কংগ্রেস সদর দপ্তরে ‘বন্দে মাতরম’ গাইতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর বিরুদ্ধে। যা ঘিরে দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়ে গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সোনিয়াকে তোপ দাগলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বললেন, “এই অপরাধের ক্ষমা নেই।” পাশাপাশি, হাত শিবিরকে ‘নির্লজ্জ’ বলেও কটাক্ষ করেন তিনি। অন্যদিকে, ‘বন্দে মাতরম’-এর অপমানের অভিযোগে সোনিয়া এবং কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে দিল্লির একটি থানায় দায়ের হয়েছে অভিযোগও।
আরও পড়ুন:
রবিবার রাজস্থানের চিত্তোরগড়ে একটি জনসভায় যোগ দিয়েছিলেন শাহ। সেখানে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “ওদের (কংগ্রেসের) নির্লজ্জতা দেখুন। কংগ্রেসের সদর দপ্তরে বন্দে মাতরম গাওয়া হচ্ছিল। সেই সময় সোনিয়া কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেকে গানটি থামানোর কথা বলেন।” তিনি আরও বলেন, “আমরা সবাই টেলিভিশনে দেখেছি। সোনিয়া জি, ১৪০ কোটি মানুষ আপনাকে দেখছে। আপনি যে পাপ করেছেন, দেশের মানুষ তা কখনই ক্ষমা করবে না। বন্দে মাতরম গানটিকে অসম্পূর্ণ রেখে দেওয়ার কথা কেউ কীভাবে ভাবতেও পারে? কংগ্রেসের লজ্জা হওয়া উচিত।” তাঁর দাবি, ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতির উপর কংগ্রেসের নির্ভরতা তাদের জাতীয় স্তোত্রের সঙ্গে জড়িত আত্মত্যাগের কথা ভুলিয়ে দিয়েছে। শাহের কথায়, “হাজার হাজার মানুষ হাসিমুখে ফাঁসির মঞ্চ বরণ করে নিয়েছেন। গুলি-লাঠিচার্জের মুখোমুখি হয়েছেন। বছরের পর বছর কারাবাস সহ্য করেছেন। কংগ্রেসের যদি বিন্দুমাত্র লজ্জা অবশিষ্ট থাকে, তাহলে তাঁদের উচিত হাতজোড় করে বঙ্কিমবাবু ও দেশের মানুষের কাছে ক্ষমা চাওয়া।”
অন্যদিকে, সোনিয়ার নিন্দায় সরব হয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতীন নবীনও। তিনি তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘এটি প্রমাণিত স্বাধীনতার আট দশক পরেও কংগ্রেসের কাছে বন্দে মাতরমের প্রতি কোনও সম্মান নেই। কংগ্রেস সদর দপ্তরে জাতীয় স্তোত্র গাওয়ার সময়, সোনিয়া তা থামানোর ইঙ্গিত করেন। এটি কোনও কাকতালীয় ঘটনা নয়; বরং এটি কংগ্রেসের বিকৃত মানসিকতার এক তিক্ত সত্য।’
एक बार फिर साबित हो गया कि आज़ादी के आठ दशक बाद भी कांग्रेस का ‘वंदे मातरम्’ के प्रति कोई सम्मान नहीं है। कांग्रेस मुख्यालय में जब राष्ट्रगीत गाया जा रहा था, तब सोनिया गांधी जी ने उसे रोकने का इशारा किया। यह कोई संयोग नहीं, बल्कि कांग्रेस की विकृत सोच का कड़वा सच है। जो पार्टी…
— Nitin Nabin (@NitinNabin) August 16, 2026
শনিবার স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে কংগ্রেসের সদর দপ্তরে উপস্থিত হয়েছিলেন সোনিয়া, রাহুল গান্ধী, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে-সহ হাত শিবিরের শীর্ষ নেতারা। ভাইরাল একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে জাতীয় স্তোত্র ‘বন্দে মাতরম’ পরিবেশন করছেন কয়েকজন তরুণী। সেই সময় সোনিয়া এমন কিছু অঙ্গভঙ্গি করেন, যা দেখে মনে হচ্ছে তিনি কর্মীদের ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়া বন্ধের নির্দেশ দিচ্ছেন। এরপর রাহুলকেও একই ধরনের অঙ্গভঙ্গি করতে দেখা যায়। সেই দৃশ্য সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হতেই সমালোচনার ঝড় উঠেছে। জাতীয় গানের প্রতি অসম্মানের অভিযোগে সরব হয়েছে গেরুয়া শিবির। সেই ঘটনার এবার নিন্দা করলেন শুভেন্দু।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
শিবপুর বিই কলেজে শ্যামাপ্রসাদের নামে হস্টেল, উদ্বোধনে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত
-
মাত্র ২৭ বছরেই চিরবিদায়, প্রয়াত ‘ঘোস্ট’ অভিনেত্রী অনন্যা রাজ
-
বৈভবের ছায়ায় ঢাকা, আচরণেও সমস্যা! রাজস্থান ছাড়ছেন যশস্বী? কিনতে আগ্রহী এক ফ্র্যাঞ্চাইজি
-
১৩ বছরের টানাপোড়েন থেকে মুক্তি, সোমবার থেকেই জাইকার জল পুরুলিয়ায়
-
‘নালসার’ পর আরও এক আইন কলেজ, সমাবর্তনে প্রধান বিচারপতিকে আমন্ত্রণে আপত্তি শিক্ষার্থীদের