সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: একুশের ভোটের আগে টলিপাড়ায় দলবদলের হাওয়া। ইতিমধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন সৌরভ দাস, কৌশানি মুখোপাধ্যায়, দীপঙ্কর দে, ভরত কলের মতো তারকারা। বিজেপিতে আবার যোগ দিয়েছেন রুদ্রনীল ঘোষ (Rudranil Ghosh)। সক্রিয় রাজনীতির এই পথে কি হাঁটবেন অঙ্কুশ হাজরা (Ankush Hazra) ও ঐন্দ্রিলা সেন (Oindrila Sen)? সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটালের লাইভ আড্ডায় এই প্রশ্নই করা হয়েছিল দুই তারকাকে। প্রশ্নের উত্তরে তাঁরা সাফ জানিয়ে দেন, মানুষের পাশে দাঁড়াতে গেলে কোনও রাজনৈতিক পদের প্রয়োজন নেই। এই বেশ ভাল আছেন দু’জনে। কোনও বাধা নেই, কারও কথায় চলতে হচ্ছে না, কী বলতে হবে কেউ শিখিয়ে-পড়িয়ে দিচ্ছেন না। এমন জীবনই ভাল লাগছে টলিপাড়ার যুগলের।
লাইভ সেশনে অঙ্কুশ নিজের ও ঐন্দ্রিলার পক্ষ থেকেও উত্তর দেন। সেখানেই জানান, রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব আসে এবং এসেছেও। কিন্তু আপাতত রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার কোনও পরিকল্পনাই নেই তাঁদের। কারণ সেই দায়িত্ব সামলাবার মতো পরিপক্কতা এখন তাঁর কিংবা ঐন্দ্রিলার নেই। অঙ্কুশের মতে, “রাজনীতিতে না এসেও মানুষের পাশে দাঁড়ানো সম্ভব। যেমনটা সোনু সুদ (Sonu Sood) করে দেখিয়েছেন। আমফান ও করোনা (Corona Virus) পরিস্থিতিতে আমি আর ঐন্দ্রিলাও সাধ্যমতো মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি। যতটা পেরেছি, সাহায্য করেছি। তবে রাজনীতি বিশাল বড় দায়িত্ব। সেই যোগ্যতা আমার ও ঐন্দ্রিলার নেই।”
[আরও পড়ুন: মিমি কি সিঙ্গল? কীভাবে কাটাবেন ভালবাসার দিনটি? অভিনেত্রী নিজেই জানালেন]
রাজনীতি নিয়ে কোনও নেতিবাচক মনোভাব নেই অঙ্কুশের। তিনি চান, সৎ যুবপ্রজন্ম এই দায়িত্ব নিতে এগিয়ে আসুক। তবে অঙ্কুশের পক্ষে এখন সেই দায়িত্ব নেওয়া সম্ভব নয়। এরপরই আবার টলিপাড়ার তারকা জানান, যদি মানুষকে কোনও বার্তা দিতে হয় তাহলে সিনেমা তৈরি করেই সেই বার্তা তিনি দেবেন। উল্লেখ্য, শুক্রবারই মুক্তি পাচ্ছে অঙ্কুশ-ঐন্দ্রিলা জুটির প্রথম ছবি ‘ম্যাজিক’। ছবিটি পরিচালনা করেছেন রাজা চন্দ।
[আরও পড়ুন: অস্কারের দৌড় থেকে ছিটকে গেল ‘জাল্লিকাট্টু’, সেরা দশে শর্ট ফিল্ম ‘বিট্টু’]
সর্বশেষ খবর
-
ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে রক্ত বিক্রি! এক সপ্তাহে তদন্ত শেষের নির্দেশ হাই কোর্টের
-
শোভনের হাতে পায়েস মুখ, সোহিনীর সাধভক্ষণে কী ছিল মেনুতে?
-
অন্নপূর্ণার আবেদন ‘আন্ডার প্রসেস’, বাতিল হবে না তো? জেনে নিন এই সময়ে কী করণীয়
-
যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যই মূল, ঢেলে সাজানো হচ্ছে শিয়ালদহ-বহরমপুর ডিভিশন
-
সোশাল মিডিয়ার ‘পরীক্ষা’য় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের রিপোর্ট কার্ড, ‘ফ্রেন্ডস’ ভিডিও ডিলিটেও ফার্স্ট বয় মোদি!