Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
Bangladesh

ইসলামিক হুজুগে ‘মুসলিম ন্যাটো’য় এন্ট্রি চায় ঢাকা? বিস্ফোরক দাবি বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রীর

ইসলামি দেশগুলিকে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে একছাতার তলায় আনতে তৈরি হয়েছে 'মক্কা চুক্তি' বা 'মুসলিম ন্যাটো'। আপাতত এই চুক্তিতে সই করেছে ৩ দেশ, সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৭, ২০২৬, ২১:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৭, ২০২৬, ২১:০২

options
link
ইসলামিক হুজুগে ‘মুসলিম ন্যাটো’য় এন্ট্রি চায় ঢাকা? বিস্ফোরক দাবি বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রীর zoom
'মুসলিম ন্যাটো'য় এন্ট্রি চায় ঢাকা?
Advertisement

ইসলামি দেশগুলিকে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে একছাতার তলায় আনতে তৈরি হয়েছে ‘মক্কা চুক্তি’ বা ‘মুসলিম ন্যাটো’। আপাতত এই চুক্তিতে সই করেছে ৩ দেশ, সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান। এবার মৌলবাদে ডুবে থাকা বাংলাদেশ চাইছে মুসলিম ন্যাটোয় যোগ দিতে! বৃহস্পতিবার এমনই ইঙ্গিত দিলেন বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান। তিনি জানালেন, “আমন্ত্রণ পেলে মক্কা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে বাংলাদেশ।”

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের সংসদ অধিবেশন চলাকালীন এই বিষয়ে প্রশ্ন উঠলে দেশটির বিদেশমন্ত্রী বলেন, “আমাদের মনে রাখতে হবে, এই চুক্তি যদি বিস্তৃত হয় তবে তা হবে মুসলিম সমাজের আত্মরক্ষার একটি ব্যবস্থা। এটি আমাদের মুসলিম পরিবারের অভ্যন্তরীণ বিষয়। সুতরাং, এটি নিয়ে অন্য কারও উদ্বেগের কোনো অবকাশ নেই।” এর আগে বাংলাদেশের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যের ইসলামি দেশগুলোর মধ্যে যদি কোনও নিরাপত্তা চুক্তি হয়, তবে আমাদের সেখানে অংশগ্রহণের বিষয়টি বিবেচনা করা অস্বাভাবিক নয়। এটিকে ইতিবাচকভাবেই দেখা হচ্ছে।”

Advertisement

বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী বলেন, “আমাদের মনে রাখতে হবে, এই চুক্তি যদি বিস্তৃত হয় তবে তা হবে মুসলিম সমাজের আত্মরক্ষার একটি ব্যবস্থা।”

ওয়াকিবহাল মহলের মতে, বাংলাদেশ যদি সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তানের এই জোটে যোগ দেয় ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হতে পারে। রয়টর্সের দাবি অনুযায়ী, বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘ বছর ধরে সুসম্পর্ক ভারতের। সাম্প্রতিক সময়ে হাসিনা ইস্যুতে সেই সম্পর্কে কিছুটা চিড় ধরেছে। সম্প্রতি ব্রিকস সম্মেলন উপলক্ষে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারতে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল দিল্লি। তবে সে বিষয়ে কোনও উচ্চবাচ্য করেনি ঢাকা, বরং জানানো হয়েছে, ভারত সফর নিয়ে বিশেষ তাড়া নেই প্রধানমন্ত্রীর। এই অবস্থায় বাংলাদেশ যদি মুসলিম ন্যাটোয় যোগ দেয় তবে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও খারাপ দিকে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত ৭ আগস্ট সৌদি, পাকিস্তান ও তুরস্কের রাষ্ট্র প্রধানদের উপস্থিতিতে মক্কায় স্বাক্ষরিত হয় এক সামরিক চুক্তি। ইসলামিক ন্যাটো নামের এই ইসলামিক জোটের মূল শর্ত হল, যদি এই তিন দেশের কোনও একটিতে হামলা হয়, তবে বাকি দুই দেশ এই হামলাকে নিজেদের উপর হামলা হিসেবে গণ্য করবে। সেই হিসেবে এই জোটের নিশানায় পাকিস্তানের উলটো দিকে রয়েছে ভারত, তুরস্কের উলটো দিকে রয়েছে গ্রিস ও সাইপ্রাস। এছাড়া জোটের প্রধান নিশানা থাকবে ইরান, ইজরায়েলের মতো দেশের দিকে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.