সদ্য ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনে শামিল হয়ে অনশন করেছিলেন। তাতে সাফল্য মিলেছে। এমনকী সরকারের সঙ্গে তাঁর নৈকট্য নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কিন্তু সেই সোনম এখন দাবি করছেন, সরকার তাঁর প্রতি এতটাই ক্ষুব্ধ যে তাঁকে এনকাউন্টারে খুন পর্যন্ত করা হতে পারে। সোনমের আশা, তাতে অবশ্য ভালোই হবে। অন্তত দেশবাসী লাদাখের সঙ্গে কী অন্যায় হচ্ছে, সেটা জানতে পারবে।
আসলে লাদাখ ও লেহ’বাসীর দাবিদাওয়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আন্দোলন করছেন সোনম। ২০১৯ সালে লাদাখকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ঘোষণা করা হয়। তারপর থেকেই পূর্ণ রাজ্যের স্বীকৃতি নিয়ে সরব সেই অঞ্চলের বাসিন্দারা। দীর্ঘদিন ধরেই লাদাখের মানুষ দাবি করেছেন, পূর্ণ রাজ্য হিসাবে স্বায়ত্তশাসনের অধিকার দেওয়া হোক তাঁদের। ২০২৫ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর লাদাখের আন্দোলন হিংসাত্মক রূপ নেয়। নিরাপত্তারক্ষীদের গুলিতে মারা যান চারজন লাদাখবাসী। সেই ঘটনার বর্ষপূর্তিতে ওয়াংচুক দাবি করছেন, “চিন তিব্বতবাসীর সঙ্গে যতটা না খারাপ ব্যবহার করছে, তার চেয়েও ভারত সরকার লাদাখবাসীর সঙ্গে বেশি খারাপ ব্যবহার করছে।”
আরও পড়ুন:
গত বছর ওই হিংসাত্মক আন্দোলনে উসকানি দেওয়ার অভিযোগে ওয়াংচুককে গ্রেপ্তার করা হয়। জাতীয় নিরাপত্তা আইনে তাঁকে অজ্ঞাত ঠিকানার জেলে দীর্ঘদিন বন্দি রাখা হয়। ওই ঘটনার বর্ষপূর্তিতে এক সাক্ষাৎকারে ওই সমাজকর্মী বলছেন, “আমি জানি সরকার আমাকে চেপে দেওয়ার চেষ্টা করবে। আগেও ওঁরা এটা করেছে। আমাকে জেলে পাঠানো হয়েছে। এখন শুধু এনকাউন্টার করাটাই বাকি। আমার ইচ্ছা যে ওরা আমাকে এনকাউন্টার করে মেরে ফেলুক। অনেকেই বলেন, এনকাউন্টার করে আমাকে মারা হবে। সেটাই হোক, তাতে অন্তত দেশবাসী জাগবে।”
উল্লেখ্য, লাদাখবাসীর দাবিদাওয়া নিয়ে কেন্দ্রের সঙ্গে এই মুহূর্তে আলোচনা চালাচ্ছে লেহ অ্যাপেক্স বডি ও কারগিল ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়েন্স (কেডিএ)। ওই দুই সংগঠনের তরফে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সঙ্গে আলোচনা করছেন ওয়াংচুক নিজেও। এর মধ্যে তাঁর এই মন্তব্য রীতিমতো আলোড়ন ফেলে দিয়েছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘বালির টাকা যেত ক্যামাক স্ট্রিটে’, অভিষেককে নিশানা করে শুভেন্দুর তোপ, ‘চোরদের জেলে যেতে হবে’
-
লাভের গুড় খেয়ে যায় ফড়েরা! ‘সরাসরি ধান কিনবে সরকার’, চাষিদের পাশে ‘বন্ধু’ শুভেন্দু
-
লন্ডনে জোড়া ধর্ষণ কাণ্ডে পুলিশের জালে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ক্রিকেটার, শেষ কেরিয়ারও!
-
চার নয়, দু’সপ্তাহ সময় দিলেন স্পিকার! সাংসদ পদ ইস্যুতে আরও চাপে সুদীপ-কাকলিরা
-
ভিক্ষাপাত্র দমাতে পারেনি পড়াশুনোর অদম্য জেদ, স্টেশনেই বাড়ছে ‘দুর্গার বিদ্যাসাগর’