Indian Idol 16 Winner

মোবাইলের ওয়ালপেপারে লুকিয়ে জয়ের মন্ত্র! গোপন কথা ফাঁস ‘ইন্ডিয়ান আইডল ১৬’ বিজয়ী ওড়িশাকন্যা জ্যোর্তিময়ীর

তবে শুধু সঙ্গীতসাধনাই নয়। জ্যোর্তিময়ীর দাবি, জয়ের নেপথ্যে রয়েছে নানা রহস্য।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৭, ২০২৬, ১২:২১

options
link
মোবাইলের ওয়ালপেপারে লুকিয়ে জয়ের মন্ত্র! গোপন কথা ফাঁস ‘ইন্ডিয়ান আইডল ১৬’ বিজয়ী ওড়িশাকন্যা জ্যোর্তিময়ীর
‘ইন্ডিয়ান আইডল ১৬’ বিজয়ী ওড়িশাকন্যা জ্যোর্তিময়ী নায়ক

এ যেন ‘কাঁটে কা টক্কর’। সকলকে জোর টেক্কা দিয়ে ‘ইন্ডিয়ান আইডল ১৬’ বিজয়ী (Indian Idol 16 Winner) জ্যোর্তিময়ী নায়ক (Jyotirmayee Nayak)। ওড়িশাকন্যার জয়ে আপ্লুত গোটা রাজ্য। আপাতত শুভেচ্ছার জোয়ারে ভাসছেন জ্যোর্তিময়ী। সঙ্গীতের প্রতি গভীর ভালোবাসা যে এ সাফল্যের ভিত, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। তবে শুধু সঙ্গীতসাধনাই নয়। জ্যোর্তিময়ীর দাবি, জয়ের নেপথ্যে রয়েছে কঠোর পরিশ্রম এবং নিজের প্রতি অগাধ আস্থা।

Advertisement

রবিবাসরীয় রাতে ফলপ্রকাশের পর শ্রেয়া ঘোষাল তাঁর হাতে ট্রফি তুলে দেন। সঙ্গে ২০ লক্ষ টাকার চেক। অন্য বিজয়ীদের ৫ লক্ষ টাকার চেক দেওয়া হয়। বিজয়ী হওয়ার পর গোটা ‘ইন্ডিয়ান আইডল’ টিমকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জ্যোর্তিময়ী। তিনি বলেন, “বিচারক এবং শ্রোতাদের সমর্থন এবং ছাড়া এই জয় সম্ভব হত না। আমি ট্রফি নেওয়ার সময়েও বিশ্বাস করতে পারিনি জিতে গিয়েছি। আমি আপ্লুত।” ফাইনালের সন্ধ্যায় কেমন ছিল জ্যোর্তিময়ীর মানসিক অবস্থা? ওড়িশাকন্যার জবাব, “আমি স্বপ্ন দেখতাম একদিন ট্রফিটা আমার হাতে থাকব। আমি মোবাইলের ওয়ালপেপারে ট্রফির ছবিটা রেখেছিলাম। এটাই ক্রমাগত আমাকে স্বপ্ন দেখাত। কঠোর পরিশ্রম এবং নিজের প্রতি অগাধ আস্থায় এই পুরস্কার জয়।”

Advertisement
 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by Jyotirmayee Nayak | Singer | Odia | Bhubaneswar (@jyotirmayeenayak_official18)

Advertisement

বেশ আবেগতাড়িত হয়ে একেবারে প্রথমদিনের অভিজ্ঞতাও জানান জ্যোতির্ময়ী। তিনি বলেন, “প্রতিটি পদক্ষেপে শুধু শিখেছি। রোজ নতুন নতুন কিছু শিখে নিজেকে ধন্য মনে হচ্ছে। শ্রেয়া ঘোষাল প্রতি মুহূর্তে মনের জোর দিয়েছেন। প্রত্যেকের যথাযথ পরামর্শ আগামি দিনে আমাকে আরও ভালো শিল্পী করে তুলবে।” ‘ইন্ডিয়ান আইডল ১৬’-এর প্রত্যেক বিচারককে ধন্যবাদও জানিয়েছেন ওড়িশাকন্যা। যদি একজনকে বাছতে হয় তবে তিনি শ্রেয়া ঘোষাল ছাড়া আর কেউ নন বলেই জানান জ্যোতির্ময়ী। গলা ভেঙে যাওয়ার পরেও কীভাবে সহযোগিতা করেছেন শ্রেয়া, তা জানান তিনি। শুধু বিচারকরাই নন, প্রত্যেক প্রতিযোগী একসময় বন্ধু হয়ে উঠেছিল জ্যোতির্ময়ী। আগামিদিনে প্রত্যেকের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় থাকবে বলেই বিশ্বাস তাঁর। ভবিষ্যতে ঠিক কোন পথে এগোবেন, পুরস্কারমূল্যের টাকা দিয়ে কী করবেন, তা এখনও ঠিক করতে পারেননি। ভবিষ্যতে দীপিকা পাড়ুকোন কিংবা আলিয়া ভাটের হয়ে প্লেব্যাক করার স্বপ্ন দেখেন জ্যোতির্ময়ী।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.