Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Ram Mandir

পকেটবিহীন বিশেষ পোশাক! চুরি ঠেকাতে রাম মন্দিরের কর্মীদের জন্য চালু হচ্ছে নয়া বিধি

বলা হয়েছে, ভক্তদের থেকে মন্দিরের যে কর্মীরা দান গ্রহণ করবেন তাঁদের জন্য বিশেষ পোশাকবিধি কার্যকর হোক। যে পোশাকে কোনও পকেট থাকবে না। সেক্ষেত্রে টাকা লোপাটের সম্ভাবনা কমবে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৩, ২০২৬, ১৫:১৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৩, ২০২৬, ১৫:১৯

options
link
পকেটবিহীন বিশেষ পোশাক! চুরি ঠেকাতে রাম মন্দিরের কর্মীদের জন্য চালু হচ্ছে নয়া বিধি zoom
চুরির টাকা রীতিমতো বিলিয়ে দিয়েছেন পরিবার-বন্ধুদের মধ্যে!
Advertisement

রাম মন্দিরের দানের টাকা চুরির ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে গোটা দেশে। চুরির তদন্তে ইতিমধ্যেই বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) গঠন করেছে যোগী আদিত্যনাথের সরকার। চুরি ঠেকাতে এবার সেই সিটের তরফেই বেশকিছু পরামর্শ দেওয়া হল মন্দির ট্রাস্টকে। যেখানে বলা হয়েছে, ভক্তদের থেকে মন্দিরের যে কর্মীরা দান গ্রহণ করবেন তাঁদের জন্য বিশেষ পোশাকবিধি কার্যকর হোক। যে পোশাকে কোনও পকেট থাকবে না। সেক্ষেত্রে টাকা লোপাটের সম্ভাবনা কমবে।

সূত্রের খবর, চুরি রুখতে সিটের তরফে একাধিক পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, এখন থেকে দানবাক্স থেকে টাকা বের করা ও তা পরিবহণের গোটা প্রক্রিয়া ভিডিও করা হবে। অভিযোগের পর টাকা গণনার পুরো দলটাকে বদলে দেওয়া হয়েছে। এবং মন্দির থেকে টাকা ব্যাঙ্কে নিয়ে যান যারা সেই দলটিকেও বদলে দেওয়া হয়েছে। গোটা প্রক্রিয়ায় স্বেচ্ছাসেবকদের দায়িত্ব বদল করা হয়েছে। বলা হয়েছে, যারা টাকা গুনবেন তাঁদের জন্য বরাদ্দ হচ্ছে বিশেষ পোশাক। যেখানে থাকবে না কোনও পকেট। শুধু তাই নয়, টাকা গোনার পর বাইরে তাঁদের তল্লাশিও করা হবে।

Advertisement

এখন থেকে দানবাক্স থেকে টাকা বের করা ও তা পরিবহণের গোটা প্রক্রিয়া ভিডিও করা হবে। অভিযোগের পর টাকা গণনার পুরো দলটাকে বদলে দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, রাম মন্দিরের (Ram Mandir) টাকা চুরির বিষয়টি সম্প্রতি এনেছিলেন সপা প্রধান অখিলেশ যাদব। সোশাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, ‘বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা রামভক্তদের জন্য এটি অত্যন্ত দুঃখের খবর। রামমন্দিরে ভক্তদের দান করা কোটি কোটি টাকা গায়েব হয়ে গিয়েছে। এই ঘটনা মন্দির ট্রাস্টের জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক ও অস্বস্তিকর। কেউই সামনে এসে এই ইস্যুতে মুখ খুলতে চাইছেন না।’ পাশাপাশি এই বিষয়ে আদালতের তত্ত্বাবধানে হস্তক্ষেপ দাবি করেন অখিলেশ। প্রাথমিকভাবে টাকাচুরির অভিযোগ নাকচ করে দেয় ট্রাস্ট। পরে অভ্যন্তরীণ তদন্ত শেষে সন্দেহজনক লেনদেনের হদিশে পেয়েছে ট্রাস্টও। এবং ট্রাস্টের তরফেই যোগীর কাছে সিট গঠনের দাবিতে চিঠি দেওয়া হয়। ট্রাস্টের চিঠির পরই ৩ সদস্যের উচ্চস্তরীয় বিশেষ তদন্তকারী দল গড়েছে যোগী আদিত্যনাথের সরকার। মন্দিরের দু’জন কর্মচারীকে অযোধ্যা পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে। ‌তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করছেন সিটের সদস্যরা। দুই কর্মচারীর কাছ থেকে বেশ কয়েক লক্ষ টাকা নগদ এবং সোনা দানা পাওয়া গিয়েছে বলে প্রাথমিক সূত্রের খবর।

এদিকে অযোধ্যার রামমন্দিরে কোটি কোটি টাকার চুরিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। মন্দির নির্মাণ কমিটির প্রধান তথা অবসরপ্রাপ্ত আইএএস অফিসার নৃপেন্দ্র মিশ্র বলেন, “প্রধানমন্ত্রী গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। তাঁর একটা চিন্তা ভক্তদের টাকা নিয়ে। একই সঙ্গে তিনি উদ্বিগ্ন মন্দিরের সিস্টেম নিয়ে। এখানে একটা পুরোপুরি ভেঙে পড়া সিস্টেম কাজ করছে। আগামী দিনে এই ভেঙে পড়া জরাজীর্ণ সিস্টেমকে কীভাবে ভালো সিস্টেমে পরিণত করা যায়-সেটাই চ্যালেঞ্জ।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.