সলমন খান

দু’ঘণ্টার মধ্যে বিস্ফোরণে উড়ে যাবে সলমনের বাড়ি! ই-মেলের হুমকিতে ছড়াল উত্তেজনা

চার ঘণ্টা ধরে চলে তল্লাশি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৪, ২০১৯, ১৬:২৭

options
link
দু’ঘণ্টার মধ্যে বিস্ফোরণে উড়ে যাবে সলমনের বাড়ি! ই-মেলের হুমকিতে ছড়াল উত্তেজনা

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সলমন খানের বাড়িতে বোমা রাখা। আগামী দু’ঘণ্টার মধ্যে বিস্ফোরণে উড়ে যেতে পারে গ্যালাক্সি। আটকানোর ক্ষমতা থাকলে আটকে দেখান। ঠিক এভাবেই ই-মেলে এল হুমকি। যা নিয়ে তুমুল চাঞ্চল্য ছড়ায় সলমনের পরিবারে।

Advertisement

কিন্তু সল্লু মিঞার ভক্তদের জন্য সুখবর হল, তাঁর বাড়িতে কোনও দুর্ঘটনা ঘটেনি। গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টে সকলে বহাল তবিয়তেই রয়েছেন। এবার প্রশ্ন হল কে এমন কাণ্ড করল? পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ১৬ বছরের এক কিশোর এই ভুয়ো হুমকি ই-মেল করেছিল। উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদের বাসিন্দা সে। ভুয়ো মেল করার অভিযোগে তাকে আটক করে বান্দ্রা থানার পুলিশ।

Advertisement

[আরও পড়ুন: প্রতিবাদ হোক, কিন্তু গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে, শান্তির বার্তা বাংলার বিদ্বজ্জনদের]

গত ৪ ডিসেম্বর ওই কিশোর মুম্বই পুলিশকে মেলটি পাঠিয়েছিল। সে লেখে, মেলটি পাঠানোর ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যেই সলমন খানের গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্ট বিস্ফোরণে উড়ে যাবে। আটকানোর হলে আটকে নিন। এমন মেল পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অ্যাডিশনাল পুলিশ কমিশনার ডঃ মনোজ কুমার শর্মা-সহ পুলিশের একটি দল ও বম্ব স্কোয়াড দ্রুত সলমনের বান্দ্রার বাড়িতে পৌঁছায়। সেই সময় বাড়িতে ছিলেন না দাবাং খান। বাবা সেলিম খান, মা সালমা খান, বোন অর্পিতা-সহ ভাইজানের গোটা পরিবারকে বের করে এনে শুরু হয় তল্লাশি। দীর্ঘ চার ঘণ্টা ধরে চলে তল্লাশি। কিন্তু সন্দেহজনক কিছু উদ্ধার হয়নি। বান্দ্রা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, “প্রায় তিন-চার ঘণ্টা ধরে আমরা অ্যাপার্টমেন্টের প্রতিটি কোণ খুঁজেছি। তারপর অভিনেতার পরিবারকে ঘরে ঢুকতে বলা হয়।” পুলিশ নিশ্চিত করেছে, বোমার হুমকি সম্পূর্ণ ভুয়ো ছিল। মেলের সূত্র ধরে গাজিয়াবাদ থেকে আটক করা হয় অভিযুক্ত কিশোরকে। পরে তিস হাজারি আদালতে তোলা হয় তাকে। অভিযুক্তের দাদার সঙ্গে কথা বলার পর ফাইনাল রিপোর্ট জমা দেওয়া হয় জুভেনাইল কোর্টে। এরপর শর্তসাপেক্ষে কিশোরকে ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

Advertisement

এর আগে গত সেপ্টেম্বরে কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলার শুনানির আগে ফেসবুকে খুনের হুমকি দেওয়া হয়েছিল সলমন খানকে। গ্যারি শুটার নামের এক ব্যক্তি একটি ফেসবুক পেজে সলমনকে খুনের হুমকি দিয়ে পোস্টটি করেছিল। পরে এই হুমকি বার্তা আবার হিন্দি ভাষায় ‘সোপু’ নামে একটি গ্রুপের তরফে পোস্ট করা হয়। তাদের বক্তব্য, সলমন ভারতীয় আইনবিধি থেকে মুক্তি পেতে পারেন। কিন্তু বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের আইন থেকে তার মুক্তি নেই। এবার ভুয়ো হুমকি ই-মেলে চূড়ান্ত ভোগান্তির শিকার হল সুপারস্টারের পরিবার।

[আরও পড়ুন: ‘তানহাজি’ নিষিদ্ধ করার দাবিতে দিল্লি হাই কোর্টে মামলা দায়ের, চিঠি গেল সেন্সর বোর্ডেও]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.