Bengaluru cafe blast

বেঙ্গালুরুর রেস্তরাঁয় বিস্ফোরণে অন্যতম চক্রীকে গ্রেপ্তার করল NIA

গত ১ মার্চ বেঙ্গালুরুর এক রেস্তরাঁয় ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৮, ২০২৪, ২২:১১

options
link
বেঙ্গালুরুর রেস্তরাঁয় বিস্ফোরণে অন্যতম চক্রীকে গ্রেপ্তার করল NIA
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বেঙ্গালুরুর (Bengaluru) রেস্তরাঁয় ভয়ংকর বিস্ফোরণের (Blast) অন্যতম চক্রী মুজাম্মিল শরিফকে গ্রেপ্তার করল এনআইএ। গত ১ মার্চ বেঙ্গালুরুর এক রেস্তরাঁয় ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। এর পর থেকে অভিযুক্তদের সন্ধানে ১৮টি জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছে। এর মধ্যে কর্নাটকের ১২টি জায়গা ছাড়াও তামিলনাড়ুর ৫টি স্থান রয়েছে। রয়েছে যোগীরাজ্যের একটি অঞ্চলও।

Advertisement

বেঙ্গালুরুর কুণ্ডলাহল্লিতে রামেশ্বরম নামের রেস্তরাঁতে এই বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের কয়েক ঘণ্টা পর মাইসুরুতে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন সিদ্দারামাইয়া। তিনি জানান, “অজ্ঞাতপরিচয় কোনও ব্যক্তি রেস্তরাঁর ভেতর এই বিস্ফোরক ভর্তি ব্যাগ রেখে আসে। যার জেরেই এই বিস্ফোরণ। আমরা সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করছি। এটি একটি আইইডি বিস্ফোরণ।” এর পর ৩ মার্চ তদন্তের ভার হাতে পায় এনআইএ। তাদের প্রাথমিক সন্দেহের তির মুসাভির শাহজির হুসেনের দিকে। ওই ব্যক্তিই বিস্ফোরক বোঝাই ব্যাগ রেখে এসেছিল বলে অনুমান। এনআইএ জানিয়েছে, রেস্তরাঁয় বোমা রেখে যাওয়া ব্যক্তিকে ধরিয়ে দিতে পারলে ১০ লক্ষ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। এছাড়াও তাদের নজরে রয়েছে আবদুল মাথিন তাহা। তাকেও এই মামলার অন্যতম চক্রী হিসেবে ধরা হচ্ছে। কিন্তু এই দুজন এখনও পলাতক। এদিকে ধৃত মুজাম্মিল দুই মূল অভিযুক্তকে সাহায্য করেছিল বলেই অভিযোগ।

Advertisement

[আরও পড়ুন : নজরে পরিযায়ী ভোটব্যাঙ্ক, নির্বাচনের আগে শ্রমিকদের ঘরে ফেরাতে তৎপর সব দলই]

গত ১৭ মার্চ বহু জায়গায় তল্লাশি চালায় এনআইএ। সেই সময় তাদের হাতে আসে বেশ কয়েকটি ফোন এবং কিছু নগদ টাকা। সেখান থেকে তদন্তের গতিপ্রকৃতি নয়া দিশা পায়। এর আগেই গ্রেপ্তার করা হয়েছিল সাব্বির নামে এক ব্যক্তিকে। সেটাই ছিল এই মামলার প্রথম গ্রেপ্তারি। তারও আগে দুই সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছিল।

Advertisement

[আরও পড়ুন : ‘ঘরের বউ হলে ধোলাই দিত’, দিলীপের সমালোচনা করতে গিয়ে ‘বেলাগাম’ তৃণমূল বিধায়ক]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.