দাক্ষিণাত্যের তারকা দম্পতির স্বপ্নের বিয়ের রেশে ডুবে গিয়েছিল গোটা দেশ। এখন তাঁরা থাইল্যান্ডে। নিভৃতে পরস্পরের সান্নিধ্যে কাটাচ্ছেন জীবনের এক মূল্যবান সময়। এবার ফাঁস হল সেই মধুচন্দ্রিমার ঘনিষ্ঠ এক মুহূর্তের ছবি।
আরও পড়ুন:
জানা যাচ্ছে, এয়ারবিএনবি ভিলাতে রয়েছেন তাঁরা। বিলাসবহুল রিসর্টে কেবল তাঁরাই রয়েছেন এই মুহূর্তে। ফাঁস হওয়া ছবিতে দেখা যাচ্ছে, সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে পরস্পরকে জড়িয়ে রেখেছেন তাঁরা। দু’জনে মগ্ন হয়ে দেখছেন পরস্পরকে। পরনের পোশাকও একেবারে ক্যাজুয়াল। বোঝাই যায়, ব্যস্ততা থেকে বহু দূরে পরস্পরের সঙ্গে একেবারে নিভৃত, ঘনিষ্ঠ এক সময় কাটছে তাঁদের। প্রেক্ষাপটের গাছগাছালির মতোই বন্য, সবুজ প্রেমে যেন মত্ত তাঁরা।
View this post on InstagramAdvertisement
গত ২৬ ফেব্রুয়ারি উদয়পুরে রাজকীয় আসরে সাতপাকে বাঁধা পড়েন বিজয় দেবেরাকোন্ডা এবং রশ্মিকা মন্দানা। বিয়ের পর ‘সংস্কারী’ নবদম্পতিকে দান-ধ্যান এবং আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে দেখে মুগ্ধ হয় অনুরাগীমহল। পরে জমকালো রিসেপশনের মাধ্যমে বিয়ের অনুষ্ঠানে সমাপ্তি টানেন তাঁরা। সেই তারকাখচিত জলসার ছবি-ভিডিও ভাইরাল হয়ে গিয়েছিল। তবে সেলেবসুলভ হাবভাবের লেশমাত্র ছিল না বিরোশের মধ্যে। সাধারণ পোশাকে বিনম্র আচরণেই বাজিমাত করেন দক্ষিণী দম্পতি। এমনকী ভক্তদের নিজেহাতে খাবার পরিবেশন থেকে হাসিমুখে কুশল-মঙ্গল বিনিময় করতেও দেখা যায় তাঁদের। সকলের সামনেই বিজয়কে খাইয়ে দেন রশ্মিকা। বিয়ের মিষ্টি হায়দরাবাদ, দিল্লি, মুম্বই, চেন্নাই, কোচি, বেঙ্গালুরুর মতো শহরেও পৌঁছে দেন তাঁরা।
আপাতত সেই ভিড়, হুল্লোড়, জন সমাগম থেকে দূরে বিজয়-রশ্মিকা। তবে এই নিভৃতবাসের পর আবারও শুরু হবে রুপোলি পর্দার দুনিয়ায় ফেরা। পরিচালক রাহুল সংকৃত্যায়নের ‘রানাবলি’ ছবিতে একসঙ্গে কাজ করবেন নবদম্পতি। ১৮৫৪ থেকে ১৮৭৮ সালের মধ্যবর্তী সময়ের ভারত হবে সেই তেলুগু ছবির পটভূমি।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
এবার কলকাতার রাস্তা হকারমুক্ত হবে? বড় ইঙ্গিত দিলীপ ঘোষের
-
এক সপ্তাহের ডেডলাইন! জবরদখল হঠাতে শিয়ালদহ ও সুকান্ত সেতুতে নোটিস পুরসভার
-
জগন্নাথের মতোই স্নানযাত্রা কালীঘাটেও, জ্যৈষ্ঠ পূর্ণিমায় মিলল শাক্ত-বৈষ্ণব ধারা
-
‘সংঘে ভালো মানুষের অভাব’, কৈলাসের মন্তব্যে তুঙ্গে বিতর্ক
-
কঠিন লড়াই ব্রাজিল-পর্তুগালের, চ্যালেঞ্জের মুখে আর কোন দেশ? দেখুন রাউন্ড অফ ৩২-এর পূর্ণ সূচি