Azam Khan

জেলাশাসককে দিয়ে ‘জুতো সাফ’ করানোর হুমকি, আজম খানকে ২ বছরের কারাদণ্ড আদালতের

উত্তরপ্রদেশের বাহুবলি নেতা আজম খান। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগও ভুরিভুরি। ২০১৯ সালে ভুয়ো জন্ম শংসাপত্র মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে জেলবন্দি হয়েছিলেন আজম খান। ৭ বছরের সাজা হয় তাঁর।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৬, ২০২৬, ২০:০২

options
link
জেলাশাসককে দিয়ে ‘জুতো সাফ’ করানোর হুমকি, আজম খানকে ২ বছরের কারাদণ্ড আদালতের
উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন সাংসদ আজম খান। ফাইল ছবি।

সময় ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচন। প্রচারে বেরিয়েছিলেন সমাজবাদী পার্টির প্রার্থী আজম খান। রোড শো থেকে জেলা শাসককে উদ্দেশ্য করে কুকথার ফুলঝুরি ছুটেছিল তাঁর মুখে। কড়া সুরে তিনি বলেন, ‘এঁরা বেতনভুক। ইনসাআল্লাহ এদের দিয়ে জুতো সাফ করাব।’ ৭ বছর সময় লাগলেও সেই মন্তব্যের ফল ভুগলেন আজম খান। এই মামলায় শনিবার এমপি, এমএলএ কোর্ট আজমকে দোষী সাব্যস্ত করে ২ বছরের কারাদণ্ড দিল। পাশাপাশি ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে তাঁকে।

Advertisement

ঠিক কী বলেছিলেন আজম খান (Azam Khan)? ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচন উপলক্ষে রোড শোতে বেরিয়ে তৎকালীন জেলাশাসককে উদ্দেশ্য করে আজম খান বলেন, ‘এঁরা বেতনভুক। এদের ভয় পাবেন না। এখন যাদের সঙ্গে এদের জোট রয়েছে তাঁরা এদের দিয়ে জুতো পরিষ্কার করায়। ইনসাআল্লাহ নির্বাচনের পর এদের দিয়ে জুতো সাফ করাব।’ আজমের সেই মন্তব্যের ভিডিও সোশাল মিডিয়ায়ভাইরাল হতেই বিতর্ক চরম আকার নেয়। দিল্লির নির্বাচন কমিশনের তরফে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে গোটা ঘটনার রিপোর্ট তলব করা হয়। এই ঘটনায় রাজ্য নির্বাচন কমিশন জেলা কমিশনের কাছে রিপোর্ট তলব করে এবং তদন্তের নির্দেশ দেয়। এরপর তৎকালীন জেলাশাসক তথা বর্তমানে মোরাদাবেদের কমিশনার অঞ্জনেয় কুমার সিং থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

Advertisement

আজম খান বলেছিলেন, ‘এঁরা বেতনভুক। এদের ভয় পাবেন না। এখন যাদের সঙ্গে এদের জোট রয়েছে তাঁরা এদের দিয়ে জুতো পরিষ্কার করায়। ইনসাআল্লাহ নির্বাচনের পর এদের দিয়ে জুতো সাফ করাব।’

এরপরই আজম খানের বিরুদ্ধে মামলা শুরু হয় এমপি, এমএলএ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে। গত ৭ বছর ধরে মামলা চলার পর শনিবার এই মামলায় আজমকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত। এবং ২ বছরের কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। উল্লেখ্য, উত্তরপ্রদেশের বাহুবলি নেতা আজম খান। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগও ভুরিভুরি। ২০১৯ সালে ভুয়ো জন্ম শংসাপত্র মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে জেলবন্দি হয়েছিলেন আজম খান। ৭ বছরের সাজা হয় তাঁর। পাশাপাশি আজমের স্ত্রী তানজিন ফাতিমা ও ছেলে আবদুল্লা আজমকেও ওই মামলায় ৭ বছরের সাজা শুনিয়েছিল আদালত।

Advertisement

পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশে সমাজবাদী পার্টির শাসনকালে আসরা আবাস প্রকল্পে বিরাট দুর্নীতির অভিযোগে ১০ বছরের কারাদণ্ড হয়েছিল এই নেতার। তবে ২ বছর জেল খাটার পর ২০২৫ সালে সেই মামলায় উত্তরপ্রদেশের ১০ বারের বিধায়ককে জামিন দেয় আদালত। ২৩ মাস পর গত ২৩ সেপ্টেম্বর সীতাপুর জেল থেকে মুক্তি পান তিনি। জেল থেকে বের হলেও নতুন করে ফের বিপাকে পড়লেন আজম খান।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.