WHO

মতপার্থক্যের জের! বিশ্ব কোভিড বৈঠকে WHO পুনর্গঠনে গুরুত্ব মোদির

মোদি বলেন, অসম্ভবকে সম্ভব করে দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ নাগরিককে টিকা দেওয়া হয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৩, ২০২২, ০৮:৫৯

options
link
মতপার্থক্যের জের! বিশ্ব কোভিড বৈঠকে WHO পুনর্গঠনে গুরুত্ব মোদির

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দ্বিতীয় গ্লোবাল কোভিড সামিটে বৃহস্পতিবার যোগ দিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) । ওই সামিটে আছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (Joe Biden)। আছেন রাষ্ট্রসংঘের (UN) মহাসচিব, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) ডিরেক্টর জেনারেলও।

Advertisement

নিজের ভাষণে পৃথিবীর মানুষের স্বাস্থ্যের নিরাপত্তার স্বার্থে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা হু-র পরিকাঠামো পুনর্গঠনের উপর জোর দেন মোদি। সেইসঙ্গে বলেন যে এ ব্যাপারে ভারত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে প্রস্তুত। কোভিড-লড়াইয়ে টিকার জোগান দিয়ে লড়াই করছে ভারত। সস্তায় টিকার পাশাপাশি ওষুধ, সস্তায় কোভিড পরীক্ষার পরিকাঠামো, কোভিড জিনোম সার্ভিলেন্সের কাজও ভারত করে চলেছে। সেসব নিজের ভাষণে উল্লেখ করে মোদি বলেন অসম্ভবকে সম্ভব করে দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ নাগরিককে টিকা দিয়েছে ভারত।

Advertisement

[আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রীর পুরস্কারপ্রাপ্তি নিয়ে অশালীন পোস্ট, ইউটিউবার রোদ্দুর রায়ের বিরুদ্ধে FIR]

মোদি জোরের সঙ্গে বলেন, মানবকেন্দ্রিক লড়াই চালানো হয়েছে বলেই ভারত পরাস্ত করতে পেরেছে এই মহামারীকে। কোভিডের মুখোমুখি হয়ে দেহে রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ভারতের নানা সনাতনী চিকিৎসা পদ্ধতি কেমন কাজে এসেছে সেকথাও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। এদিকে, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর জোট আসিয়ানের নেতাদের সঙ্গে ১২ ও ১৩ মে দুই দিনব্যাপী সম্মেলনে মিলিত হলেন বৃহস্পতিবার। হোয়াইট হাউসে আয়োজিত এই সম্মেলনে প্রাধান্য পাচ্ছে চিনের সঙ্গে বাণিজ্য ও সম্পর্ক, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনের মতো বিষয়গুলি।

Advertisement

উল্লেখ্য, সম্প্রতি দেশে করোনায় (Coronavirus) আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা নিয়ে হু ও ভারতের মধ্যে তীব্র মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। সরকারি হিসেবে এখনও পর্যন্ত ২০২০ ও ২০২১ মিলিয়ে দেশে করোনায় মারা গিয়েছেন ৪ লক্ষ ৮০ হাজার মানুষ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দাবি, সংখ্যাটা আসলে অন্তত ৪৭ লক্ষ! অর্থাৎ সরকারি হিসেবের ১০ গুণ! এই দাবি খারিজ করে দিয়েছে নয়াদিল্লি। প্রসঙ্গত, প্রথম থেকেই ‘হু’-এর গণনাপদ্ধতিতে আপত্তি জানিয়েছে ভারত। কেন্দ্রের প্রশ্ন ছিল, কী করে একই মডেল ভারতের মতো ভৌগলিক আকার ও জনসংখ্যার দেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হওয়ার পাশাপাশি অল্প জনসংখ্যার দেশের ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করা যাবে। সকলের জন্য এক গণনাপদ্ধতিতে হিসেবে ভ্রান্তি আসতে পারে বলেই জানিয়েছিল ভারত।

[আরও পড়ুন: ডাক্তার হয়ে দৃষ্টিহীন বাবার চিকিৎসা করতে চাই, ছাত্রীর কথা শুনে আবেগে গলা বুজে এল মোদির]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.