Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৭ আগস্ট ২০২৬
PM Modi

বিদেশ সফর নিয়ে ভুয়ো খবর! সংবাদমাধ্যমকে বেনজির ‘ফ্যাক্ট চেক’ খোদ প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী ফ্যাক্ট চেক করার পরই ওই সংবাদমাধ্যম নিজেদের প্রতিবেদনটি সরিয়ে দেয়। আলাদা করে দুঃখপ্রকাশও করা হয় ওই সংবাদমাধ্যমের তরফে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৬, ২০২৬, ১৬:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৬, ২০২৬, ১৬:০৯

options
link
বিদেশ সফর নিয়ে ভুয়ো খবর! সংবাদমাধ্যমকে বেনজির ‘ফ্যাক্ট চেক’ খোদ প্রধানমন্ত্রীর zoom
নরেন্দ্র মোদি। ফাইল ছবি।
Advertisement

জ্বালানি বাঁচানো এবং বিদেশি মুদ্রা সঞ্চয় বাড়ানোর লক্ষ্যে সদ্যই দেশবাসীকে একাধিক পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। কিন্তু সেই পরামর্শেই কি থামবে সরকার? নাকি বিদেশ সফর কমাতে কোনও প্রশাসনিক পদক্ষেপ করা হবে? এসব নিয়ে জল্পনার মধ্যেই খোদ প্রধানমন্ত্রী ফ্যাক্ট চেকারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হলেন। এক সংবাদমাধ্যমের বিদেশ সফর সংক্রান্ত ভুয়ো খবরকে মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিলেন তিনি।

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল, মধ্য প্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি ও আমদানির বর্ধিত খরচ সামাল দিতে বিদেশ ভ্রমণে সেস বা কর বসানোর কথা ভাবছে কেন্দ্রীয় সরকার। দাবি করা হয়, সরকারের একেবারে শীর্ষস্তরে ওই নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ওই খবর প্রকাশিত হতেই রীতিমতো আলোড়ন পড়ে যায়।

Advertisement

সচরাচর এই ধরনের খবর ভুয়ো হলে প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো ফ্যাক্ট চেক করে। কিন্তু যেহেতু বিষয়টি আন্তর্জাতিক কূটনীতির সঙ্গে সম্পর্কিত, সম্ভবত সেকারণেই খোদ প্রধানমন্ত্রী সোশাল মিডিয়ায় ওই খবরকে ভুয়ো বলে উড়িয়ে দিলেন। প্রধানমন্ত্রী সোশাল মিডিয়ায় বললেন, “এই তথ্যগুলি সম্পূর্ণ মিথ্যা। এর মধ্যে একবিন্দুও সত্যতা নেই। বিদেশ ভ্রমণের উপরে এ ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করার কোনও প্রশ্নই ওঠে না।” প্রধানমন্ত্রীর সাফ কথা, সাধারণ মানুষের ইজ অফ লিভিং এবং দেশে ইজ অফ ডুয়িং বিজনেস বাড়াতে আমরা বাধ্যপরিকর।” রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও ওই ফেক নিউজ নিয়ে সরব। তিনি বলছেন, “প্রধানমন্ত্রীর খ্যাতি বিশ্বজুড়ে। আর দেশে কিছু দেশবিরোধী আছে তাঁরা বারবার প্রধানমন্ত্রীকে ভুল প্রমাণ করার চেষ্টা করছেন।” 

প্রধানমন্ত্রী ফ্যাক্ট চেক করার পরই ওই সংবাদমাধ্যম নিজেদের প্রতিবেদনটি সরিয়ে দেয়। আলাদা করে দুঃখপ্রকাশও করা হয় ওই সংবাদমাধ্যমের তরফে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশের সর্বোচ্চ পদাধিকারী স্বয়ং এ ভাবে এগিয়ে এসে কোনও খবরের সত্যতা খণ্ডন করলেন, এমন ঘটনা সম্ভবত এই প্রথম ঘটল।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.