ফের স্কুলের মধ্যেই ধর্ষণের শিকার চার বছরের শিশুকন্যা

নৃশংসতার নেপথ্যে নিরাপত্তারক্ষীই, সন্দেহ পুলিশের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৭, ০৬:৫০

options
link
ফের স্কুলের মধ্যেই ধর্ষণের শিকার চার বছরের শিশুকন্যা

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের স্কুলের ভিতরে ধর্ষণের শিকার হতে হল চার বছরের শিশুকন্যাকে। এবার ঘটনাস্থল উত্তর বেঙ্গালুরুর একটি বেসরকারি স্কুল। অভিযোগ, স্কুলের ভিতরেই চার বছরের ওই শিশুকন্যাকে ধর্ষণ করা হয়েছে।

Advertisement

[ডিভোর্স পেতে ছয় মাসের অপেক্ষা ‘বাধ্যতামূলক নয়’, জানাল সুপ্রিম কোর্ট]

Advertisement

ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার। জানা গিয়েছে, স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পরই যৌনাঙ্গে ব্যথা হচ্ছে বলে মা’কে জানায় শিশুটি। বেশ কয়েকবার বমিও করে সে। অসুস্থ শিশুকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরিস্থিতির অবনতি হলে সেখান থেকে এমএসআর রামাইয়া হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানকার চিকিৎসকরাই জানান শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়েছে। এরপর পুলিশে অভিযোগ জানান শিশুটির বাবা-মা।

Advertisement

প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশের অনুমান, স্কুলেরই কোনও নিরাপত্তারক্ষী শিশুর সঙ্গে এমন কাজ করেছে। আপাতত শিশুটি সুস্থ হওয়ার জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে। এরপরই তার বয়ান নেওয়া হবে। আর দোষীকে শনাক্ত করার চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, বেসরকারি ওই স্কুলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বেশ ভালই। স্কুল চত্বরে সিসিটিভি ক্যামেরাও বসানো রয়েছে। তারপরও কেমন করে এই ঘটনা ঘটে গেল। সে বিষয়ে বেশ ধন্দে পুলিশ।

[চোখের ভুল নয়, নবজাতকের মুখে সাতটি দাঁত!]

প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই গুরুগ্রামে স্কুলের শৌচালয়ে সাত বছরের বালকের গলাকাটা দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনায় স্কুল বাসের কন্ডাক্টরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিভিন্ন মহলে সমালোচনার ঝড়ও বয়ে গিয়েছে। এদিকে আবার কন্ডাক্টর নির্দোষ বলে দাবি করেছে তার পরিবার। ময়নাতদন্তের রিপোর্টেও বলা হয়েছে, সাত বছরের বালককে কোনও যৌন হেনস্থা করা হয়নি। এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের দিল্লির এক স্কুলে পাঁচ বছরের শিশুকন্যাকে ধর্ষণ করার অভিযোগ ওঠে স্কুলেরই পিওনের বিরুদ্ধে। পরপর এই ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে অভিভাবকদের মধ্যে। প্রশ্ন উঠছে স্কুলের পড়ুয়াদের নিরাপত্তা নিয়ে।

[রাম রহিমের লালসা মেটাতে শরীর খুঁজে দিত পোষা ‘বিষকন্যা’রা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.