Rabindranath Tagore

রবীন্দ্রনাথের আঁকা ছবির প্রদর্শনী মস্কোয়, বিশ্বভারতীর অমূল্য সম্পদ দেখবে বিশ্ববাসী

১৯৩০ সালে রাশিয়া সফর করেছিলেন কবিগুরু। সেবার তাঁর একশোটি ছবি প্রদর্শিত হয়।

Advertisement
দেব গোস্বামী
দেব গোস্বামী

শেষ আপডেট: জুন ২৬, ২০২৬, ১৬:২৯

options
link
রবীন্দ্রনাথের আঁকা ছবির প্রদর্শনী মস্কোয়, বিশ্বভারতীর অমূল্য সম্পদ দেখবে বিশ্ববাসী
মস্কোয় শুরু রবীন্দ্রনাথের ছবির প্রদর্শনী।

৯৬ বছর পর মস্কোয় ফিরল রবীন্দ্রনাথের তুলি। বিশ্বভারতীর রবীন্দ্র ভবনের সংগ্রহ থেকে ৫৯টি দুর্লভ চিত্র নিয়েই শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী। ঠিক যেন এক শতাব্দী পর মস্কোয় রবীন্দ্র-প্রত্যাবর্তন। ফের রুশ রাজধানী মস্কোয় প্রদর্শিত হচ্ছে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আঁকা চিত্রকর্ম। রবীন্দ্রনাথের হাত ধরে ফের কাছাকাছি ভারত ও রাশিয়া।

Advertisement
রাশিয়ার মস্কোর সি-২ গ্যালারিতে চলছে প্রদর্শনী। নিজস্ব ছবি

রবীন্দ্র-রঙে মুগ্ধ মস্কো। ‘বিশ্ব একটি নীড়’ শীর্ষক প্রদর্শনীতে বিশ্বভারতীর অমূল্য সংগ্রহ। ১৯৩০-এর পর ফের রাশিয়ায় বিশ্বকবির চিত্রপ্রদর্শনী। রুশ মাটিতে ফের রবীন্দ্র-জয়যাত্রা। বৃহস্পতিবার, রাশিয়ার মস্কোর সি-২ গ্যালারিতে আয়োজিত এই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে অংশ নিয়েছে বিশ্বভারতী, ন্যাশনাল গ্যালারি অব মডার্ন আর্ট এবং মস্কোয় অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস। বিশ্বভারতীর উপাচার্য প্রবীর কুমার ঘোষ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। আগামী ২৩ আগস্ট পর্যন্ত চলবে এই প্রদর্শনী। এ প্রসঙ্গে বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত জনসংযোগ আধিকারিক অতিগ ঘোষ বলেন, ‘‘রবীন্দ্রনাথ বহুবার সোভিয়েত রাশিয়া থেকে আমন্ত্রণ পেলেও ১৯৩০ সালের আগে সেখানে যেতে পারেননি। সেই সফরেই মস্কোয় তাঁর চিত্রপ্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘ ৯৬ বছর পরে আবার রাশিয়ায় তাঁর শিল্পকর্ম প্রদর্শিত হওয়া অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
রবীন্দ্রনাথের ছবিতে লোকশিল্প ও পাশ্চাত্য শিল্পের প্রভাব সুস্পষ্ট। নিজস্ব ছবি

‘বিশ্ব একটি নীড়’। সেই ভাবনাকে সামনে রেখেই প্রদর্শনীর নামকরণ করা হয়েছে। প্রদর্শনীতে ভারত ও রাশিয়ার একাধিক শিল্পী ও শিল্প-সংস্থা সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। উল্লেখযোগ্যভাবে রবীন্দ্রনাথ চিত্রকলার প্রতি বিশেষভাবে আকৃষ্ট হয়ে ১৯২৪ সালের পর থেকে মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত প্রায় দুই হাজারেরও বেশি চিত্রকর্ম সৃষ্টি করেন। তাঁর ছবিতে মানবমুখ, মুখোশ, পাখি, প্রাণী, কাল্পনিক জীব এবং লোকশিল্প ও পাশ্চাত্য শিল্পের প্রভাব সুস্পষ্ট। জলরং, কালি, কলম ও তুলি ছিল তাঁর সৃষ্টির প্রধান মাধ্যম। ১৯৩০ সালে রাশিয়া সফর করেছিলেন কবিগুরু। যা ‘রাশিয়ার চিঠি’-তে তিনি লিখেছিলেন, ‘‘রাশিয়া না এলে এ জন্মে তীর্থদর্শন অত্যন্ত অসমাপ্ত থাকত।” সেই সফরেই তাঁর নির্বাচিত একশোটি চিত্র মস্কোয় প্রদর্শিত হয় এবং আন্তর্জাতিক শিল্পমহলে সাড়া ফেলে দেয়।

Advertisement
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.