Mathura

হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল জলের ট্যাঙ্ক, যোগীরাজ্যে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় বাড়ছে মৃতের সংখ্যা

ধ্বংসস্তুপের নিচে একাধিক মহিলা, শিশু চাপা পড়ে রয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১, ২০২৪, ১০:০০

options
link
হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল জলের ট্যাঙ্ক, যোগীরাজ্যে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় বাড়ছে মৃতের সংখ্যা
ছবি সংগৃহীত।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জনবসতিপূর্ণ এলাকায় হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল আস্ত জলের ট্যাঙ্ক। যোগীরাজ্য উত্তরপ্রদেশে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় ইতিমধ্যেই ২ মহিলার মৃত্যু হয়েছে। ধ্বংসস্তুপের নিচে আরও একাধিক মহিলা, শিশু চাপা পড়ে রয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ঘটনার জেরে গুরুতর আহত হয়েছেন অন্তত ১৩ জন। শুরু হয়েছে উদ্ধারকাজ।

Advertisement

সংবাদ মাধ্যম সূত্রের খবর, রবিবার সন্ধ্যে ৬টা নাগাদ মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনা ঘরে মথুরার আবাস বিকাশ পরিষদের কৃষ্ণবিহার কলোনিতে। হঠাৎ-ই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে ২.৫ লক্ষ লিটার জলধারন ক্ষমতাসম্পন্ন বিশাল ওই জলের ট্যাঙ্ক। এলাকাটি জনবসতিপূর্ণ হওয়ায় ট্যাঙ্কের নিচে চাপা পড়েন একাধিক মানুষ। যাদের মধ্যে রয়েছে শিশু ও মহিলাও। খবর পেয়ে তড়িঘড়ি উদ্ধারকাজে নামে প্রশাসন। মথুরার জেলাশাসক শৈলেন্দ্রকুমার সিং জানান, ধ্বংসস্তুপ থেকে এখনও পর্যন্ত ২ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দমকল, পুলিশ, পুরসভা ও স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকরা দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। উদ্ধারকাজে নেমেছে, ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স বা এনডিআরএফ এবং রাজ্যের এসডিআরএফ।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ভোট মিটতেই তেলের দামে ছ্যাঁকা! মহার্ঘ্য হল পেট্রোল-ডিজেল]

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আশেপাশে একাধিক বাড়ি থাকায় বাড়ির উপরই ভেঙে পড়ে ওই জলের ট্যাঙ্ক। যার জেরেই এই দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ধ্বংসস্তুপ সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এই দুর্ঘটনার জন্য উত্তরপ্রদেশে প্রবল বৃষ্টিকে দায়ী করছে প্রশাসন। মথুরার সিনিয়র সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশ কুমার পাণ্ডে বলেন, অতিভারি বৃষ্টির জেরে নিজের মাটি আলগা হয়ে যাওয়ার জন্যই হয়ত ভেঙে পড়েছে ট্যাঙ্কটি। আপাতত উদ্ধারকাজ চলছে। এনডিআরএফ ও এসডিআরএফ উভয়েই উদ্ধারকাজে হাত লাগিয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.