হাতির পছন্দ আম, কাঁঠাল, লিচুর মতো রসালো ফল। সেই ফলের টানে জঙ্গল ছেড়ে লোকালয়ে ঢুকে পড়ে হাতির দল। ফলে হাতি ও মানুষের সংঘাত কমাতে এবার লেবুজাতীয় ফলের চাষে জোর দিচ্ছে ঝাড়গ্রাম (Jhargram) জেলা উদ্যান পালন দপ্তর। লেবুর পাশাপাশি গন্ধরাজ লেবু ও মুসাম্বি চাষেও কৃষকদের উৎসাহিত করা হচ্ছে। জেলাজুড়ে প্রায় ৩০ হাজার লেবু গাছের চারা বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন:
জেলা উদ্যান পালন দপ্তরের আধিকারিক তামসী কোলে বলেন, “হাতি রসালো ফল খায়। ফলে ফলের গাছের টানে হাতির দল লোকালয়ে ঢুকে পড়ে এবং দীর্ঘ সময় এলাকায় থেকে যায়। লেবুজাতীয় গাছে কাঁটা থাকায় হাতি সাধারণত এই ধরনের গাছ এড়িয়ে চলে। পাশাপাশি এই চাষে খরচও তুলনামূলক কম।” বুধ ও বৃহস্পতিবার ঝাড়গ্রাম জেলা কালেক্টরেটে দু’দিনের প্রশিক্ষণ শিবিরের আয়োজন করা হয়। সেখানে চাষিদের হাতে-কলমে বাগান তৈরির প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। শিবিরের সূচনা করেন ঝাড়গ্রামের জেলাশাসক আকাঙক্ষা ভাস্কর ও বিধায়ক লক্ষ্মীকান্ত সাউ।
১৭ থেকে ২৫ আগস্ট পর্যন্ত পালিত হচ্ছে উদ্যান পালন সপ্তাহ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দপ্তরের স্পেশাল কমিশনার মনিরূপা ভট্টাচার্য, আধিকারিক এবং কৃষি-বিজ্ঞানীরা। জেলাজুড়ে মোট ৭৩ হাজার ১০১টি ফলের চারা বিতরণ করা হচ্ছে। নয়াগ্রাম ও বিনপুর ২ ব্লকেও চলছে চারা বিতরণ। লোধাগুলি-সহ ঝাড়গ্রামের বিভিন্ন রেঞ্জে আম, কাঁঠাল ও লিচুর গন্ধে হাতির আনাগোনা লেগেই থাকে।
সেই কারণে পতিত জমিতে লেবুজাতীয় ফলের চাষ বাড়িয়ে হাতির লোকালয়ে প্রবেশ ঠেকানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পলি হাউসে আনাজ ও ফুল চাষেও কৃষকদের উৎসাহিত করছে উদ্যান পালন দপ্তর। সরকারি ভর্তুকির সুযোগও রয়েছে। ফলের চারা, বীজ এবং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কৃষকদের স্বনির্ভর করে তোলাই দপ্তরের লক্ষ্য। হাতির হানা কমানোর পাশাপাশি বিকল্প চাষের মাধ্যমে কৃষকদের আয় বাড়ানোর দিকটিও গুরুত্ব পাচ্ছে এই উদ্যোগে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
তিন বছর পর দেশে আইপিএল নিলাম, কোন শহরে, জানিয়ে দিল বিসিসিআই
-
হাঁটুর বয়সি নায়িকার সঙ্গে মামাশ্বশুর গোবিন্দার প্রেম! ‘ঘরভাঙানিদের তোল্লাই দেবেন না’, খোঁচা কাশ্মীরার
-
চাই গম্ভীরের উত্তরসূরি! এবার ঋষভদের কোচিং করাবেন লক্ষ্মীরতন, জাতীয় দলে ডাক আসবে?
-
এক ভাইপোকে সরিয়ে আরেক ভাইপোকে গুরুদায়িত্ব, মায়াবতী বলছেন, ‘এটা তো পরিবারতন্ত্র নয়’
-
টেস্টকে বাড়তি গুরুত্ব, বিশ্বকাপের আগে ‘অর্ধেক ফিট’ ক্রিকেটার চান না গম্ভীর