Milind Soman

‘ওরা সব পুড়িয়ে দিচ্ছে’, নিজহাতে ৩০ হাজার গাছ লাগিয়ে সবুজের বার্তা মিলিন্দের

প্রকৃতির প্রেমে মশগুল মিলিন্দ সুমন একসময় ত্রিশ হাজারের বেশি গাছ লাগিয়েছিলেন। কিন্তু, ইট-পাথরের শহরে গাছ কাটার যন্ত্রণা আজও মেনে নিতে পারেন না মিলিন্দ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৩, ২০২৬, ১৯:৫৮

options
link
‘ওরা সব পুড়িয়ে দিচ্ছে’, নিজহাতে ৩০ হাজার গাছ লাগিয়ে সবুজের বার্তা  মিলিন্দের
ত্রিশ হাজার গাছ লাগানোর পরের যন্ত্রণাদায়ক অভিজ্ঞতা ভাগ মিলিন্দের

সুপারমডেল হিসেবে খ্যাতি অর্জনের পর ফিটনেসের প্রতীক হিসেবে তেরো থেকে তিরাশির অনুরপ্রেরণার অপর নাম মিলিন্দ সোমান। অবিশ্বাস্য ফিটনেস এবং ‘আয়রনম্যান’ খেতাবের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। মিউজিক ভিডিও থেকে সিনেমায় মিলিন্দের অভিনয় দর্শকমহলে প্রশংসিত। সিনেমার প্রস্তাব কার্যত আসেনা বললেই চলে। শরীরচর্চা থেকে প্রকৃতি প্রেমেই মজে থাকেন ভালোবাসেন মিলিন্দ। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি হিন্দি চলচ্চিত্রে তাঁর অনুপস্থিতিসহ ব্যক্তিগতজীবন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন। সেই সঙ্গে আরও একটি বিষয়ে আলোকপাত করেছেন, লোনাভালায় নিজের বাড়িতে ত্রিশ হাজার গাছ লাগানোর পর সেগুলো নষ্ট হওয়ার যন্ত্রণা।

Advertisement

সোনু শর্মার ইউটিউব চ্যানেলে লোনাভালার সম্পত্তি এবং পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য সবুজায়নের প্রতি ব্যক্তিগত অঙ্গীকারের গল্প শোনান। মিলিন্দ বলেন, “লোনাভালায় আমার একটি জায়গা আছে যেখানে আমি নিজে ত্রিশ হাজারের বেশি গাছ লাগিয়েছিলাম। ১৯৯৭ সালে জায়গাটি কেনার সময় আমি ঠিক করেছিলাম এখানে গাছ লাগাব। কারণ এর আগে মানুষ পুরো এলাকাটাই পুড়িয়ে নষ্ট করে দিয়েছিল। অনেক সময় ডেভেলপাররা জমি দেখানোর জন্য গাছ কেটে ফেলে যা খুবই দুঃখজনক।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
মিলিন্দের সুঠাম চেহারা

প্রকৃতির প্রতি নিজের ভালোবাসার কথা বলতে গিয়ে একটি ওয়ার্কআউটের ভিডিও শেয়ার করে‘ফরেস্ট বাথিং’-এর প্রতি তাঁর অনুরাগের কথা জানান। মিলিন্দ লিখেছিলেন, ‘এই পৃথিবীতে গাছপালা আমার সবচেয়ে প্রিয়। জাপানি থেরাপি শিনরিন-ইয়োকু বা ফরেস্ট বাথিং আমার খুব পছন্দ।’

Advertisement
সবুজায়নের প্রতি মিলিন্দের টান

জাপানি ভাষায় শিনরিন অর্থ ‘অরণ্য’ এবং ইয়োকু অর্থ ‘স্নান’। এটি এমন এক প্রক্রিয়া যেখানে মানুষ সবুজায়নের মধ্যে নিজেকে নিমজ্জিত করে সেই দৃশ্যপট, শব্দ ও গন্ধ অনুভব করে। বিশ্বাস করা হয়, এটি মানসিক চাপ কমাতে এবং শারীরিকভাবে সুস্থ থাকতে সাহায্য করে।

সেই সাক্ষাৎকারে মিলিন্দ অভিনয় কেরিয়ার নিয়েও কথা বলেন। তিনি বলেন, “হিন্দি ছবির খুব বেশি প্রস্তাব পাই না। সবাই আমাকে জিজ্ঞেস করে কেন আমি আর হিন্দি ছবি করছি না। তবে ইমার্জেন্সিতে স্যাম মানেকশের ভূমিকায় অভিনয় করে খুব ভালো প্রতিক্রিয়া পেয়েছিলাম এবং চরিত্রটি নিয়ে আমি নিজেও ভীষণ সন্তুষ্ট ছিলাম।”

মিলিন্দের প্রকৃতি প্রেম

আরও বলেন, “হিন্দি ছবির প্রস্তাব খুব বেশি না এলেও তবে ওটিটি প্ল্যাটফর্মের জন্য কাজের সুযোগ আসে। সম্প্রতি দ্য রয়্যালস সিরিজে কাজ করেছি। ফোর মোর শটস প্লিজ!–এর চতুর্থ সিজনেও ছিলাম। এছাড়া প্রথমবারের মতো বিজয় সেতুপতির সঙ্গে একটি তামিল ওটিটি শো করেছি। আরও কাজ করতে চাই। অভিনয় আমি উপভোগ করি।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.