তিনি পুলিশ কনস্টেবল। অনেক কষ্ট করে পেয়েছেন সরকারি চাকরি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি সমর্থন জানাতে চাকরিই ছেড়ে দিলেন! তেমনটাই দাবি গুজরাটের বাসিন্দা রামগর মোহানগর নামের ওই যুবকের। সেই সঙ্গে জানিয়েছেন, ২০২৯ সালে মোদি ফের না জেতা পর্যন্ত তিনি খালি পায়েই থাকবেন।
সম্প্রতি গোটা দেশে সাড়া ফেলেছিল যন্তর মন্তরে ‘আরশোলা’দের আন্দোলন। সেই ঘটনাই নাড়িয়ে দিয়েছে রামগরকে। এবং এরপরই তিনি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন ইস্তফা দেওয়ার। ঠিক করে নেন, বাকি জীবনটা সংঘের জন্য উৎসর্গ করবেন। নিজেই একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন তিনি। সেখানেই তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ”আমি অনেক কষ্ট করে তবে এই চাকরিটা পেয়েছিলাম। কিন্তু যন্তর মন্তরে সম্প্রতি যে বিক্ষোভ হয়েছে তার পরিপ্রেক্ষিতে এবং যুবকদের স্বার্থে প্রধানমন্ত্রী মোদির নেওয়া সিদ্ধান্তগুলির প্রতি সমর্থন জানিয়ে আমি পুলিশ কনস্টেবলের পদ থেকে ইস্তফা দিচ্ছি। লক্ষ্য মোদি সরকার ও আরএসএসের পাশে দাঁড়ানো। আমি রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করতে চাই। এটি এমন একটি সংগঠন যা কোনও ব্যক্তিগত স্বার্থ ছাড়াই নিঃস্বার্থভাবে দেশসেবায় নিবেদিত।” এখানেই শেষ নয়। নিজের এক প্রতিজ্ঞার কথাও জানিয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, ”আমি ঘোষণা করছি ২০২৯ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মসনদে না ফেরা পর্যন্ত আমি খালি পায়ে থাকব। জুতো পরব না।”
আরও পড়ুন:
শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং একাধিক ইস্যু নিয়ে ২০ জুলাই সংসদ অভিযানে নামে ককরোচ জনতা পার্টি এবং অন্যান্য পড়ুয়ারা। প্রাথমিক ভাবে শিক্ষামন্ত্রী ইস্তফা না দিলেও পরে তিনি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। এই ঘটনায় দেশজুড়ে সাড়া পড়ে গিয়েছিল। এবার ওই আন্দোলনের অভিঘাতেই ব্যক্তিগত জীবনেও বড় সিদ্ধান্ত নিলেন গুজরাটের কনস্টেবল।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
অঙ্কিতার পর সোহিনীকে ‘হেনস্তা’? বিস্ফোরক অভিযোগে দেবালয় বললেন ‘অনেক ক্ষতি…’
-
‘আয়ুষ্মান ভারতে’ বিনামূল্যে লিগামেন্ট অপারেশন কৃষ্ণনগরে, মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ রোগীর
-
‘প্রাক্তন প্রেমিকাকে ধর্ষণ করে খুন করব’, চ্যাটজিপিটিতে পরামর্শ চাইতেই বিরাট ক্ষতি যুবকের
-
সাপেদের প্রতি গভীর টান? ভারতের এই ৫ জঙ্গল সাফারিতে দেখা পাবেন এই রাজকীয় সরীসৃপদের
-
আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুরহস্য লুকিয়ে তারাপীঠ-রামপুরহাটে! মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তদন্তের আর্জি ঋতব্রতর