‘দিদি নম্বর ওয়ান’-এর সঞ্চালিকা বদল নিয়ে মাসখানেক ধরেই সরগরম টেলিপাড়া। রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দু’দশকের সিংহাসনে বসায় অভিনেত্রীকে ঘিরে কম চর্চা হয়নি। রচনার ‘লিগ্যাসি’ মনে করিয়ে অহরহ তুলনাও টানা হয়েছে। সম্প্রচার শুরুর পরেও অনেকে ভ্রু কুঁচকেছেন! যদিও সেসবে কান না দিয়ে শো মাতাচ্ছেন স্বস্তিকা, এবার মেয়ের বিদেশি প্রেমিকের ‘দিদি নম্বর ওয়ান’-প্রীতির কথা ফাঁস করলেন অভিনেত্রী-সঞ্চালিকা।
“আমার মেয়ের পার্টনার ব্রিটিশ-আইরিশ। ওকে আবার সবকিছু অনুবাদ করে বলতে হয়।…”
আরও পড়ুন:
দর্শকমহলের একাংশ যেমন টেলিপর্দার ‘নতুন দিদি’কে ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছেন, তেমনই মেয়ে অন্বেষা এবং তাঁর ব্রিটিশ-আইরিশ প্রেমিকও নাকি তাঁর নন-ফিকশন শোয়ের অন্ধ ভক্ত হয়ে উঠেছেন। কীরকম? সম্প্রতি সাক্ষাৎকারে সেকথাই ভাগ নিয়েছেন স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়। অভিনেত্রী জানান, “এর আগে জি ফাইভে এত কাজ করেছি, তখন আমার মেয়ের কৌতূহল হয়নি, কিন্তু আমি ‘দিদি নম্বর ১’ শুরু করার পরই ও জি ফাইভের সাবস্ক্রিপশন নিয়ে ফেলেছে। আমার মেয়ের পার্টনার ব্রিটিশ-আইরিশ। ওকে আবার সবকিছু অনুবাদ করে বলতে হয়। শুরুর দিকে ওরা সবকটা পর্বই দেখেছে।” তবে কন্যা অন্বেষার প্রেমিক ড্যানিয়েল লোগ্রান (ড্যান) শুধু ‘হবু শাশুড়ি’র সঞ্চালিত শো দেখেই ক্ষান্ত থাকেননি, বরং বিদেশ থেকে সারপ্রাইজও পাঠিয়েছেন। স্বস্তিকা জানালেন, “ড্যান আমার জন্য ব্রিটিশ অ্যাকসেন্টে ‘দিদি নম্বর ওয়ান’ গেয়ে একটা ভিডিও পাঠিয়েছে। আমি বলেছি, খুব জলদি যাব মেয়ের কাছে। ওখানে আমি আর ড্যানিয়াল একটা ভিডিও বানিয়ে, সোশাল মিডিয়ায় দেব।”

স্বস্তিকাকন্যা অন্বেষার প্রেমিক ড্যানিয়েল আদতে একজন ক্লাউড ইঞ্জিনিয়র। লন্ডনের বাসিন্দা। কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন অন্বেষার সঙ্গে আলাপ। সোশাল মিডিয়ায় মাঝেমধ্যেই দু’জনের ছবি দেখা যায়। যেখানে মা স্বস্তিকাও মন্তব্যবাক্সে ভালোবাসা উজাড় দেন। গতবছর বিদেশে ঘুরতে গিয়েও অন্বেষা ও ড্যানিয়েলের সঙ্গে ছবি ভাগ করে নিয়েছিলেন স্বস্তিকা। এবার নতুন শো নিয়ে ‘হবু বিদেশি জামাই’য়ের উন্মাদনার কথা জানালেন অভিনেত্রী।
‘দিদি নম্বর ওয়ান’-এর সঞ্চালক বদল নিয়ে সমালোচনার ঝড়, রচনার সঙ্গে তুলনা টানা প্রসঙ্গে সংবাদ প্রতিদিন-এর সাক্ষাৎকারে স্বস্তিকা জানান, “আমি কোনওদিন মনে করি না রচনাদি যেটা করে গিয়েছে সেটা আমি করতে পারব। আমি আমার মতো করে চেষ্টা করছি।” তাঁর কথায়, “ফেসবুকটাকে আমি নর্দমা ভাবি। আমার মনে হয়, কেউ যখন কাউকে ছোট করে, তখন ভাবে যে, এই কথাটা বলে দিলাম, গায়ে লেগে গেল! আমি জিতে গেলাম। আমি মনে করি ওটা আমাদের গায়ে মাখা উচিত নয়। তুমি আমাকে যা খুশি বলো না কেন, আমি তো সেটা নই। তুমি আমাকে যদি বলো রাক্ষসী, আমি তোমাকে বেটার অপশন দিচ্ছি। আর আমি তো শাঁকচুন্নির চরিত্রে করেছি (‘ভূতের ভবিষ্যৎ’ : কদলীবালা)। তার চেয়ে পপুলার কোনও চরিত্র আমি জীবনে করিনি। ফলে ক্ষতি কী।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ইন্দাসে খুন শেখ মাফিক, ‘কাগজপত্র নিয়ে এসো’, ‘আরশোলা’ সমর্থক ছেলেকে ফোন মমতার
-
সরকারের শতদিনে ‘গিফ্ট’ অমিত মেটালিক্স, পুরুলিয়ায় ৪০০০ কোটির কারখানার শিলান্যাস শুভেন্দুর
-
হাতেনাতে গ্রেপ্তার ব্যাঁটরা থানার এসআই, ‘খপ করে ধরেছি’, ‘ঘুষখোর’দের কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর
-
অঙ্কিতার পর সোহিনীকে ‘হেনস্তা’? বিস্ফোরক অভিযোগে দেবালয় বললেন ‘অনেক ক্ষতি…’
-
‘আয়ুষ্মান ভারতে’ বিনামূল্যে লিগামেন্ট অপারেশন কৃষ্ণনগরে, মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ রোগীর