Namaz on private land

সরকারি জমি দখল করে নমাজ পড়া কি আইনসিদ্ধ? বড়সড় সিদ্ধান্ত এলাহাবাদ হাই কোর্টের

উত্তরপ্রদেশের সম্ভল জেলার ইকোন গ্রামের এক ব্যক্তির দাবি ছিল, তিনি তাঁর নিজের মালিকানার জমিতে জমায়েত করে নমাজ পড়তে চান। সেজন্য নিরাপত্তা প্রয়োজন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২, ২০২৬, ১৬:১৮

options
link
সরকারি জমি দখল করে নমাজ পড়া কি আইনসিদ্ধ? বড়সড় সিদ্ধান্ত এলাহাবাদ হাই কোর্টের
ফাইল ছবি।

সরকারি বা সর্বসাধারণের ব্যবহারের জমি কোনও বিশেষ ধর্মীয় কার্যকলাপের জন্য স্থায়ী বা বারবার ব্যবহারের জন্য দখল করা যাবে না। নমাজ পড়া নিয়ে একটি মামলায় ঐতিহাসিক রায় এলাহাবাদ হাই কোর্টের। আদালত সাফ বলে দিচ্ছে, ভারতের সংবিধান যে কোনও ব্যক্তিকে ধর্মাচরণের স্বাধীনতা দেয়। কিন্তু জনস্বার্থ বা সামাজিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে কেউ ধর্ম পালন করতে পারে না।

Advertisement

উত্তরপ্রদেশের সম্ভল জেলার ইকোন গ্রামের এক ব্যক্তির দাবি ছিল, তিনি তাঁর নিজের মালিকানার জমিতে জমায়েত করে নমাজ পড়তে চান। সেজন্য নিরাপত্তা প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট জমিটি তাঁর ব্যক্তিগত সম্পত্তি এবং সেখানে নামাজ পড়ার ক্ষেত্রে প্রশাসন যাতে কোনও বাধা না দেয়, সেই আর্জি জানিয়েছিলেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, নিজের জমিতে ধর্মপালনের জন্য তাঁকে প্রশাসনের অনুমতি নিতে হবে কেন? পালটা সরকারের যুক্তি ছিল, ওই জমির মালিকানা সংক্রান্ত কোনও জোরালো প্রমাণ বা নির্দিষ্ট খতিয়ান দিতে পারেননি। তাছাড়া রীতি অনুযায়ী ওই জমিতে ইদের দিন নমাজ পড়া হয়। তাতে কেউ বাধা দেয়নি। কিন্তু আবেদনকারী এখন বাইরের লোক ডেকে সেখানে নিয়মিত জমায়েত করতে চাইছেন, সেটা এলাকার সম্প্রীতি এবং সামাজিক ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ওই মামলায় বিচারপতি গরিমা প্রসাদ এবং বিচারপতি সরল শ্রীবাস্তবের ডিভিশন বেঞ্চ, ওই ব্যক্তির আর্জি খারিজ করে দিয়েছে। আদালতের বক্তব্য, ব্যক্তিগত উপাসনা এবং সংগঠিত ধর্মীয় জমায়েতের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। ঘরোয়া পরিবেশে ব্যক্তিগত জায়গায় পরিবারের লোকেদের নিয়ে ধর্মপালনের পূর্ণ স্বাধীনতা কোনও ব্যক্তির রয়েছে। তবে সেই প্রার্থনা যখন বড় আকার নেয় এবং সেখানে জনসমাবেশ ঘটে, তখন সেটা আইনশৃঙ্খলার প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ায়। সেক্ষেত্রে জনস্বার্থ ও শৃঙ্খলার খাতিরে রাষ্ট্র তা নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা রাখে।

Advertisement

আদালত স্পষ্ট বলছে, সরকারি বা সর্বসাধারণের ব্যবহারের জমি ধর্মীয় কার্যকলাপের জন্য স্থায়ীভাবে দখল করা যায় না। তাছাড়া কোনও ধর্মীয় জমায়েতে অশান্তি হতে পারে, এই আশঙ্কা থাকলে সেটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে প্রশাসন। আদালত সাফ বলছে, সংবিধানের ২৫ নম্বর অনুচ্ছেদে বর্ণিত ধর্মীয় স্বাধীনতা কখনোই জনস্বাস্থ্য, নৈতিকতা এবং জনশৃঙ্খলার ঊর্ধ্বে নয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.