রবিবাসরীয় সকালে থামল বর্ষীয়ান পরিচালক রাজা সেনের (Raja Sen) পথচলা। কেওড়াতলা শ্মশানে হয়ে গেল শেষকৃত্য। পঞ্চভূতে বিলীন রাজা সেন। বাংলা সিনেমার আরও একটা যুগের অবসান। শববাহী গাড়িতে নন্দনে এসে পৌঁছেছিল ফুলে সজ্জিত পরিচালকের নিথর দেহ। সেখানেই শায়িত ছিলেন রাজা সেন। শেষ শ্রদ্ধা জানাতে হাজির হয়েছিলেন ইন্ডাস্ট্রির সেলেবরা। কান্না থামেনি স্ত্রী পাপিয়া সেনের।
আরও পড়ুন:
কিংবদন্তি প্রয়াত পরিচালক তথা ভগ্নিপতিকে শেষবার দেখতে নন্দনে এসেছিলেন বর্ষীয়ান অভিনেতা সব্যসাচী চক্রবর্তী। বোনকে সামলাতে একপ্রকার হিমশিম খেয়েছেন। সঙ্গে ছিলেন তাঁর ছেলে গৌরব ও পুত্রবধূ রিধিমা। রাজা সেনের স্ত্রীকে সমবেদনা জানিয়েছেন অভিনেতা সোমরাজ। পুত্রসম সোমরাজকে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন পাপিয়া সেন।
View this post on InstagramAdvertisement
View this post on Instagram
স্বামীর ছবিতে ফুল দেওয়ার মুহূর্তে নিজেকে সামলাতে পারেননি পরিচালকের স্ত্রী। এদিন কিংবদন্তি পরিচালককে বিনম্র শ্রদ্ধা জানাতে নন্দনে উপস্থিত ছিলেন স্বস্ত্রীক কৌশিক সেন। শ্রদ্ধা জানিয়েছেন অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী অঞ্জনা বসুও।
View this post on Instagram
View this post on Instagram
অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই শেষে আর ঘরে ফেরা হল না ‘দামু’ পরিচালকের। দক্ষিণ কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সেখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন পরিচালক। তাঁর প্রয়াণের খবর ছড়িয়ে পড়তেই শোকের ছায়া নেমে এসেছে সিনেদুনিয়ায়।
কোমরে চোট নিয়ে বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। কিন্তু, ক্রমশ তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফুসফুসে সমস্যা দেখা দেয়। হৃদরোগেও আক্রান্ত হন প্রবীন পরিচালক রাজা সেন। এরপর গত সোমবার পরিচালককে স্থানান্তরিত করানো হয় এসএসকেএমে। সেখানে আবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় কিডনির সমস্যা দেখা দেয়। ভেন্টিলেশনে রাখা হলেও শেষ রক্ষা হল না।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বারাকপুরে স্টপেজ মা তারা এক্সপ্রেসের! পদ্ম হাতে চালককে স্বাগত, বিধায়ক বললেন, ‘ডবল ইঞ্জিনের বেনিফিট’
-
কমিশনে অন্তর্কলহ! জ্ঞানেশের SIR সিদ্ধান্তে ‘আপত্তি’ ২ কমিশনারের, তদন্ত চাইল কালীঘাট তৃণমূল
-
মুকুন্দপুরে কার্যালয় দখল নিয়ে ধুন্ধুমারে অ্যাকশনে পুলিশ, ২ মমতাপন্থী তৃণমূল কর্মী গ্রেপ্তার
-
‘বাউন্সি পিচে কীভাবে চাপ সামলায় দেখব’, এশিয়াডের আগেই বৈভবকে হুঁশিয়ারি বিপক্ষ কোচের
-
বাংলাদেশের মাদ্রাসায় গণধর্ষণ সাতবছরের বালিকাকে! অভিযুক্ত পড়ুয়া থেকে শিক্ষক