Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ আশ্বিন ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Kartik Maharaj

‘সংযম দরকার’, আমিষ-নিরামিষ বিতর্কের মাঝে পুজো উদ্যোক্তাদের বার্তা কার্তিক মহারাজের

রাজ্যে পুজো কমিটিগুলির মধ্যে সমম্বয়ের জন্য তৈরি হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ দুর্গাপুজো সমম্বয় সমিতি। তার চেয়ারম্যান কার্তিক মহারাজ।

অরিজিৎ গুপ্ত
অরিজিৎ গুপ্ত

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬, ২০:৩০

link
অরিজিৎ গুপ্ত
অরিজিৎ গুপ্ত

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬, ২০:৩০

options
link
‘সংযম দরকার’, আমিষ-নিরামিষ বিতর্কের মাঝে পুজো উদ্যোক্তাদের বার্তা কার্তিক মহারাজের zoom
ফাইল ছবি
Advertisement

পুজোর মুখে আমিষ-নিরামিষ বিতর্কে জোর চাপানউতোর। তারই মাঝে পুজো উদ্যোক্তাদের ‘সংযম’, ‘আত্মত্যাগে’র বার্তা দিলেন কার্তিক মহারাজ (Kartik Maharaj)। তবে তিনি সাফ জানান, দুর্গাপুজোয় মাছ, মাংস নিয়ে এত লড়াই করার কিছু নেই। বৃহস্পতিবার হাওড়ার ডুমুরজলা স্টেডিয়ামে হকি গ্রাউন্ডে একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে এমনটাই জানালেন তিনি। রাজ্যে পুজো কমিটিগুলির মধ্যে সমম্বয়ের জন্য তৈরি হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ দুর্গাপুজো সমম্বয় সমিতি। বুধবার সেই সমম্বয় সমিতির চেয়ারম্যান হিসেবে কার্তিক মহারাজের নাম ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। আর ঠিক এরপরই বৃহস্পতিবার হাওড়ায় এসে কার্তিক মহারাজ দুর্গাপুজো উদ্যোক্তাদের উদ্দেশে একথা বলেন।

তাঁকে সমম্বয় সমিতির চেয়ারম্যান করার জন্য কার্তিক মহারাজ প্রথমেই রাজ্য সরকারের প্রশংসা করেন। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে অশেষ ধন্যবাদ দুর্গাপুজো কমিটিতে এক জন নিরপেক্ষ সন্ন্যাসীকে রেখেছেন। এজন্য আমি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে কৃতজ্ঞ।’’ দুর্গাপুজো নিয়ে পুজো উদ্যোক্তাদের বার্তা দিতে গিয়ে কার্তিক মহারাজ বলেন, ‘‘দুর্গাপুজোয় সনাতন হিন্দু ধর্মের সমস্ত দিক আমরা পাবো। এর মধ্যে দিয়ে হিন্দু ধর্মের শ্রেষ্ঠত্ব আমরা খুঁজে পাব। শাস্ত্রীয় দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে মায়ের অন্তর্নিহিত আরাধনা হওয়ার দরকার আছে। তার জন্য আমি সেদিনও আবেদন করেছিলাম। নিশ্চয় আনন্দ থাকবে, উৎসব থাকবে তার সঙ্গে সঙ্গে একটু আমরা চিন্তা করবো মা দুর্গার আবির্ভাবের কারণ। সেটা যদি আমরা অনুভব করতে না পারি তাহলে হইহুলোড়, আলোর রোশনাই, বাজি ফাটিয়ে মায়ের আরাধনা হবে না।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সংযমের বার্তা দিয়ে তিনি আরও বলেন, “মূলত এটা শক্তির পূজো। শক্তিকে আরোহণ করতে গেলে সংযম দরকার, তপস্যা দরকার। সুতরাং যারা দুর্গাপুজোর উদ্যোক্তা আছেন তাঁদের বলবো, কটা দিন আনন্দ উৎসব করুন কিন্তু অন্ত:সাধনা একটু থাকা দরকার। সংযম একটু থাকা দরকার।’’ একইসঙ্গে দুর্গাপুজোয় মাছ, মাংস বিতর্কেও মুখ খোলেন। তাঁর মতে, ‘‘এখন তো বাংলায় মাছ, মাংস নিয়ে টিভিতে খুব লড়াই হচ্ছে। অথচ শ্রীমৎভগবত গীতায় আমাদের সাত্ত্বিক, রাজসিক, তামসিক আহারের কথা বলা হয়েছে। যুধিষ্ঠির সাত্ত্বিক মনোভাবাপন্ন, আবার অর্জুন-নকুলরা রাজসিক মনোভাবাপন্ন, ভীম তামসিক। সুতরাং একে অন্যের সঙ্গে বিচ্ছেদ নয়, এটা প্রয়োজন অনুযায়ীই তৈরি হয়েছে। এ নিয়ে বিতর্কের কিছু নেই।’’

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.