বারামতী বিমান দুর্ঘটনায় মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ারের মৃত্যুর ঘটনায় নড়েচড়ে বসল কেন্দ্রীয় সরকার। দেশে ৪০০-র বেশি অনিয়ন্ত্রিত বিমানস্ট্রিপগুলি পর্যবেক্ষণের নির্দেশ দিল সরকার। এই সমস্ত বিমানবন্দরগুলির দেখভালের জন্য বিশেষ উদ্যোগ নিতে কেন্দ্রের পরিকল্পনা এইসব বিমানস্ট্রিপ ডিজিসিএ এবং রাজ্যসরকারের তত্ত্বাবধানে থাকবে।
আরও পড়ুন:
গত ২৮ জানুয়ারি বারামতীতে বিমান দুর্ঘটনায় প্রয়াত হন মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ার। সেই ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে ইতিমধ্যেই। এর পাশাপাশি কেন্দ্র চাইছে দেশের সমস্ত বিমানবন্দরগুলির নিরাপত্তা নিশ্চিত হোক। বারামতীর মতো দেশের নানা প্রান্তে এমন অসংখ্য ছোট বিমানবন্দর রয়েছে। যেগুলি রাজ্যসরকার, বিমান প্রশিক্ষণ সংস্থা এবং বেসরকারি অপারেটরদের মালিকানাধীন। যার জেরে এইসব বন্দরগুলির নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এই ধরনের রানওয়েতে বহু ক্ষেত্রে বিমান চলাচলের পর্যাপ্ত সুবিধাও পাওয়া যায় না। কেন্দ্রের পরিকল্পনা অনুযায়ী এইসব রানওয়ের অবকাঠামো, যোগাযোগ এবং অগ্নিনির্বাপণ প্রস্তুতির অবস্থা পরীক্ষা করা হবে। সেইসঙ্গে বিমান স্ট্রিপের পরিচালনাকারীরা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সাথে কীভাবে যোগাযোগ করে তাও পরীক্ষা করা হবে।
বারামতীর মতো দেশের নানা প্রান্তে এমন অসংখ্য ছোট বিমানবন্দর রয়েছে। যেগুলি রাজ্যসরকার, বিমান প্রশিক্ষণ সংস্থা এবং বেসরকারি অপারেটরদের মালিকানাধীন। যার জেরে এইসব বন্দরগুলির নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
রিপোর্ট বলছে, ডিজিসিএ-র নিয়ন্ত্রণের বাইরে রয়েছে প্রায় ৪০০টি এমন বিমানঘাঁটি। যার বেশিরভাগই ব্যবহার করে চার্টার ফ্লাইট, রাজনৈতিক দল ও ফ্লাইং স্কুলগুলি। এইসব ঘাঁটিতে সুযোগ-সুবিধার অভাব রয়েছে, রানওয়ে রক্ষণাবেক্ষণ এবং বিমান চলাচলের ক্ষেত্রেও ঝুঁকিপূর্ণ। এই পরিস্থিতি এবার বদলাতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার। সেক্ষেত্রে রাজ্যসরকারের পাশাপাশি এই ঘাঁটিগুলির দায়িত্ব নেবে ডিজিসিএ।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
অগ্রিম ৫ লক্ষ টাকা দিয়েও মেলেনি ফ্ল্যাট! জনতার দরবারে লেকটাউনের মহিলা
-
কমনওয়েলথ গেমসে ইতিহাস, সোনার মেয়ে অস্মিতাকে জমি, আর্থিক পুরস্কার দিল ত্রিপুরা সরকার
-
স্বাধীনতা দিবসে লোকভবনে আমন্ত্রিত ৪ হাজার, অনুষ্ঠানে অন্য ৫ রাজ্যও, নবান্নের গুচ্ছ গাইডলাইন
-
সুজিতের অ্যাকাউন্টে নিয়োগ দুর্নীতির ৮ কোটিরও বেশি টাকা, হাই কোর্টে চাঞ্চল্যকর দাবি ইডির
-
সঙ্গীদের নাম আড়াল করতে মোবাইল ভাঙে জঙ্গি রানা! নোটবুক হাতড়ে খোঁজ মিলল ৬ পাক চরের