Kolkata

বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি ও আজকের বাংলাদেশ, কলকাতায় প্রকাশিত ‘ধানমণ্ডি ৩২, পোড়াবাড়ির সংলাপ’

২৩ আগস্ট, রবিবার বিকেলে রবীন্দ্র সদন চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উঠে এল পদ্মাপারের সাম্প্রতিক উত্তাপ এবং স্মৃতি বনাম ধ্বংসের টানাপোড়েন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৫, ২০২৬, ১৬:১৮

options
link
বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি ও আজকের বাংলাদেশ, কলকাতায় প্রকাশিত ‘ধানমণ্ডি ৩২, পোড়াবাড়ির সংলাপ’
কলকাতায় প্রকাশিত এফ এম শাহীনের নতুন বই।

পোড়া ইটের বুক ফুঁড়ে ইতিহাস কি কথা বলতে পারে? উত্তর খোঁজার চেষ্টায় কলকাতার অবনীন্দ্র সভাঘর। উপলক্ষ্য, লেখক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা এফ এম শাহীনের নতুন বই ‘ধানমণ্ডি ৩২, পোড়াবাড়ির সংলাপ’-এর প্রকাশ। ২৩ আগস্ট, রবিবার বিকেলে রবীন্দ্র সদন চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উঠে এল পদ্মাপারের সাম্প্রতিক উত্তাপ এবং স্মৃতি বনাম ধ্বংসের টানাপোড়েন।

Advertisement

পরম্পরা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত এই গ্রন্থে সাহিত্যিক সংলাপের আঙ্গিকে ধরা দিয়েছে ধানমণ্ডি ৩২ নম্বর বাড়ির ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট। শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত এই বাসভবনকে রূপক ধরে বর্তমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতাকে মেলাতে চেয়েছেন লেখক।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রকাশ উন্মোচনে পদ্মশ্রী ড. নারায়ণ চক্রবর্তী বলেন, অতীতের চোখে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশকে দেখার মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন লেখক। পোড়াবাড়ির সংলাপ যেন আজকের বাংলাদেশের এক জীবন্ত প্রতীক। সেই সঙ্গেই তাঁর প্রশ্ন, বাঙালি নাকি অন্য কোনও পরিচয়—বাংলাদেশকে আজ নিজেই বেছে নিতে হবে যেকোনও একটি।

Advertisement

অনুষ্ঠানে সমকালীন বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেন বর্ষীয়ান সাংবাদিক মানস ঘোষ। স্মৃতিচারণে তিনি মনে করিয়ে দেন, ইতিহাস আসলে চলমান। সাধারণ মানুষই তা রচনা করে। পাশাপাশি ধানমণ্ডি ৩২-এর ধ্বংস প্রসঙ্গে তাঁর আশঙ্কা, রাজনৈতিক অস্থিরতায় দেশের ঐতিহাসিক স্মারকগুলি বিপন্ন হচ্ছে। একই সুর শোনা গেল অধ্যাপক রুবি সাইনের কণ্ঠেও। তাঁর মতে, গ্রন্থটি অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎকে এক সুতোয় বেঁধেছে। তবে ওপারের বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত ভীতিপ্রদ।

লেখক এফ এম শাহীন অবশ্য সব সংকটের সমাধান হিসেবে ‘সংলাপে’র উপরেই আস্থা রাখছেন। তাঁর মতে, মানব সভ্যতার বিকাশ ঘটেছে আলোচনার মাধ্যমে। যে কোনও প্রতিকূলতা কাটাতে আলাপ-আলোচনা জারি রাখাই একমাত্র পথ।

প্রকাশক গৌতম দাস জানান, দুই বাংলার পাঠকের কাছেই এটি ইতিহাসের এক নতুন পাঠ। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বাপ্পাদিত্য বসু, প্রতিম রঞ্জন বোস, বিজয় দত্ত ও শরবিন্দু সাহা। কমলিকা চক্রবর্তীর সংগীতে সমাপ্ত হয় এই অনুষ্ঠান।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.