Air Chief Marshal

‘বিন্দুমাত্র ভরসাযোগ্য নয়’, বায়ুসেনা প্রধানের কোপে তেজস প্রস্তুতকারী সংস্থা HAL

বিতর্কের মাঝেই মুখ খুললেন 'হ্যাল' কর্তা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৫, ১৪:০৬

options
link
‘বিন্দুমাত্র ভরসাযোগ্য নয়’, বায়ুসেনা প্রধানের কোপে তেজস প্রস্তুতকারী সংস্থা HAL

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতের বিমান প্রস্তুতকারী সংস্থা হিন্দুস্থান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড বা HAL-এর উপর চরম ক্ষুব্ধ দেশের বায়ুসেনা প্রধান। বিমান সরবরাহে দেরির অভিযোগে তেজস যুদ্ধবিমান প্রস্তুতকারী এই সংস্থার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে বায়ুসেনা প্রধান এপি সিং জানিয়ে দিলেন, ‘এরা বিন্দুমাত্র ভরসাযোগ্য নয়।’ তাঁর এহেন মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই জল্পনা চরম আকার নিয়েছে।

Advertisement

মঙ্গলবার বেঙ্গালুরুতে ইয়ালেহাঙ্কা বায়ুসেনা ঘাঁটিতে ‘অ্যারো ইন্ডিয়া ২০২৫’-এ যোগ দিয়েছিলেন বায়ুসেনার প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল এপি সিং। সেখানেই বিমান প্রস্তুতকারী ভারতীয় সংস্থা হ্যাল-এর সমালোচনা করে বলেন, “এই মুহূর্তে হ্যালের উপর আমাদের বিন্দুমাত্র ভরসা নেই। বিষয়টা অত্যন্ত দুঃখজনক এটাই সত্য। আমাদের প্রয়োজন মেটানো ও নিজেদের বিশ্বাসযোগ্যতা ফেরানোর দায় ওই সংস্থার নিজের। আমাদের যাতে বিশ্বাস ফেরে সেই উদ্যোগ নেওয়া উচিত সংস্থার।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এই বিতর্কের নেপথ্যে মূল কারণ হল ময়মমতো বায়ুসেনাকে বিমান সরবরাহ করছে না হ্যাল। অভিযোগ, বেশ কয়েক বছর আগে ৪০টি তেজস মার্ক-১ সিরিজের যুদ্ধবিমান সরবরাহের বরাত দিয়েছিল বায়ুসেনা। পরে ৮৩টি তেজস কেনার জন্য হ্যালকে বরাত দেওয়া হয়েছে। তবে পূর্বনির্ধারিত সময় অনুযায়ী সেই বিমান সরবরাহ হয়নি। সবকটি বিমান এখনও পায়নি বায়ুসেনা। গত মাসেও ভারতীয় বায়ুসেনার এক আলোচনাসভায় এই ইস্যুতে মুখ খুলেছিলেন এয়ার চিফ মার্শাল। তিনি অভিযোগ করেন, অনেক আগে বরাত দেওয়া হলেও হ্যাল এখনও তেজস মার্ক-টু যুদ্ধবিমান দেয়নি বায়ুসেনাকে। আসলে ‘উড়ন্ত কফিন’ নামে পরিচিত মিগ বিমানের পরিবর্ত হিসেবে বায়ুসেনায় ব্যাপকভাবে তেজসের অন্তরভুক্তি চাইছে বায়ুসেনা। তবে হ্যালের বিলম্বের কারণে প্রতি মুহূর্তে সমস্যা বাড়ছে।

Advertisement

এদিকে বায়ুসেনা প্রধানের এমন বিস্ফোরক অভিযোগের পর মুখ খুলেছে হ্যাল। এই ঘটনার জন্য অতীতের প্রতিবন্ধকতাকে দায়ী করেছেন সংস্থার সিএমডি ডিকে সুনীল। বায়ুসেনা প্রধানকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, “১৯৯৮ সালে পরমাণু পরীক্ষার পর আমাদের আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে নানা নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হয়েছে আমাদের সংস্থাকে। যার প্রভাব পড়েছে বিমান তৈরির ক্ষেত্রে। একেবারে শুরু থেকে সবকিছু করতে হচ্ছে আমাদের। যার ফলে অনেক বেশি কসরত করতে হয় আমাদের। ফলে বিলম্বের কারণকে আলস্য বলে দাগিয়ে দিতে পারেন না আপনি।” একইসঙ্গে বলেন, “বায়ুসেনা প্রধানের উদ্বেগ আমি বুঝি। এই সমস্যার জেরে ওনার স্কোয়াড্রেনের শক্তি কমছে। কিন্তু আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি আমরা আমাদের পরিকাঠামো শীঘ্রই তৈরি করে নেব। এবং এই সমস্যার কথা বহুবার আমরা জানিয়েছি।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন