কাশ্মীর

‘এবার বাড়ি যেতে পারব’, ৩৭০ ধারা বাতিল হওয়ায় উচ্ছ্বসিত কাশ্মীরি গায়িকা

স্মৃতিচারণায় উঠে এল গায়িকার ছোটবেলার কথা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৬, ২০১৯, ২০:৪৫

options
link
‘এবার বাড়ি যেতে পারব’, ৩৭০ ধারা বাতিল হওয়ায় উচ্ছ্বসিত কাশ্মীরি গায়িকা

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কাশ্মীর নিয়ে সোমবারের ঘোষণার পর রাজ্যের মর্যাদা হারিয়েছে ভূস্বর্গ। তারপর থেকে অনেকেই সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। কাশ্মীরি গায়িকা আভা হানজুয়ারাও সরকারের এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন। টুইটারে গায়িকা আশা প্রকাশ করেছেন, এবার হয়তো তিনি তাঁর পৈত্রিক বাড়িতে ফিরতে পারবেন।

Advertisement

[ আরও পড়ুন: রিয়ালিটি শো চলাকালীন অভব্যতা? নতুন বিতর্কে জড়ালেন নোবেল ]

১৯৯০ সাল থেকে ঘরছাড়া আভা হানজুয়ারা। কাশ্মীরি পণ্ডিতরা যখন রাজ্য ছেড়েছিলেন, তখন সেই দলের সঙ্গে তিনিও বেরিয়ে এসেছিলেন। তারপর থেকে আভার কাছে কাশ্মীরের রাস্তা বন্ধ। আর কখনও নিজের পৈত্রিক ভিটেয় ফিরতে পারেননি তিনি বা তাঁর পরিবার। সোমবার ৩৭০ ধারা উঠে যাওয়ার পর স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছেন আভা। টুইটারে তিনি লিখেছেন, “এবার হয়তো বাড়ি পর্যন্ত রাস্তাটা পরিষ্কার হবে। খুব শীঘ্রই আমরা একত্রিত হব। যে সব কাশ্মীরিরা বাইরে রয়েছেন, তাঁদের দু’চোখে এই একই স্বপ্ন রয়েছে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আভা এখন থাকেন বেঙ্গালুরুতে। কিন্তু কাশ্মীর ছেড়ে এলেও, তিনি তাঁর শ্রীনগরের প্রথম পারফর্ম্যান্সের কথা ভোলেননি। “এটা আমার জীবনের সেরা মুহূর্ত ছিল। ৩ হাজার লোক এসেছিল। অনেক বাচ্চা ছেলেমেয়ে ও কলেজ পড়ুয়ারাও ছিল।” বলেছেন আভা। তাঁর আশা, সেইসব দিন আবার ফিরবে। তাঁর বাবা কাশ্মীরের ডাক বিভাগে চাকরি করতেন। সেখানে তাঁদের বাড়ি ছিল। সেসব এবার দেখতে পারবেন তিনি। তাঁদের জোর করে রাজ্য থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল। তাঁর ঠাকুমা এখনও কাশ্মীরের পাহাড় আর ঠান্ডার কথা স্মৃতিতে ধরে রেখেছেন। বলেন আভা।

[ আরও পড়ুন: ‘তোমায় পড়েছে মনে…’, কিশোর কুমারের ৯০তম জন্মদিবসে শ্রদ্ধার্ঘ ]

সোমবারই ৩৭০ ধারা বাতিলের পরই জানানো হয়, উপত্যকাকে দু’টি ভাগে ভাগ করে দেওয়া হবে। প্রস্তাব অনুযায়ী লাদাখে এবং জম্মু ও কাশ্মীর দুটি আলাদা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত হয়।  লাদাখে কোনও বিধানসভা থাকছে না। অন্যদিকে, জম্মু ও কাশ্মীরে পৃথক বিধানসভা থাকলেও, স্থানীয় সরকারের হাতে নিরাপত্তা বা আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ব থাকবে কেন্দ্রের উপরই। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন