Migrant Workers

শ্রমমন্ত্রকের হাতে তথ্য নেই! অথচ পরিযায়ী শ্রমিকদের মৃত্যুর খতিয়ান দিল রেল

কেন্দ্রের দুই মন্ত্রকের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২০, ১৬:২৪

options
link
শ্রমমন্ত্রকের হাতে তথ্য নেই! অথচ পরিযায়ী শ্রমিকদের মৃত্যুর খতিয়ান দিল রেল

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পরিযায়ী শ্রমিকের (Migrant Workers) মৃত্যুর তথ্য শ্রমমন্ত্রকের হাতে নেই, আছে রেলমন্ত্রকের কাছে। রেল জানাল, সেপ্টেম্বরের ৯ তারিখ পর্যন্ত শুধু ‘শ্রমিক স্পেশ্যাল’ (Shramik Special) ট্রেনে যাতায়াত করাকালীনই ৯৭ জন পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। অথচ দিন পাঁচেক আগেই সংসদে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী সন্তোষ কুমার গাঙ্গোয়ার জানিয়েছিলেন, লকডাউনের সময় কতজন শ্রমিক মারা গিয়েছে, তা নিয়ে কেন্দ্রের কাছে কোনও বিস্তারিত তথ্য নেই। এরপর রেলের তথ্য হাতে পেয়ে যথারীতি তীব্র সমালোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

Advertisement

চলতি সপ্তাহে সংসদ শুরুর দিনই লোকসভায় আলোচনার অন্যতম ইস্যু ছিল লকডাউন এবং পরিযায়ী শ্রমিক। লকডাউনে বাড়ি ফিরতে গিয়ে কতজন পরিযাযী শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে, তাঁদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণের কী ব্যবস্থা – এসব প্রশ্ন তোলেন বিরোধীরা। জানতে চাওয়া হয়, কেন্দ্রের কাছে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য আছে কি না। তাতে শ্রমমন্ত্রকের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী সন্তোষ কুমার গাঙ্গোয়ার জানান যে, লকডাউনের সময় কতজন শ্রমিক মারা গিয়েছে, তা নিয়ে কেন্দ্রের কাছে কোনও বিস্তারিত তথ্য নেই। তাই ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কোনও প্রশ্নই উঠছে না।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: চিনকে গোপন তথ্য পাচার! গ্রেপ্তার দিল্লির সাংবাদিক-সহ মোট তিন]

এরপর এ নিয়ে শুক্রবার ফের রাজ্যসভায় আলোচনা হয়। তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন শ্রমিক স্পেশ্যালে পরিযায়ীদের মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন করেন। জানতে চান পরিসংখ্যান। তার জবাব দিতে গিয়ে রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল জানান, ”ট্রেনে সফরকালীন ৯৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এঁদের মধ্যে ৮৭ জনের দেহ সংশ্লিষ্ট রাজ্য পুলিশ উদ্যোগ নিয়ে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে। ৫১টি রিপোর্ট হাতে এসেছে। তাতে দেখা গিয়েছে, মৃত্যুর কারণ হয় হৃদরোগ, নয়ত মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ, অথবা আগে থেকে কোনও জটিল রোগ, যেমন – ফুসফুস অথবা যকৃতের সমস্যা।” আরপিএফ থেকে পাওয়া সূত্রে এও জানা গিয়েছে, এর মধ্যে ৮০ জনেরই মৃত্যু হয়েছে মে ৯ থেকে মে ২৭’র মধ্যে। ফলে, পরিযায়ী শ্রমিকের মতো একটি স্পর্শকাতর ইস্যুতে কেন্দ্রের বিভিন্ন মন্ত্রকের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব ফের স্পষ্ট হল রেলমন্ত্রীর জবাবে। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: করোনা আবহে বাড়তে চলেছে ট্রেনের টিকিটের দাম, এবার ‘ইউজার ফি’ নেবে রেল]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন