Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১০ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২৬ জুন ২০২৬
Operation Sindoor

অপারেশন সিঁদুরে শহিদ কত জওয়ান, এই প্রথম জানাল ভারত

কয়েকদিন আগেই বর্ষপূর্তি হয়েছে অপারেশন সিঁদুরের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৬, ২০২৬, ১৫:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৬, ২০২৬, ১৫:১৫

options
link
অপারেশন সিঁদুরে শহিদ কত জওয়ান, এই প্রথম জানাল ভারত zoom
ছবি: এআই দ্বারা নির্মিত।

মাত্র কয়েকদিন আগেই অপারেশন সিঁদুরের (Operation Sindoor) বর্ষপূর্তি হয়েছে। পহেলগাঁও হামলার অব্যবহিত পরেই যে অপারেশনে পাকিস্তানের জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির মেরুদণ্ড গুঁড়িয়ে দিয়েছিল ভারত। অবশেষে সেই মিশনে শহিদ ৬ ভারতীয় সেনাকর্মীর নাম প্রথমবার প্রকাশ্যে এল। কেবল নাম নয়, শহিদ জওয়ানদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যও সামনে আনা হয়েছে। ‘আর্মি ওয়ার মেমোরিয়াল’-এর সরকারি ওয়েবসাইটে এই সংক্রান্ত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

জানা গিয়েছে প্রয়াতদের মধ্যে রয়েছেন সেনার পাঁচ সদস্য- সুবেদার মেজর পবন কুমার, রাইফেলম্যান সুনীল কুমার, লান্স নায়েক দীনেশ কুমার, অগ্নিবীর মুড মুরলি নায়েক ও হাবিলদার সুনীল কুমার সিং। ষষ্ঠ শহিদের নাম সুরেন্দ্র কুমার। তিনি ছিলেন ভারতীয় বিমান বাহিনীর সার্জেন্ট। নামগুলি ওয়েবসাইটের ২০২৫ শাখার অন্তর্তগত ৩ডি ওয়ালে দেখা যাচ্ছে। দেশের সেবায় প্রাণ দেওয়া অন্য শহিদদের নামও দেখা যাচ্ছে সেখানে। প্রসঙ্গত, এতদিন পর্যন্ত সরকারের তরফে অপারেশন সিঁদুরের সময় শহিদ হওয়া সেনাকর্মীদের নাম প্রকাশ করেনি। এই প্রথম ওই অপারেশনে শহিদদের নাম প্রকাশ্যে আনল কেন্দ্র।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রয়াতদের মধ্যে রয়েছেন সেনার পাঁচ সদস্য- সুবেদার মেজর পবন কুমার, রাইফেলম্যান সুনীল কুমার, লান্স নায়েক দীনেশ কুমার, অগ্নিবীর মুড মুরলি নায়েক ও হাবিলদার সুনীল কুমার সিং। ষষ্ঠ শহিদের নাম সুরেন্দ্র কুমার।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে ২৬ নিরস্ত্রকে হত্যা করে লস্করের ছায়া সংগঠন টিআরএফের চার জঙ্গি। এই হামলার জবাবে ৭ মে ভোররাতে অপারেশন সিঁদুর শুরু করে ভারত। গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের নয়টি জঙ্গিঘাঁটি। এরপর ভারতের সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলির জনবহুল এলাকা এবং সেনাঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় পাকিস্তান। সেই হামলা প্রতিহত করার পাশাপাশি প্রত্যাঘাত করে ভারত। তাতেই তছনছ হয়ে যায় পাকিস্তানের অন্তত ১১টি বায়ু সেনাঘাঁটি। ভারতীয় সেনার অভিযানে নিহত হয় ১০০ জনের বেশি জঙ্গি ও ৩৫-৪০ জন পাক সেনা। শেষ পর্যন্ত ইসলামাবাদের আর্জিতে সংঘর্ষবিরতিতে রাজি হয় নয়াদিল্লি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.