সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাশ্চাত্য থেকে #MeToo মুভমেন্টের জোয়ার সেই গতবছরই ভারতের বিনোদুনিয়ায় আছড়ে পড়েছে। বলিউডের পাশাপাশি এবার টলিউডেও পড়ল সেই ছায়া। আরেকটু পরিষ্কার করে বললে, বিগত দিন কয়েক ধরেই #MeToo মুভমেন্টে উত্তাল হয়ে উঠেছে বাংলা সংস্কৃতিজগৎ। যৌন নিগ্রহের অভিযোগে উঠে আসছে একের পর এক বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নাম। সুদীপ্ত চট্টোপাধ্যায় এবং খ্যাতনামা বাংলা ব্যান্ড ‘মহীনের ঘোড়াগুলি’র গায়ক রঞ্জন ঘোষালের উপর ওঠা যৌন নিগ্রহের অভিযোগের রেশ মিটতে না মিটতেই অভিযোগ উঠল আরেক খ্যাতনামা বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের দিকে। তিনি নাট্যজগতে অতি জনপ্রিয় নাম জগন্নাথ বসু।
যৌন হেনস্তার অভিযোগ উঠল খ্যাতনামা আবৃত্তিকার জগন্নাথ বসুর বিরুদ্ধে। ২২ অক্টোবর অর্থাৎ মঙ্গলবার সংগীতা নামে এক মহিলা সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিযোগ হানলেন এই বিশিষ্ট প্রবীন শিল্পীর দিকে। মাত্র ২১ বছর বয়সে তিনি যৌন হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন সংগীতা। ফেসবুকে একটি পোস্ট করে তিনি লিখেছিলেন, “সুদীপ্ত চট্টোপাধ্যায় আর রঞ্জন ঘোষালের ভণ্ডামি তো সবাই জানল। জগন্নাথ বসুকে নিয়ে কেউ কিছু বলবে না?” সেই মহিলার অভিযোগ, দূরদর্শনের চাকরি এবং নিজের নামের অপব্যবহার করেছেন তিনি। অভিযোগকারিনী স্পষ্ট ভাষায় লিখেছেন, “আরও অনেক মেয়ে ও মহিলার সঙ্গে আমি নিজেও ভুক্তভোগী, আমার একুশ বছর বয়সে। দায়িত্ব নিয়ে বলছি।” যদিও খ্যাতনামা এই বাচিক শিল্পীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠায় দু’ভাগ হয়ে গিয়েছে নেটিজেনরা। কেউ কেউ অবশ্য মেনেও নিতে পারেননি। তবে বাংলা সংস্কৃতিজগতেও যে #MeToo মুভমেন্টের জোয়ার ক্রমাগত জোরদার হচ্ছে, তা বলাই বাহুল্য।
[‘আরও পড়ুন: ‘স্যর চুলের মুঠি জোরে চেপে ধরে…’, ফের #MeToo অভিযোগে বিদ্ধ নামী নাট্য পরিচালক ]
অন্যদিকে, সংগীতার পোস্টে সমর্থন জানিয়ে আরও একজন নিজের অভিজ্ঞতা লিখেছেন কমেন্ট সেকশনে। যদিও এপ্রসঙ্গে এখনও কোনও রকম মন্তব্য করেননি বাচিক শিল্পী জগন্নাথ বসু।
[‘আরও পড়ুন:৫ কোটি প্রতারণার অভিযোগ, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রেমো ডিসুজার বিরুদ্ধে]
সর্বশেষ খবর
-
সাংসদ পদ থেকে ইস্তফার পরই বিদেশে রঙিন মেজাজে কোয়েল, টাইমস স্কোয়ারে কী করলেন?
-
‘সর্বভারতীয় নয়, এখন কালীঘাট তৃণমূল!’ বিধানসভায় কটাক্ষ শোভনদেবকে, পেলেন ‘পরামর্শ’
-
‘সংবাদের শিরোনামে থাকার চেষ্টা’, মহুয়ার আপত্তিকর মন্তব্যে বিঁধলেন জগন্নাথ
-
‘আমাদের দেশে বাঁচাও কঠিন,’ যুদ্ধবিধ্বস্ত কঙ্গোয় শান্তি ফেরাতে ফুটবলই অস্ত্র উইসাদের
-
পদ্মশ্রী গোকুলচন্দ্র দাসের উদ্যোগে ঢাকি অ্যাকাডেমির প্রস্তাব, বিধায়ক সুব্রত ঠাকুরের আশ্বাসে আশাবাদী শিল্পীরা