Red Fort Blast

দিল্লি বিস্ফোরণে তদন্তের দায়িত্বে NIA, উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে শাহ

একাধিক রাজ্যের সঙ্গে এই বিস্ফোরণের যোগ পাওয়া গিয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১১, ২০২৫, ২০:০৩

options
link
দিল্লি বিস্ফোরণে তদন্তের দায়িত্বে NIA, উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে শাহ
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লালকেল্লার কাছে হওয়া বিস্ফোরণের তদন্তে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে তদন্তের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে এনআইএ-র হাতে। মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তাঁর বাসভবনে স্বরাষ্ট্রসচিব, আইবি ডিরেক্টর, এনআইএ-র ডিজি, দিল্লির পুলিশ কমিশনার-সহ (জম্মু ও কাশ্মীরের পুলিশকর্তা যোগ দিয়েছিলেন ভার্চুয়ালি) অন্যান্য আধিকারিকরাদের সঙ্গে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে বসেছিলেন। সেখানেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একাধিক রাজ্যের সঙ্গে এই বিস্ফোরণের যোগ পাওয়া গিয়েছে। যার জেরেই এমন পদক্ষেপ।

Advertisement

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যাচ্ছে, সকালের বৈঠকে শীর্ষ নিরাপত্তা আধিকারিকরা তদন্ত নিয়ে বিস্তারিত আপডেট তুলে ধরেন। এরপর বিকেলের বৈঠকেও তাঁরা উপস্থিত ছিলেন। সেখানে তদন্তের সর্বশেষ আপডেটও তুলে ধরা হয়। এদিকে দায়িত্ব পাওয়ার পরই এনআইএ তদন্ত শুরু করে দিয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উল্লেখ্য, একদিন আগেই দিল্লিতে বিস্ফোরণে অন্তত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। জঙ্গি হামলা হিসেবে ঘোষণা না করা হলেও তদন্তের গতিপথ সেদিকেই ইঙ্গিত করছে। এমনকী, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এদিন ভুটান থেকে পরিষ্কার জানিয়েছেন, ষড়যন্ত্রকারীদের কাউকেই রেহাই দেওয়া হবে না। সূত্রের খবর, হামলার নেপথ্যে রয়েছে জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ। যদিও কোনও জঙ্গি গোষ্ঠী এখনও পর্যন্ত হামলার দায়স্বীকার করেনি। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, বিস্ফোরণের আগে সুনহেরি মসজিদের পার্কিং লটে ৩ ঘণ্টা অপেক্ষা করছিল গাড়িটি। ঘাতক গাড়ির সূত্র ধরে ইতিমধ্যেই আটক করা হয়েছে দুই সন্দেহভাজনকে।

Advertisement

এদিকে বিস্ফোরণের আগে ঘাতক গাড়িটি প্রায় ৩ ঘণ্টা ধরে দাঁড়িয়ে ছিল। পুরো বিষয়টিই খতিয়ে দেখতে গিয়ে দেখা যাচ্ছে, ২০১৪ সালের ১৮ মার্চ গাড়িটি প্রথমবার বিক্রি হয়। কেনেন জনৈক সলমন। পরে তিনি গাড়িটি দিয়ে দেন দেবেন্দ্রকে। তবে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া ছাড়াই। পরে সেখান থেকে মালিকানা বদল হয় সোনুর কাছে। এরপর গাড়িটি যায় তারিকের কাছে। কিন্তু গাড়ির রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটে কোনও বদল হয়নি। তবে এই প্রক্রিয়ায় ফরিদাবাদের এক গাড়ি বিক্রেতার নামও জড়িয়ে গিয়েছে। ফরিদাবাদ থেকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে নাদিম খান নামের ওই ব্যক্তিকে। তাঁকে জেরা করেই তারিকের কথা জানতে পারেন তদন্তকারীরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.