সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কটাক্ষ, বিদ্রুপ যেন নুসরত জাহানের (Nusrat Jahan) জীবনের রোজনামচা হয়ে গিয়েছে। কিছুদিন আগেই মহালয়ায় দেব দুর্গা সেজে কটাক্ষের শিকার হয়েছিলেন অভিনেত্রী। এবার সিঁথিতে সিঁদুর পরায় তীব্র ব্যঙ্গ করা হল।

সকলকে ষষ্ঠীর শুভেচ্ছা জানিয়ে ছবি পোস্ট করেন নুসরত। ছবিতে সুন্দর করে শাড়ি পরেছেন তারকা। খোপায় জড়িয়েছেন ফুল। তবে নেটিজেনদের সবচেয়ে বেশি নজরে পড়েছে অভিনেত্রীর সিঁথির সিঁদুর। তা নিয়েই কটাক্ষের পালা শুরু হয়ে যায়। একজন লিখেছেন, “কত রঙ্গ দেখব মাগো… “, একজন আবার প্রশ্ন করেছেন, “আবার এই সিঁদুর নিয়ে কীসের নাটক?” অভিনেত্রীর রোগা হওয়া নিয়েও কটাক্ষ করা হয়েছে। লেখা হয়েছে, “হাল চাষের গরু মতো দেখা যায়। হাড্ডি ছাড়া কিছুই নাই শরীরে।”

[আরও পড়ুন: ‘ফাঁসানো হয়েছে আমায়’, পর্ণ কাণ্ডে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে CBI-কে চিঠি রাজ কুন্দ্রার]
কিছুদিন আগেও মহালয়ার ভিডিও পোস্ট করে ট্রোলড হয়েছিলেন নুসরত। লালপেড়ে সাদা শাড়ি পরে দেবী দুর্গার সাজে ভিডিওটে অভিনেত্রীকে দেখা যায়। তাতেই কুমন্তব্য করা হয়। “মহা ঠগবাজ নেয়ে নাকি মা দুর্গা!”, “দোজখের জন্য তৈরি থাকো”— এমন মন্তব্য করা হয় অভিনেত্রীর পোস্টে। নুসরত হিন্দু না মুসলমান, সেই প্রশ্নও করা হয়।

উল্লেখ্য, এর আগেও দুর্গাপুজোর মণ্ডপে গিয়ে এবং সিঁদুর পরে কটাক্ষের শিকার হন নুসরত। তবে অভিনেত্রী-সাংসদ সর্বধর্ম সমন্বয়ে বিশ্বাসী। এর আগে এই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, “ঈশ্বর এক ও অদ্বিতীয়। আমি নুসরত জাহান। মুসলিম পরিবারের মেয়ে। আমি ধর্মের ভেদাভেদ মানি না। আমি যেমন কোরান পড়েছি। তেমন গীতা ও বাইবেলও পড়েছি। সেখানে কোথাও ধর্মের ভেদাভেদ ও হানাহানির কথা বলা হয়নি।”
View this post on Instagram
[আরও পড়ুন: হাল না ছেড়ে জীবনে ফেরার ছবি দেব-প্রসেনজিতের ‘কাছের মানুষ’, পড়ুন রিভিউ]
সর্বশেষ খবর
-
ভাড়ার অ্যাকাউন্টে দেশজুড়ে সাইবার জালিয়াতি! পার্ক স্ট্রিটের ব্যাঙ্কে ‘মিউল অ্যাকাউন্টের’ সন্ধান পেল পুলিশ
-
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সসম্মানে ফিরলেন বঙ্গবন্ধু, হাদির নাম মুছে ফিরছে শেখ মুজিবুর রহমান হল
-
শ্রীঘরে দুই বেয়াই! দু’বছর আগে নাবালিকার বিয়ে, কোলে ৬ মাসের শিশু, খবর পেতেই ‘অ্যাকশন’ পুলিশের
-
‘হিরো, আপনিই বাঁচিয়েছেন’, ককপিটে সতীর্থের ছুরিতে রক্তাক্ত হয়েও কর্তব্যে অবিচল ভারতীয় পাইলট
-
বার্বিকিউ কাণ্ড থেকে শিক্ষা! দার্জিলিং-কালিম্পংয়ে রেজিস্ট্রেশন ছাড়া কত হোমস্টে? রিপোর্ট চাইলেন মন্ত্রী