সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘এক চুটকি সিন্দুর কি কিমত তুম ক্যায়া জানো রমেশবাবু…’— শাহরুখ-দীপিকার ‘ওম শান্তি ওম’ সিনেমার এই সংলাপের মর্ম আর কেউ বুঝতে পারুক না পারুক, ধারাবাহিক ‘থপকি প্যায়ার কি’র (Thapki Pyar Ki ) দর্শকরা নির্ঘাত বুঝেছেন। বিশেষ করে ধারাবাহিকের সাম্প্রতিক প্রোমো ভিডিও দেখার পর।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে ভিডিওটি। যাতে মেঝের উপর জল থাকায় নায়কের পা আচমকা পিছলে যায়, আর তার হাত সোজা গিয়ে পড়ে নায়িকার ড্রেসিং টেবিলে রাখা সিঁদুরের কৌটর উপর। ঠিক এরপরই গল্পে ট্যুইস্ট। নায়ক পড়ে যাচ্ছে দেখে তাকে সামলাতে যায় নায়িকা। ফল? নায়কের সিঁদুর মাখানো হাত আচমকা নায়িকার সিঁথিতে লেগে যায়। এভাবেই হয়ে যায় সিঁদুরদান।

[আরও পড়ুন: রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে জমিয়ে আড্ডা রুদ্রনীলের, তৃণমূল ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা? মুখ খুললেন অভিনেতা]
এমন সিঁদুরদান দেখে তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন নেটিজেনরা। “মাথা ঘুরিয়ে দেওয়া দৃশ্য”, “জীবনে হাসার উপাদান খুবই কম থাকলে এমন দৃশ্য দেখা প্রয়োজন”, এমন মন্তব্যে ভরে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া। এমন ধারাবাহিক বন্ধ করার কোনও উপায় রয়েছে কি? এমন প্রশ্নও করেছেন অনেকে। এ কেমন সিঁদুরদান? এমন প্রশ্নও উঠছে।

ধারাবাহিকের গল্পে গরু দিব্যি গাছে উঠতে পারে। এমন উদাহরণ একাধিক রয়েছে। বিশেষ করে বাংলা টেলিভিশনের ক্ষেত্রে। এখানে নায়িকা ‘জবা’ পারে খালি হাতে বোমা নিষ্ক্রিয় করতে পারে, ‘কৃষ্ণকলি’ ওরফে ‘শ্যামা’র দুনিয়ায় আবার বাথরুম স্ক্রাবার দিয়ে ইলেকট্রিক শকের মাধ্যমে মরণাপন্ন রোগীকে বাঁচিয়ে তোলা যেতে পারে। আবার ‘তিতলি’ বধির হয়েও বিনা প্রশিক্ষণে দিব্যি চালিয়ে ফেলে আস্ত বিমান। এমন কল্পকাহিনির থেকে কোনও অংশে কম নয় হিন্দি সিরিয়াল ‘থপকি প্যায়ার কি’ ধারাবাহিকের এই দৃশ্য।
View this post on Instagram
[আরও পড়ুন: ফিরল ‘ও পিয়া রে পিয়া’র স্মৃতি, প্রাক্তন নায়ক হিরণের সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়ে গান গাইলেন শ্রাবন্তী]
সর্বশেষ খবর
-
মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে কুরুচিকর পোস্ট! গ্রেপ্তার গোঘাটের তৃণমূল নেতা ফিরোজ আলি
-
পালাবদলের বাংলায় বাড়ছে কাজের চাপ, ছোট হচ্ছে কেশব ভবন! নিউটাউনে নয়া দপ্তর আরএসএসের
-
বেলুড়ে উডল্যান্ডস, চিকিৎসা থেকে ওষুধ, হাতের নাগালে স্বাস্থ্য পরিষেবা
-
রেজিনগর উপনির্বাচনের আগে আরও বিপাকে হুমায়ুন, এক রাতে গ্রেপ্তার দলের ৪ নেতা
-
অর্ধকালী ও অর্ধদুর্গা রূপে দেবী আরাধনা, বাংলার বনেদি বাড়ির এই পুজোর চমক ‘শত্রুবলি’