৫ আশ্বিন  ১৪২৬  সোমবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: একের পর এক বিতর্কে জড়িয়ে পড়ছেন গায়ক মাইনুল আহসান নোবেল। রবীন্দ্রনাথ আর ‘সোনার বাংলা’ নিয়ে তাঁর সাক্ষাৎকার ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। চতুর্দিক থেকে আসছে নিন্দা। এর মধ্যে আরও একটি তথ্য ফাঁস হল। জানা গেল ‘সা-রে-গা-মা-পা’ প্রতিযোগীতা চলার সময় অন্য প্রতিযোগীদের নাকি পাত্তা দিতেন না বাংলাদেশি গায়ক নোবেল। এমনকী এও খবর, এক বিচারককে নাকি অপমান করেছিলেন তিনি।

[ আরও পড়ুন: ‘তোমায় পড়েছে মনে…’, কিশোর কুমারের ৯০তম জন্মদিবসে শ্রদ্ধার্ঘ ]

‘সা-রে-গা-মা-পা’ শুরু হওয়ার পর থেকেই বাংলাদেশি গায়ক নোবেলের গানে মজে যায় অনেক দর্শক ও শ্রোতা। হু হু করে বাড়তে থাকে অনুরাগীর সংখ্যা। বিচারকরাও প্রশংসা করতে থাকেন তাঁর গানের। এর এত প্রশংসা শুনতে শুনতে নাকি মাথা ঘুরে যায় গায়কের। সূত্রের খবর এমনই। শোনা যায়, প্রতিযোগিতার অন্য প্রতিযোগীদের সঙ্গে নাকি ভাল ব্যবহার করতে না নোবেল। বরং তাঁর মধ্যে সবসময়ই একটা নাক উঁচু ভাব কাজ করত। তার উপর আবার পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায় তাঁর ‘ভিঞ্চিদা’ ছবিতে গান গাওয়ান নোবলকে দিয়ে।

ভারতের এমন এক প্রথম সারির পরিচালক প্রতিযোগিতার অন্য প্রতিযোগীদের না বেছে তাঁকে বেছে নেওয়ায় নোবেল যেন আরও অহংকারী হয়ে ওঠেন। এদেশের কোনও শিল্পীকেই নাকি তাঁর যোগ্য মনে হত না। এমনকী এক বিচারককে তিনি নাকি বলেছিলেন, তাঁর গান বিচার করার ক্ষমতা সেই বিচারকের নেই। এমন ব্যবহারের কারণেই নাকি মঞ্চে বেশ কিছুদিন দেখা যায়নি নোবেলকে। তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল। এমনই মত নিন্দুকদের। এর ফলে অনেকেই নাকি তাঁকে খুব একটা পছন্দ করতেন না বলে খবর। যদিও এনিয়ে স্পষ্টভাবে কেউ মুখ খোলেননি।

[ আরও পড়ুন: ভারতে নিষিদ্ধ করা হোক নোবেলকে, বার্তায় ছয়লাপ সোশ্যাল মিডিয়া ]

এদিকে যে সাক্ষাৎকার নিয়ে এত তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া, তার মধ্যমণি প্রিন্স মাহমুদ সম্প্রতি এনিয়ে মুখ খুলেছেন। সাক্ষাৎকারে নোবেল বলেছিলেন, “রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা ‘সোনার বাংলা’ গানটির চেয়ে কয়েক হাজারগুণ প্রিন্স মাহমুদের লেখা গান ‘বাংলাদেশ’ আমার দেশকে আরও ভালভাবে ও স্পষ্টভাবে তুল ধরে। এই গানের সঙ্গেই জড়িয়ে রয়েছে বাংলাদেশের আবেগ। বাংলাদেশের সঙ্গে, বাংলার মানুষের সঙ্গে এই সোনার বাংলার যোগই অনেক বেশি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা এই গানটিকে জাতীয় সংগীত করার দাবি জানিয়েছে। আর আমিও তেমনটাই মনে করি।”

এরপর থেকেই উসকে ওঠে বিতর্ক। জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত গায়িকা নোবেলকে ‘চাবকানোর’ কথা বলেন। সোশ্যাল সাইটও ভরে ওঠে নিন্দায়। কিন্তু প্রিন্স মাহমুদ কোনও বক্তব্য রাখেননি। কিন্তু চুপ আর কতদিন থাকা যায়? সম্প্রতি তিনি ফেসবুকে এনিয়ে একটি পোস্ট করেছেন। রবি ঠাকুরকে শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি লিখেছেন, “জাতীয় সংগীত আমাদের অস্তিত্বের নাম।”

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং