Asha Bhosle Death

ব্রিটিশ ব্যান্ডের সঙ্গে অন্তিম কাজ, ‘শেষ গান’ মুক্তির পর কেন আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন আশা?

১২ এপ্রিল সুরলোকে পাড়ি দিয়েছেন কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলে। মৃত্যুর এক সপ্তাহ আগেই মুক্তি পেয়েছে তাঁর গাওয়া শেষ গান।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৩, ২০২৬, ১৬:০৮

options
link
ব্রিটিশ ব্যান্ডের সঙ্গে অন্তিম কাজ, ‘শেষ গান’ মুক্তির পর কেন আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন আশা?
মৃত্যুর প্রাক্কালে শেষ গান। ছবি: ইনস্টাগ্রাম

আজ আশা নেই কিন্তু, তাঁর গানের প্রতি শ্রোতাদের ভালোবাসা চিরন্তন। ১২ এপ্রিল আশা ভোঁসলের প্রয়াণে একটা যুগের অবসান ঘটল। কিন্তু, গানে গানে তিনি চিরদিন বেঁচে থাকবেন প্রতিটি সঙ্গীতপ্রেমীর হৃদয়ে। বহুমুখী প্রতিভাসম্পন্ন শিল্পী আশা ভোঁসলে দীর্ঘ সঙ্গীত কেরিয়ারের শেষলগ্নে কাজ করেছেন ব্রিটিশ ব্যান্ড ‘গরিলাজ’-র সঙ্গে। ভারতীয় সঙ্গীতের অনুপ্রেরণাতই তৈরি হয়েছে এই ‘দ্য মাউন্টেন’ নামক অ্যালবামটি। সেখানেই ‘দ্য শ্যাডো লাইট’ গানে কণ্ঠ দিয়েছেন আশা ভোঁসলে। ভারতের শাস্ত্রীয় সঙ্গীত আর ব্রিটিশ ঘরানার মিশ্রণের জন্য ‘গরিলাজ’-এর নবম স্টুডিও অ্যালবামটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। আশা ভোঁসলের মৃত্যুর কয়েক সপ্তাহ আগেই মুক্তি পেয়েছে অ্যালবামটি।

Advertisement

গানটির রেকর্ডিং হয়েছিল ভারতে। এই অ্যালবামে বিশিষ্ট শিল্পীদের মধ্যে রয়েছেন সেতারবাদক অনুষ্কা শঙ্কর এবং গায়িকা আশা পুথলি যা এক সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক মেলবন্ধনের প্রতিফলন। গান মুক্তির পর আশা ভোঁসলে বলেছিলেন তাঁর জীবনের এক গভীর যোগ রয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে তিনি লিখেছিলেন, ‘বারাণসী সফর এবং গঙ্গার তীরে ভ্রমণের সময় যা দেখেছি তা আমাকে জীবনের প্রকৃত অর্থ বুঝতে সাহায্য করেছে। আমি কে এবং এই পৃথিবীর প্রতি আমার দায়বদ্ধতা কী।’

Advertisement

Advertisement

এই গানটি কীভাবে আশা ভোঁসলকে নতুন জীবনদর্শনের পাঠ পড়িয়েছিল। শিল্পীর কথায়, “দ্য শ্যাডো লাইট গানে নদী পারাপার হওয়াটা যেন আমার জীবনযাত্রার অঙ্গ। যেমন আমার জন্ম, সম্পর্ক, সঙ্গীতের প্রতি নিবেদন, সাফল্য এবং একজন কন্যা, মা, বোন, স্ত্রী ও একজন হিন্দু ভারতীয় হিসেবে আমার দায়িত্ব। নৌকার মাঝি আমার সঙ্গীত যা আমাকে জীবনের এপ্রান্তের নদী পার করে ওপারে পৌঁছালে আমার যাত্রা সম্পূর্ণ হবে। আমি মোক্ষ লাভ করব, যেখানে আমি চারপাশে ভেসে থাকা হাজারো শব্দের সংযোগে একটিতে পরিণত হব। আর সেই শব্দগুলো মিলেমিশে একাকার হলেই একটা সুন্দর সুর তৈরি করবে। আমি সেই সুরেরই একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে থাকব যা হাজার বছর পরও বহু প্রজন্ম শুনবে। প্রকৃতির সঙ্গে এভাবে একাত্ম হয়ে যাওয়ার এই স্বাধীনতাই যেন নদীর ওপারে আমার জন্য অপেক্ষা করছে।”

গান মুক্তির পর সামাজিক মাধ্যমে আশা লিখেছিলেন, ‘বারাণসী সফর এবং গঙ্গার তীরে ভ্রমণের সময় যা দেখেছি তা আমাকে জীবনের প্রকৃত অর্থ বুঝতে সাহায্য করেছে। আমি কে এবং এই পৃথিবীর প্রতি আমার দায়বদ্ধতা কী।’

 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by Gorillaz (@gorillaz)

প্রসঙ্গত, ‘গরিলাজ’ ব্যান্ডের জন্ম ১৯৯৮ সালে। এই ব্রিটিশ ব্যান্ডের প্রতিষ্ঠতা দামন অ্যালবার্ন ও জ্যেমি হিউলেট। ছয় ও সাতের দশকের বলিউড সঙ্গীতের বিরাট ভক্ত ছিলেন অ্যালবার্ন, বিশেষ করে আর. ডি. বর্মণের একনিষ্ঠ অনুরাগী। একাধিক সাক্ষাৎকারে অ্যালবার্ণ সাতের দশকে আশা ভোঁসলের গাওয়া গানের ভুঁয়োশি প্রশংসা করেছেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.