১ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  সোমবার ১৮ নভেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাশ্চাত্য থেকে #MeToo মুভমেন্টের জোয়ার সেই গতবছরই এসেছে ভারতে। বলিউডের পাশাপাশি এবার টলিউডেও পড়ল সেই ছায়া। আরেকটু পরিষ্কার করে বললে বিগত দিন কয়েক ধরেই #MeToo মুভমেন্টে উত্তাল হয়ে উঠেছে বাংলা সংস্কৃতিজগৎ। যৌন নিগ্রহের অভিযোগে উঠে আসছে একের পর এক বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নাম। সুদীপ্ত চট্টোপাধ্যায় এবং খ্যাতনামা বাংলা ব্যান্ড ‘মহীনের ঘোড়াগুলি’র গায়ক রঞ্জন ঘোষালের উপর ওঠা যৌন নিগ্রহের অভিযোগের রেশ মিটতে না মিটতেই অভিযোগ উঠল আরও এক নাট্য ব্যক্তিত্বর বিরুদ্ধে। তিনি নাট্যদল ‘সুখচর পঞ্চম’-এর মূল কাণ্ডারী মলয় মিত্র।

ফেসবুকের ওই পোস্টে অভিযোগকারিনীর বক্তব্য, ২০১১-১২ সালে তিনি অভিনয় শিখতে গিয়েছিলেন মলয় মিত্রের কাছে। সে সময়েই সোদপুরের কাছে সুখচর পঞ্চমের ফ্ল্যাটে ডাকেন তাঁকে। সেই ফ্ল্যাটে যাওয়ার পর সেখানকার দরজা বন্ধ করে নাটক শেখানোর নাম করে তাঁকে যৌন নিগ্রহ করেন বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, ওই অভিযোগকারিনী তাঁর সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টে এও জানিয়েছেন যে সে সময় যাতে ঘরে কেউ না ঢুকতে পারে, তার জন্য বাইরে এক পাহাড়াদারও রেখেছিলেন তিনি। এবং ওই পাহাড়াদার যে একজন পেশাদার খুনি, সেটা বলেও ভয় দেখানো হয়েছিল তাঁকে, এমনটাও লিখেছেন অভিযোগকারিনী তাঁর পোস্টে।

[আরও পড়ুন: ৫ কোটি প্রতারণার অভিযোগ, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রেমো ডিসুজার বিরুদ্ধে ]

অভিযোগকারিনীকে সেদিন কীভাবে যৌন নির্যাতন করা হয়েছিল? পুরো ঘটনাটা তিনি তুলে ধরেছেন ফেসবুকে। “স্যার আমায় বলেন ইম্প্রোভাইজেশন শেখাবেন। নানান মুহূর্ত বা চরিত্র উল্লেখ করে দেবেন, আমায় তা অভিনয় করে দেখাতে হবে। প্রথম টপিক এল ‘সিডাকশন’। মানে জানতাম না কথাটার। তো স্যারকে জিজ্ঞেস করতে বললেন, আমাকে সিডিউস কর। যাতে তোকে দেখে আমার উত্তেজনা জাগে”, এরকমই একটি পোস্ট দিয়ে নাট্য পরিচালক মলয় মিত্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনেন তিনি। যদিও বুধবার অবধি পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেননি ওই মহিলা। তবে সূত্রের খবর বলছে, শুধুমাত্র সামাজিক মাধ্যমে অভিযোগ জানিয়েই তিনি ক্ষান্ত থাকছেন না। আইনি পথেই লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এমনকী, মহিলা কমিশনের দ্বারস্থও হতে পারেন।

অন্যদিকে মলয় মিত্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠায়, তাঁর দল সুখচর পঞ্চমও ওই অভিযোগকারিনীর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেবে বলে জানিয়েছে। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই আইনজীবীর সঙ্গে কথাও হয়েছে মলয় মিত্রের। ফেসবুকেও অনেকে মলয় মিত্রের বিরুদ্ধে ওঠা এই অভিযোগ মেনে নিতে পারেননি। তবে সত্য-মিথ্যা আর যাই হোক, বাংলা সংস্কৃতিজগতেও যে #MeToo মুভমেন্টের প্রভাব জোরদার হচ্ছে ক্রমাগত, তা বলাই বাহুল্য।

রইল অভিযোগকারিনীর ফেসবুক পোস্ট

[আরও পড়ুন: ‘কার্ডও ছাপা হয়েছিল, বিয়ের কিছুদিন আগেই বেঁকে বসেন সলমন’, দাবি নামী প্রযোজকের]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং