ্ট্রে ১টি, রাজস্থানে ১টি, তামিলনাডুতে ২টি, কর্নাটকে ১টি, গুজরাতে ১টি, এবং উত্তরপ্রদেশে ১টি)। উক্ত কেন্দ্রগুলির সম্মিলিত বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা হচ্ছে প্রায় ৮,৭৮০ মেগাওয়াট। আগামীতে পশ্চিমবঙ্গে যদি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপিত হয়, তাহলে কয়লানির্ভরতা কমবে এবং বিদ্যুৎ নিরাপত্তা অক্ষুণ্ণ থাকবে। পশ্চিমবঙ্গে প্রতিদিন ২১০ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সবক’টি থার্মাল পাওয়ার প্লান্ট মিলিয়ে প্রতিদিন কয়লার প্রয়োজন হয় ১০৫-১২৫ হাজার টন।
অথচ একই পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ‘ইউরেনিয়াম ২৩৮’ জ্বালানির প্রয়োজন হবে মাত্র ২৩-২৫ কেজি। উল্লেখ্য, ভারতে ইউরেনিয়াম আকরিক যথেষ্ট সঞ্চিত আছে। তবে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করতে থার্মাল পাওয়ার প্লান্টের তুলনায় অনেক বেশি অর্থের প্রয়োজন হয়। স্থাপনের সূচনা থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন পর্যন্ত ১০-১৫ বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। এছাড়া, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে উৎপন্ন তেজস্ক্রিয় বর্জ্যের নিষ্পত্তিতে অধিকতর সতর্কতা ও দক্ষতার প্রয়োজন হয়, এবং তেজস্ক্রিয় দুর্ঘটনা যাতে না ঘটে, তার জন্য সমগ্র প্লান্টের তেজস্ক্রিয় নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে অত্যন্ত উঁচু মানের
হতে হয়।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চিন ও রাশিয়া– ভারতের তুলনায় অনেক বেশি পরিমাণে নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে। ফ্রান্স, স্লোভাকিয়া ও হাঙ্গেরি প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় বিদ্যুতের সিংহভাগ উৎপন্ন করে নিউক্লিয়ার শক্তি থেকে। যুক্তরাজ্য, ইজরায়েল, জাপান ও উত্তর কোরিয়া ভারতের তুলনায় অনেক বেশি নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। কেন্দ্র নীতি গ্রহণ করেছে কয়লা-নির্ভরতা কমিয়ে নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমাণ বাড়াতে। ভারতের ‘জাতীয় নিউক্লিয়ার এনার্জি মিশন’ বর্তমানে উৎপাদিত নিউক্লিয়ার বিদ্যুতের পরিমাণ ৮ গিগাওয়াট থেকে বাড়িয়ে ২০৪৭ সালের মধ্যে ১০০ গিগাওয়াটে নিয়ে যেতে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। পশ্চিমবঙ্গে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপিত হলে বিদ্যুৎ-নিরাপত্তা অবশ্যই সুরক্ষিত হবে।
(মতামত নিজস্ব)
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বাঁ হাতে নতুন ট্যাটু কোহলির, কীসের ইঙ্গিত? ভাইরাল ছবি নিয়ে আগ্রহ তুঙ্গে
-
মেডিক্যাল বিভাগ, বিল্ডিং প্ল্যান সংক্রান্ত কাজের দায়িত্বে গ্রুপ ডি কর্মী! প্রশ্নের মুখে মাল পৌরসভা
-
‘দুধের মতো শরীর’-এর পর তামান্নাকে ‘সদা সুহাগন রহে’র শুভেচ্ছা, ফের বিতর্কে অন্নু কাপুর
-
মাত্র ২৪ ফুটে দীর্ঘ ৪৫ কিমি রেলপথ গড়ে নজির, শিল্পীর তৈরি মডেলেই প্রশিক্ষণ দেবে রেল!
-
আইপিএল থেকে উঠে যাচ্ছে ইমপ্যাক্ট নিয়ম? রোহিত-কোহলির আপত্তির পর নড়েচড়ে বসল বোর্ড!