ভরপেট খাওয়াই কিন্তু সুস্বাস্থ্যের লক্ষণ নয়, বিশ্ব পোষ্য দিবসে জেনে নিন কোন উপসর্গ এড়ালেই বিপদ!
যদি কুকুর ভালো ভাবে খেয়ে নেয় অর্থাৎ খাবার শেষ করে, তাহলে ধরে নেওয়া হয় তার খাদ্যতালিকা একেবারে ঠিক আছে। কিন্তু সবসময় ব্যাপারটা কিন্তু তেমনটা হয় না।
আরও পড়ুন:
সুস্থ কুকুরের পশম সাধারণত নরম ও চকচকে হয়। লোম যদি শুষ্ক, খসখসে হয়ে যায় বা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ঝরে পড়তে শুরু করে, তখন বুঝতে হবে খাদ্যে কোনও কিছুর ঘাটতি হচ্ছে। ত্বক ও লোম সুস্থ রাখতে জন্য উচ্চ মানের প্রোটিন, অত্যাবশ্যকীয় ফ্যাটি অ্যাসিড এবং জিঙ্কের মতো খনিজ পদার্থ প্রয়োজন। এই উপাদানগুলো সঠিক পরিমাণে না পেলে ত্বকের ধরণ বদলাতে শুরু করে।
অনেকক্ষেত্রেই দেখা যায় কুকুর হঠাৎ করে হাঁটার আগ্রহ হারিয়ে ফেলে, খেলতে চায় না। জোর করে বাইরে নিয়ে গেলেও অল্প সময়েই ক্লান্ত হয়ে পড়ে। স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি ঘুমায়, এর কারণও হতে পারে পুষ্টিগত সমস্যা। খাবারে পুষ্টির অভাব হলে ধীরে ধীরে ঝিমিয়ে পড়ে পোষ্য। অনেকেই বিষয়টাকে বয়সজনিত কারণে ভাবলেও তা কিন্তু নাও হতে পারে।