চারটে দেওয়াল মানেই নয়তো ঘর/ নিজের ঘরেও অনেক মানুষ পর…। একথা যে কতটা সত্যি, তা অনেক দম্পতিই জানেন। পাঁচজনের মতো একঘরে থাকেন, ঘুরতে যান, সকলের চোখে পারফেক্ট কপল। তবে বন্ধ ঘরে উঁকি দিলে দেখা যায়, আদতে তাঁরা সুখী নন। বিষাক্ত হয়ে গিয়েছে সম্পর্ক। যিনি সহ্য করতে পারছেন না তিনি প্রতিমুহূর্তে ছেড়ে আসার কথা ভাবছেন। কিন্তু যা ভাবছেন, তা কাজে করতে পারছেন না। জানেন কেন হয় এমনটা? সম্পর্ক বিষিয়ে যাওয়ার পরও কেন সঙ্গীর হাতটা ছাড়তে পারেন না অধিকাংশই? চলুন আজ জেনে নেওয়া যাক সেটাই।
১. ওয়েলনেস কোচ ও সম্পর্ক বিষয়ক পরামর্শক অঙ্কিতা কাউলের মতে, সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার অন্যতম প্রধান কারণ হল আশা। দু’জনের মানসিক দূরত্ব শতযোজন হলেও মানুষ আশা করে। ভাবেন, সঙ্গী হয়তো একসময় ফের সম্পর্কের শুরুর দিনের মতো স্নেহশীল হয়ে উঠবেন। তাঁর মনের কথা বুঝতে পারবেন। আর এই আশায় কেটে যায় সময়।
আরও পড়ুন:

২. এসব পরিস্থিতিতে মানুষ বর্তমানের পরিবর্তে ভবিষ্যতের মোহে পড়ে যায়। আবেগপ্রবণ মন সুন্দর ভবিষ্যৎ কল্পনা করে নেয়। আরও সুখী দাম্পত্য জীবন, খোলামেলা আড্ডা, স্বপ্নের মতো ছুটি কাটানো, সব মিলিয়ে প্রেমে মাখামাখি একটা সম্পর্ক-এই কল্পনা একদিন বাস্তব হবে, সেই আশায় কেটে যায় দিন।
৩. সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসার ক্ষেত্রে মনে একটা দ্বিধা কাজ করে। একটা সম্পর্ক শেষ করার অর্থ, অনিশ্চয়তার মুখোমুখি হওয়া, একা হয়ে পড়া, নতুন করে জীবন সাজানো, নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়া। যদি আর না মেলে ভালোবাসা? এই আশঙ্কায় অনেকেই ‘টক্সিক’ সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যান বছরের পর বছর। বিশেষজ্ঞদের মতে শূন্য ঘর, দৈনন্দিন রুটিনে পরিবর্তন, আশপাশের সুখী দাম্পত্যই বিষাক্ত সম্পর্ক আঁকড়ে ধরে রাখতে বাধ্য করে। যার পরিণতি হতে পারে ভয়ংকর।
সর্বশেষ খবর
-
নিন্দুকদের মুখে ঝামা ঘষে রাজ-শুভশ্রীর জলকেলি, ছেলে যুবানের জন্মদিনে রোম্যান্টিক টুইস্ট!
-
‘বাঙালি নিরামিষ খেয়ে পুষ্পাঞ্জলি, মাছ দিয়ে প্রসাদ দিতে জানে’, বাগেশ্বর বিতর্কে সোজাসাপ্টা শুভেন্দু
-
যুদ্ধ ‘কাঁটা’ সরিয়ে দিল্লি ঘোষণাপত্রে সহমত ‘শত্রু’ ইরান-আমিরশাহী, বড় কূটনৈতিক সাফল্য ভারতের
-
দুর্গাপুজোর শেষে শ্রাদ্ধানুষ্ঠান! গুসকরার এই জমিদার বাড়িতে কেন দশমীতে হয় না ঘট বিসর্জন?
-
‘কমেন্ট ডিলিট করবেন না সলমন স্যার দেখুক,’ ভাইজানের টিমের উপর চটে লাল অমল মালিক