Sushant Singh Rajput

‘সুশান্তের জন্য কাজ হারিয়েছি’, কেন এমন কথা বললেন বন্ধু ক্রিসান ব্যারেটো?

সুশান্তের কারণে কোন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলেন ক্রিসান?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩১, ২০২৫, ১৩:০৪

options
link
‘সুশান্তের জন্য কাজ হারিয়েছি’, কেন এমন কথা বললেন বন্ধু ক্রিসান ব্যারেটো?
ছবি সংগৃহীত

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২০২০ সালের ১৪ জুন। সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু ঘিরে উত্তাল হয়েছিল গোটা দেশ। আগস্টে তদন্তভার যায় সিবিআইয়ের হাতে। অবশেষে প্রায় পাঁচবছর পরে সেই মামলার অন্তিম রিপোর্ট জমা দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তারপরই বন্ধু তথা সহ অভিনেতা সুশান্তকে নিয়ে মুখ খুলেছেন মডেল-অভিনেত্রী ক্রিসান ব্যারেটো।

Advertisement

সম্প্রতি এক পডকাস্টে গিয়ে এই নিয়ে মুখ খোলেন অভিনেত্রী। তাঁর দাবি, বন্ধু সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর ঘটনায় নিজের সোশাল মিডিয়ায় শোকপ্রকাশ করার জন্য এবং এই নিয়ে মুখ খোলার জন্য তাঁকে নাকি প্রভূত ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। এমনকী অভিনেত্রী নাকি সেসময় নিজের কাজও হারান!কথা বলতে গিয়ে নিজের ক্ষোভ উগরে দিয়ে অভিনেত্রী বলেন, “এদেশে আপনি যদি একজন অভিনেতা হন, তাহলে আপনার শোকপ্রকাশের অধিকারও নেই। সেটাকেও সকলে অভিনয় মনে করবে। এখানে প্রকৃত আবেগের কোন জায়গা নেই।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ক্রিসান আরও জানান, যখন তিনি এই ঘটনার তদন্তের দাবি তোলেন তখন সকলে তাঁকে এই বিষয় থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেন। “আমার সহকর্মীরা এমনকী আমার বাবা মাও এই বিষয়ে আমাকে কোনও কথা বলতে নিষেধ করেন। তাঁরা আমার ওপর রেগেও যান। সকলেই বলেছিল, অন্যের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য নিজের জীবনের ঝুঁকি নেওয়া বোকামি। আমি সেসময় কাউকে বোঝাতে পারিনি যে, আমি যা করছি মন থেকে করছি, খ্যাতির জন্য নয়। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আমি আমার কাজও হারিয়ে ফেলেছিলাম। কিন্তু এতকিছুর পরেও আমি চুপ করে থাকতে পারিনি।” এরপর একের পর এক কাজ থেকে বঞ্চিত করা হয় ক্রিসানকে। অনুষ্ঠানে এসে সেসব কথাই আরও একবার স্মরণ করলেন অভিনেত্রী।

Advertisement

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.