Sanjay Dutt

‘সরকে চুনর’ বিতর্কে কমিশনের কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা সঞ্জয়ের, নিলেন ৫০ আদিবাসী কন্যার শিক্ষার ব্যয়ভার

অশালীন শব্দ ব্যবহারের পাশাপাশি প্রশ্ন উঠেছে নোরা ফতেহির শরীরী বিভঙ্গ নিয়েও।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৭, ২০২৬, ১৯:১৪

options
link
‘সরকে চুনর’ বিতর্কে কমিশনের কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা সঞ্জয়ের, নিলেন ৫০ আদিবাসী কন্যার শিক্ষার ব্যয়ভার
মুক্তির অপেক্ষায় ‘কেডি: দ্য ডেভিল’-এর হিন্দি ভার্সন।

‘সরকে চুনর তেরি সরকে’ গান নিয়ে বিতর্কের জেরে মহিলা কমিশনের চিঠি পেয়েছিলেন। অবশেষে আজ, সোমবার কমিশনের সামনে হাজিরা দিলেন বলিউড তারকা সঞ্জয় দত্ত। সেখানে লিখিত ক্ষমাপত্র জমা দেওয়ার পাশাপাশি জানিয়ে দিলেন, সমাজের ইচ্ছাকৃত ক্ষতি করার কোনও অভিপ্রায় তাঁর ছিল না। সেই সঙ্গেই সমাজকল্যাণ ও নারী ক্ষমতায়নের দিতে তাকিয়ে ৫০ জন আদিবাসী শিশুকন্যার শিক্ষার ব্যয়ভার বহনের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন ‘খলনায়ক’।

Advertisement

তবে অপর অভিযুক্ত নোরা ফতেহি এদিন হাজিরা দেননি। তিনি আগেই জানিয়েছেন, বিদেশে থাকার কারণে তাঁর পক্ষে উপস্থিত থাকা সম্ভব হচ্ছে না। তবে তিনি বিকল্প তারিখের জন্যও আবেদন করেছেন। 

Advertisement
Sanjay Dutt, Nora Fatehi'S banned song is raising many questions
সঞ্জয় দত্ত, নোরা ফতেহি অভিনীত একটি গান নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে।

আগামী ৩০ এপ্রিল সেলুলয়েডে মুক্তির অপেক্ষায় ‘কেডি: দ্য ডেভিল’-এর হিন্দি ভার্সন। কিন্তু তার বহু আগে থেকেই চর্চায় ছবিটি। সৌজন্যে ‘সরকে চুনর তেরি সরকে’। অশালীন শব্দ ব্যবহারের অভিযোগে সরব নিন্দকের একাংশ। একইসঙ্গে হট অ্যান্ড বোল্ড ডিভা নোরা ফতেহির শরীরী বিভঙ্গ নিয়ে কাটাছেঁড়া করতে ‘সুপার অ্যাকটিভ’ নীতিপুলিশ। এরপরই মহিলা কমিশনের চিঠি ছবির কুশলীদের।

Advertisement

গত ৭ এপ্রিল ছিল কমিশনের সামনে প্রথম শুনানি। উপস্থিত ছিলেন পরিচালক প্রেম, গীতিকার রাকিব আলম এবং প্রযোজনা সংস্থার প্রতিনিধিরা। কিন্তু, সেদিনও অনুপস্থিত ছিলেন নোরা ফতেহি। তখনই জানা যায়, পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারিত হয়েছে আগামী ২৭ এপ্রিল। সেদিন সঞ্জয় দত্তকে উপস্থিত থাকতে বলা হয়। এই পরিস্থিতিতে এদিন সঞ্জুবাবা হাজিরা দেন কমিশনের সামনে। কমিশনকে আশ্বস্ত করেন যে, চলচ্চিত্র ও অন্যান্য সৃজনশীল প্রকল্পগুলিতে নারী ও শিশুদের মর্যাদাশীল ও যথাযথ উপস্থাপন নিশ্চিত করার বিষয়টি তিনি লক্ষ রাখবেন।

প্রসঙ্গত, ছবির নির্মাতারা আগে দাবি করেছিলেন তাঁরা গানের কথার গভীরতা বুঝতে পারেননি। যদিও কমিশন সেই যুক্তি খারিজ করে দেয়। এরপরই নির্মাতারা ভুলের জন্য লিখিত ক্ষমা চেয়ে নেন। স্বীকার করেন গানটি সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.