Munger

ভাসানে পুলিশি বর্বরতার জের, মুঙ্গেরের জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারকে সরাল নির্বাচন কমিশন

বর্বরতার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ অব্যাহত ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩০, ২০২০, ১৬:৪৫

options
link
ভাসানে পুলিশি বর্বরতার জের, মুঙ্গেরের জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারকে সরাল নির্বাচন কমিশন

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দুর্গা প্রতিমা বিসর্জন ঘিরে রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল মুঙ্গের (Munger)। পুলিশের গুলিতে প্রাণ গিয়েছিল এক যুবকের। সোমবার রাতের সেই ঘটনায় মুঙ্গেরের জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন (ECI)। এদিকে বৃহস্পতিবারই মহকুমা শাসক ও পুলিশ সুপারের অফিসে চড়াও হয় উত্তেজিত জনতা। ভাঙচুরের পর দুই অফিসে আগুন ধরিয়ে দেয় তারা। এলাকায় শান্তি ফেরাতে টহল দিচ্ছে পুলিশ।

Advertisement

এক প্রেস রিলিজে বিহারের চিফ ইলেক্টোরাল অফিসার জানান, “মুঙ্গেরের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট এলাকার জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারকে দ্রুত সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।” নির্দেশ মতো এদিন সকালেই মুঙ্গেরের জেলাশাসক রাজেশ মীনা ও এসপি লিপি সিংকে সরিয়ে দেওয়া হয়। ECI জানিয়েছে, মগধের ডিভিশনাল কমিশনার আসঙ্গা চৌবের নেতৃত্বে গোটা ঘটনার তদন্ত হবে। সাতদিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করে রিপোর্ট জমা করতে হবে। উল্লেখ্য, বিহারে বিধানসভা নির্বাচন চলছে। তাই আপাতত সে রজ্যের আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে রয়েছে নির্বাচন কমিশন। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন : ‘পুলিশকে জেনারেল ডায়ার হওয়ার নির্দেশ দিল কে?’ মুঙ্গের কাণ্ডে সরব তেজস্বী]

এদিকে, পুলিশি বর্বরতার প্রতিবাদে মুঙ্গেরে বিক্ষোভ অব্যাহত। এদিন বিক্ষোভ চলাকালীন মহকুমা শাসক ও এসপির অফিসে ভাঙচুর চালায় উত্তেজিত জনতা। বেশকিছু জায়গায় আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। সবমিলিয়ে এখনও উত্তপ্ত বিহারের মুঙ্গের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় টহল দিচ্ছে পুলিশ। বিহারের এডিজি জিতেন্দ্র কুমার জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্ত চলছে।

[আরও পড়ুন : অমিত শাহর কাছে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নালিশ, ধনকড়ের আচরণে ক্ষুব্ধ শাসকদল]

প্রসঙ্গত, সোমবার অর্থাৎ দশমীর দিন দুর্গা প্রতিমা বিসর্জনের সময় রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় মুঙ্গের। অভিযোগ, পুলিশ শোভাযাত্রার উপর এলোপাথারি লাঠি চালায় ও পরে গুলি ছোঁড়ে। তাতে একজনের মৃত্যু হয়।  ৩০ জন জখম হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পুলিশের দাবি, দ্রুত শোভাযাত্রা শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিল তাঁরা। তারপরই শোভাযাত্রার মধ্যে থাকা দুষ্কৃতীরা গুলি চালায়। যদিও ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে পুলিশকেই লাঠিপেটা করতে ও গুলি চালাতে দেখা গিয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন