বেঙ্গালুরুর এক অ্যাপার্টমেন্টে হাড়হিম হত্যাকাণ্ডে থ পুলিশ। প্রাথমিক তদন্ত থেকে মনে করা হচ্ছে, নিহত সোমসুন্দর (৫৫), তাঁর স্ত্রী মুথুলক্ষ্মী (৪৮) এবং ২০ বছরের সুপ্রিয়াকে খুন করেছেন বাড়ির বড় মেয়েই। সঙ্গী ছিলেন তাঁর লিভ-ইন সঙ্গী কেনেথ। ঘটনার পর থেকেই পলাতক তাঁরা। পুলিশ ইতিমধ্যেই একজনকে গ্রেপ্তার করলেও এসম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
আরও পড়ুন:
মনে করা হচ্ছে, কেনেথের সঙ্গে শ্বেতার এই সম্পর্ক মেনে নেননি সোমসুন্দর ও মুথুলক্ষ্মী। আর সেই জায়গা থেকেই এই হত্যা! তবে ঠান্ডা মাথায় সুপরিকল্পিত ভাবে খুন, নাকি রাগের চোটে হত্যা, তা এখনও জানা যায়নি। দেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট হাতে পেলে তদন্তে আরও একটু এগনো যাবে বলেই ধারণা তদন্তকারীদের।
পুলিশের দাবি, সোমবার বাড়িতে এসেছিলেন শ্বেতা। সঙ্গে ছিলেন কেনেথও। আর এরপরই তাঁদের সঙ্গে মুখুলক্ষ্ণীর বাদানুবাদ শুরু হয়। সেই সময় বাড়িতে সোমসুন্দর, সুপ্রিয়া কেউই ছিলেন না। ঝগড়া চলতে থাকলে ধারালো অস্ত্রে তাঁকে খুন করা হয়। এরপর রক্তও ধুয়ে ফেলা হয়। এই ঘটনার পর একে একে সুপ্রিয়া ও সোমসুন্দর বাড়ি এলে তাঁদেরও খুন করেন অভিযুক্তরা। এরপর থেকেই তাঁরা পলাতক। পুলিশ আরও জানতে পেরেছে শ্বেতার বাজারে প্রচুর ঋণ হয়ে গিয়েছিল। দেনার পরিমাণ বাড়তে বাড়তে ৩০ লক্ষ টাকা হয়ে যাওয়ায় তা নিয়েও পরিবারের সঙ্গে তাঁর গোলমাল শুরু হয়েছিল। এই ঋণও হত্যার নেপথ্যে কোনও ‘মোটিভ’ কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
স্ত্রী সুনীতা একা, কোমলকে আগলে গণপতি দর্শনে গোবিন্দা, ভগবানকে সাক্ষী রেখে প্রেমে সিলমোহর!
-
মাঝরাতে কমান্ডো অভিযান যোগীরাজ্যে! এনকাউন্টারে খতম স্ত্রী, পুত্র-সহ ২ পুরোহিত খুনে অভিযুক্ত
-
কিউবাকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ বলে তোপ! রাষ্ট্রসংঘে ট্রাম্পের মন্তব্যের পরই ওয়াক আউট হাভানার
-
শিল্ডে প্রথম ম্যাচে মোহনবাগানের কাঁটা দুই প্রাক্তন, আজ কলকাতা লিগের ট্রফি দেবেন ক্রীড়ামন্ত্রী
-
পুজোর মুখে পাথরশিল্পে ‘লাল সংকেত’! বন্ধের মুখে ১৯৩ ক্রাশার