Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
Group D staff

মেডিক্যাল বিভাগ, বিল্ডিং প্ল্যান সংক্রান্ত কাজের দায়িত্বে গ্রুপ ডি কর্মী! প্রশ্নের মুখে মাল পৌরসভা

এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে পৌরসভার প্রশাসনিক নিয়ম, দায়িত্ব বণ্টন এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩১, ২০২৬, ১৬:১৬

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩১, ২০২৬, ১৬:১৬

options
link
মেডিক্যাল বিভাগ, বিল্ডিং প্ল্যান সংক্রান্ত কাজের দায়িত্বে গ্রুপ ডি কর্মী! প্রশ্নের মুখে মাল পৌরসভা zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

মাল পৌরসভাকে ঘিরে বিতর্ক যেন কিছুতেই থামছে না। একের পর এক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের মধ্যেই এবার সামনে গুরুতর অভিযোগ। পুরসভার গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক দায়িত্ব সামলাচ্ছেন মজদুর পদে কর্মরত কয়েকজন কর্মী। এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে পৌরসভার প্রশাসনিক নিয়ম, দায়িত্ব বণ্টন এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে।

অভিযোগ, মজদুর পদে নিযুক্ত কর্মীদের কেউ মেডিক্যাল বিভাগের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন, কেউ যুক্ত রয়েছেন বিল্ডিং প্ল্যান সংক্রান্ত কাজে। আবার কেউ কম্পিউটারে বসে পৌরসভার গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের কাজ পরিচালনা করছেন বলেও অভিযোগ। সুপ্রতিম দাস, সৌরভ দাস, রাকেশ কুমার খান, সিরাজুল ইসলাম এবং লিপি কুন্ডু-সহ কয়েকজন কর্মীর নাম সামনে এসেছে। জানা গিয়েছে, তাঁরা সকলেই চতুর্থ শ্রেণি অর্থাৎ গ্রুপ ডি কর্মচারী।

Advertisement

অভিযোগকারীদের দাবি, তাঁদের মধ্যে কেউ প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলরের পরিবারের সদস্য, আবার কেউ তৎকালীন পৌর চেয়ারম্যান স্বপন সাহার ঘনিষ্ঠ ছিলেন। যদিও সংশ্লিষ্ট কর্মীদের দাবি, তৎকালীন চেয়ারম্যানের নির্দেশেই তাঁদের এই অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তবে সেই নির্দেশের ক্ষেত্রে কোনও সরকারি অনুমোদন নেওয়া হয়েছিল কি না, কিংবা নির্দিষ্ট প্রশাসনিক নিয়ম মেনে তাঁদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল কি না, তা নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে।

উল্লেখ্য, এই নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টনের ঘটনা ঘটেছিল প্রাক্তন চেয়ারম্যান স্বপন সাহার আমলে। সেই সময়ে পৌরসভার নিয়োগের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল বলে অভিযোগ। সম্প্রতি চাকরিপ্রার্থী কমল দত্ত নিয়োগ সংক্রান্ত তথ্য জানতে পৌরসভায় আরটিআই আবেদন করেছেন। বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছে বিজেপি। জলপাইগুড়ি জেলা সম্পাদক রাকেশ নন্দীর অভিযোগ, বিগত পৌর বোর্ডের আমলে মাল পৌরসভায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে। দোষ প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

অন্যদিকে, সিপিআইএম মাল এরিয়া কমিটির সম্পাদক রাজা দত্তও ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তুলেছেন। এদিকে, মাল পৌরসভার বিভিন্ন কর্মকাণ্ড খতিয়ে দেখছে পুলিশের স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম। আগামী ৮ অক্টোবর কলকাতা হাই কোর্টে তদন্তের রিপোর্ট জমা পড়ার কথা। সেই রিপোর্টেই কি মিলবে মজদুর পদে থাকা কর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়ার আসল কারণ?

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.